আমাদের খাবার, পানি ও বাতাসের সঙ্গে অতি ক্ষুদ্র প্লাস্টিক কণা বা মাইক্রোপ্লাস্টিক প্রতিনিয়ত মানবদেহে প্রবেশ করছে, যা স্বাস্থ্য ও পরিবেশের জন্য মারাত্মক হুমকি তৈরি করেছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি পুরোপুরি এড়ানো সম্ভব না হলেও দৈনন্দিন জীবনে কিছু অভ্যাস পরিবর্তন করে এর ঝুঁকি অনেকটাই কমানো সম্ভব। নিচে মাইক্রোপ্লাস্টিক থেকে সুরক্ষা পাওয়ার ৭টি কার্যকর উপায় আলোচনা করা হলো-
টিউবওয়েলের পানিতেও মাইক্রোপ্লাস্টিক থাকতে পারে, তাই পানি সবসময় ফিল্টার করে পান করুন। কারণ ভালো ফিল্টার কণাগুলোকে অনেকাংশেই ছেঁকে ফেলতে পারে। বাইরে থেকে কেনা প্রক্রিয়াজাত বা প্যাকেটজাত খাবার যথাসম্ভব এড়িয়ে চলুন, কারণ গরম খাবার প্লাস্টিকের পাত্রে থাকলে তা থেকে খুব সহজেই প্লাস্টিক কণা খাবারে মিশে যায়।
বাড়িতে খাবার সংরক্ষণ বা খাওয়ার জন্য প্লাস্টিকের বদলে নিরাপদ কাচ বা ধাতব পাত্র ব্যবহার করুন, যা খাবারকে ক্ষতিকর কণার দূষণ থেকে মুক্ত রাখে। এছাড়া প্লাস্টিকের গ্লাস, প্যাকেট, স্ট্র, কাঁটা-চামচ, বাটি ও ট্রে-র মতো একবার ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিক পণ্যগুলো বর্জন করা উচিত।
প্লাস্টিক ব্যাগের পরিবর্তে চট বা সুতির তৈরি পরিবেশবান্ধব ব্যাগ ব্যবহার করুন এবং নিত্যদিনের পোশাকে পলিয়েস্টার এড়িয়ে সুতি, উল বা লিনেনের কাপড় বেছে নিন। সমুদ্রের পানিতে জমে থাকা প্লাস্টিক বর্জ্য সামুদ্রিক মাছের মাধ্যমে মানবদেহে প্রবেশ করতে পারে, তাই সামুদ্রিক খাবার গ্রহণের ক্ষেত্রে বাড়তি সচেতনতা জরুরি।
মাজন, স্ক্রাব বা প্রসাধনী কেনার আগে উপকরণের তালিকায় পলিথিন বা পলি প্রপিলিনের মতো উপাদান আছে কি না তা লেবেল দেখে নিশ্চিত হয়ে নিন এবং থাকলে তা বর্জন করুন।
সময়ের আলো/আআ