একপ্রকার অন্ধকারেই ছিল জাতীয় পর্যায়ের খেলা খো খো। মাঠে তো খেলা ছিলই না, এমনকি ফেডারেশন কক্ষও দীর্ঘদিন ছিল তালাবদ্ধ। ধুলোবালির আস্তরণ জমে গিয়েছিল ফেডারেশনজুড়ে। অন্ধকার থেকে গ্রামীণ জীবনের জনপ্রিয় খেলা খো খোকে আলোর পথে নিয়ে এসেছে বর্তমান অ্যাডহক কমিটি। দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই শুরু করেছে জাতীয় চ্যাম্পিয়নশিপ। গতকাল জমকালো আয়োজনের মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছে প্রতিযোগিতা। আর এমন আয়োজনের পুরো কৃতিত্ব ফেডারেশন সাধারণ সম্পাদক রায়হান উদ্দিন ফকির এবং তার কমিটির।
সাউথ এশিয়ান (এসএ) গেমসে স্বর্ণপদক জয় এখনও অধরা বাংলাদেশের। এবার সেই স্বপ্ন বাস্তবে রূপ দিতে শুরু হয়েছে জাতীয় চ্যাম্পিয়নশিপের খেলা। বৃহস্পতিবার পল্টনের আউটার স্টেডিয়ামে শুরু হওয়া গ্লোবাল ইন্স্যুরেন্স জাতীয় খো খো চ্যাম্পিয়নশিপের খেলায় অংশ নিচ্ছে ৩৪টি জেলা ও দুটি বাহিনীর দল। যার মধ্যে ২১টি পুরুষ ও ১৫টি নারী দল রয়েছে। প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন যুব ও ক্রীড়া সচিব মো. মাহবুব উল আলম।
ফেডারেশনের সভাপতি এএইচএম জিয়াউল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক রায়হান উদ্দিন ফকির, সহ-সভাপতি ফজলুর রহমান বাবুল, টুর্নামেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান প্রকৌশলী আবদুল মোক্তাদির, পৃষ্ঠপোষক গ্লোবাল ইন্স্যুরেন্স লিমিটেডের পরিচালক মনিরুল ইসলাম।
তিন দিনব্যাপী এই খেলা থেকে সেরাদের খুঁজে বের করার পরিকল্পনা করেছে ফেডারেশন। যাদের নিয়ে গঠন করা হবে জাতীয় দল। দীর্ঘমেয়াদি অনুশীলন শেষে এই দলটিকে এসএ গেমসে স্বর্ণজয়ের জন্য যোগ্য করে তোলা হবে। তেমনটাই বললেন খো খো ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক রায়হান উদ্দিন ফকির। তার কথা, ‘আমরা এখান থেকে ছেলে ও মেয়েদের দুটি শক্তিশালী দল গঠন করব। মার্চে পাকিস্তানে এসএ গেমস। ওই গেমসে আমাদের স্বর্ণপদক জয়ের স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিতে পারব বলেই বিশ্বাস করি।’
সময়ের আলো/আআ