প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:৫৬ এএম
কার্লোস এস্পি। ছবি : সংগৃহীতজয় থেকে মাত্র কয়েক মিনিট দূরে থেকেও ম্যাচটা হাতছাড়া করতে বসেছিল রিয়াল মাদ্রিদ। ২-০ গোলে এগিয়ে থাকা দলটি ১২ মিনিটের ব্যবধানে দুই গোল হজম করে এলচের বিপক্ষে তখন পয়েন্ট হারানোর শঙ্কায়। কিন্তু শেষ মুহূর্তে আবারও হাজির কার্লোস এস্পি। (৯০+১) মিনিটে কিলিয়ান এমবাপের পাস থেকে গোল করে রিয়ালকে এনে দিলেন ৩-২ ব্যবধানের নাটকীয় জয়। রিয়ালের জার্সিতে তার প্রথম দুই গোলই এখন জয়সূচক। দুটিই আবার এসেছে ম্যাচের শেষ মুহূর্তে।
গত জুলাইয়ে লেভান্তের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি দামে বিক্রি হওয়া খেলোয়াড় হিসেবে রিয়ালে যোগ দেন ২১ বছর বয়সি এস্পি। ৬ ফুট ৪ ইঞ্চি উচ্চতার স্প্যানিশ ফরোয়ার্ডকে জোসে মরিনিওর ‘প্ল্যান বি’ হিসেবেই দেখা হচ্ছিল। ম্যাচের শেষ দিকে প্রয়োজন হলে তাকে নামিয়ে ফল বদলে দেওয়াই যেন তার কাজ। এখন পর্যন্ত সেই পরিকল্পনা বেশ ভালোভাবেই কাজে লাগছে। এলচের বিপক্ষে ৮৭ মিনিটে ট্রেন্ট আলেকজান্ডার-আর্নল্ডের বদলি হিসেবে মাঠে নামেন এস্পি। তার আগে ২৫ মিনিটে আরদা গুলের ফ্রি-কিক এলচের গোলরক্ষক মাতিয়াস দিতুরোর গায়ে লেগে জালে ঢোকে। আট মিনিট পর ইয়ান দিয়োমান্দের পাস থেকে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন এমবাপে।
দ্বিতীয়ার্ধে অবশ্য বদলে যায় ম্যাচের চিত্র। ৭১ মিনিটে আবিয়েল অসোরিওর হেডে ব্যবধান কমায় এলচে। ৮৩ মিনিটে বদলি ফের নিনো গোল করলে ২-২ সমতায় ফেরে স্বাগতিকরা। এরপরই এস্পিকে মাঠে নামান মরিনিও। চার মিনিট পরই তার সিদ্ধান্তের ফল আসে। জুড বেলিংহামের পাস ধরে বাঁ দিক দিয়ে এগিয়ে এমবাপে বল বাড়ান এস্পির দিকে। কাছ থেকে বল জালে পাঠিয়ে রিয়ালের জয় নিশ্চিত করেন তরুণ ফরোয়ার্ড। চলতি লা লিগায় ৯০ মিনিট বা তারপর যোগ করা সময়ে দুটি জয়সূচক গোল করা প্রথম খেলোয়াড় এস্পি। রিয়ালের হয়ে অভিষেক ম্যাচেও এস্পানিওলের বিপক্ষে শেষ মিনিটে গোল করে দলকে জিতিয়েছিলেন তিনি। তবে ম্যাচের পারফরম্যান্সে পুরোপুরি সন্তুষ্ট হওয়ার সুযোগ নেই রিয়ালের। ২০টি শট নিয়েও মাত্র চারটি লক্ষ্যে রাখতে পেরেছে তারা।
সময়ের আলো/প্রিন্ট/আতা