রজতজয়ন্তী উৎসব করছে প্রাচ্যনাট স্কুল অব অ্যাক্টিং অ্যান্ড ডিজাইন। গতকাল বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় নাট্যশালায় শুরু হয়েছে দুদিনব্যাপী এই আয়োজন, শেষ হবে আজ। ১ম থেকে ৫০তম ব্যাচের সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থী, শিক্ষক, প্রশিক্ষক, নাট্যব্যক্তিত্ব ও সংস্কৃতিপ্রেমীদের অংশগ্রহণ চলছে এই উৎসবে।
উৎসবজুড়ে রয়েছে ৫০তম ব্যাচের সমাপনী প্রযোজনা, স্মৃতিচারণা, সম্মাননা, সাংস্কৃতিক পরিবেশনা, পুনর্মিলনী ও প্রাচ্যনাট স্কুলের ২৫ বছরের পথচলার বিশেষ আয়োজন। প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, দীর্ঘ এই পথচলায় প্রাচ্যনাট স্কুলের শিক্ষার্থীরা থিয়েটার, টেলিভিশন, চলচ্চিত্র, বিজ্ঞাপন, শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনে সফলতার সঙ্গে কাজ করছেন। পাশাপাশি ভারত, ইউরোপ ও উত্তর আমেরিকার বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়েও উচ্চশিক্ষার সুযোগ পেয়েছেন অনেক সাবেক শিক্ষার্থী।
উৎসবের প্রথম দিন গতকাল ৬টায় আলোচনা সভা, উৎসবের উদ্বোধন এবং ৫০তম ব্যাচের সমাপনী ও সনদ বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়। সন্ধ্যায় মঞ্চস্থ হয় প্রাচ্যনাট স্কুল অব অ্যাক্টিং অ্যান্ড ডিজাইনের ৫০তম ব্যাচের সমাপনী পরিবেশনা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রথের রশি, নির্দেশনা দিয়েছেন শাহানা রহমান।
আজ বেলা সাড়ে ৩টায় ‘নাটকে শিক্ষা ও নাট্যশিক্ষা : প্রেক্ষিত বাংলাদেশের সমকালীন সমাজ ও সংস্কৃতি’ শীর্ষক সেমিনারে মূল প্রবন্ধ পাঠ করবেন সাইদুর রহমান, মূল আলোচক অসীম দাশ। আরও আলোচনা করবেন কাজী রোকসানা রুমা, রেজা আরিফ, উম্মে ফারহানা, শামিম শওকত, জামিল আহমেদ, আজাদ আবুল কালাম। সন্ধ্যায় থাকছে থিয়েটার স্কুল, বটতলা অ্যাক্টরস স্টুডিও, আরণ্যক পাঠশালা, প্রাচ্যনাট স্কুলের পরিবেশনা।
২০০১ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকেই প্রশিক্ষণের মাধ্যমে নাট্যকর্মী, অভিনেতা, নির্মাতা ও সংস্কৃতিকর্মী গড়ে চলেছে প্রাচ্যনাট স্কুল অব অ্যাক্টিং অ্যান্ড ডিজাইন।
সময়ের আলো/আআ