ঘোষণার রাজনীতি, বাস্তবতার হিসাব

রেজাউল করিম খোকন

মতামত

আওয়ামী লীগের সমর্থকরা শেখ হাসিনার আগের প্রত্যাবর্তনের নানা দৃষ্টান্ত বর্তমান সময়ের সঙ্গে মিলিয়ে দেখতে চাইছেন, কিন্তু দেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক

2026-08-02T05:20:21+00:00
2026-08-02T05:20:21+00:00
 
  রবিবার, ২ আগস্ট ২০২৬,
১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩
রবিবার, ২ আগস্ট ২০২৬
মতামত
ঘোষণার রাজনীতি, বাস্তবতার হিসাব
রেজাউল করিম খোকন
প্রকাশ: রোববার, ২ আগস্ট, ২০২৬, ৫:২০ এএম 
গ্রাফিক : সময়ের আলো
আওয়ামী লীগের সমর্থকরা শেখ হাসিনার আগের প্রত্যাবর্তনের নানা দৃষ্টান্ত বর্তমান সময়ের সঙ্গে মিলিয়ে দেখতে চাইছেন, কিন্তু দেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক বাস্তবতা এখন আর আগের মতো নেই। টানা ১৬ বছর আওয়ামী লীগের শাসনে নির্যাতিত মানুষ এত সহজে সেই অভিজ্ঞতা ভুলে যায়নি, ভবিষ্যতেও ভুলে যাবে- এমনটি মনে করার কারণ নেই।

চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বিজয়বার্ষিকী পেরিয়ে ৫ আগস্ট আসতে আর দুই দিন বাকি। আমরা এখনও ভুলতে পারিনি টানা ১৬ বছরের স্বৈরাচারী ও স্বেচ্ছাচারী দুঃশাসনের কথা। জুলাইয়ের সেই গণঅভ্যুত্থান এবং তার আগের দীর্ঘ শাসনামলে প্রাণ হারানো মানুষের স্বজনদের আর্তনাদ আজও ঘরে ঘরে প্রতিধ্বনিত হয়। এমন প্রেক্ষাপটে সেই সব হত্যাকাণ্ডের মূল হোতা হিসেবে অভিযুক্ত ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা আগামী ডিসেম্বরে দেশে ফিরে আদালতে আত্মসমর্পণের ঘোষণা দিয়েছেন। 

একই সঙ্গে নির্বাসনে থাকা দলের নেতাদেরও তার সঙ্গে দেশে ফেরার আহ্বান জানিয়েছেন। তবে এটি বাস্তব কোনো পরিকল্পনা, নাকি আওয়ামী লীগকে আবার রাজনৈতিকভাবে সক্রিয় করার কৌশল- তা নিয়ে দলটির ভেতরেই সংশয় রয়েছে।

ক্ষমতা ধরে রাখতে জনগণের ওপর সর্বশক্তি প্রয়োগের শেষ চেষ্টা চালিয়েই ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে সরে দেশ ছেড়ে ভারতে চলে যান শেখ হাসিনা। একদিকে তিনি হেলিকপ্টারে করে দেশ ত্যাগ করছিলেন, অন্যদিকে তার অনুগত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য এবং আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের সশস্ত্র কর্মীরা বিভিন্ন স্থানে শত শত মানুষকে হত্যা করে চলেছিল। অথচ এর কিছু দিন আগেই, ২০২৪ সালের ২৩ জুলাই, শেখ হাসিনা দৃঢ়তার সঙ্গে বলেছিলেন, ‘শেখ হাসিনা পালায় না।’

চব্বিশের ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থানের পর ৫ আগস্ট প্রবল জনরোষের মুখে শেখ হাসিনা দেশ ছাড়লে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার প্রায় দেড় বছর দেশ পরিচালনা করে। এ সময়ে শেখ হাসিনা, আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতাসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অনেক সদস্যের বিরুদ্ধে শত শত হত্যা মামলা হয়। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালেও শেখ হাসিনাসহ দলের একাধিক নেতার বিচার শুরু হয়। গত বছরের ১৭ নভেম্বর মানবতাবিরোধী অপরাধের এক মামলায় শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। এ ছাড়া তাদের বিরুদ্ধে আরও কয়েকটি মামলার বিচার চলমান।

মৃত্যুদণ্ডের রায়ের পর শেখ হাসিনাসহ দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর জন্য ভারত সরকারকে চিঠি দেয় অন্তর্বর্তী সরকার। ভারত বিষয়টি খতিয়ে দেখার কথা জানালেও প্রত্যর্পণের বিষয়ে এখন পর্যন্ত প্রকাশ্যে কোনো অগ্রগতি দেখা যায়নি। বর্তমান বিএনপি সরকারও শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে এনে আদালতের রায় কার্যকরের কথা বলেছে। দিল্লিতে শেখ হাসিনার অবস্থান এবং তাকে ফেরত চেয়ে বাংলাদেশের আনুষ্ঠানিক উদ্যোগ- সব মিলিয়ে বিষয়টি দুই দেশের সম্পর্কেও প্রভাব ফেলেছে।

জনগণের বিচারের কথা বললেও ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে সংঘটিত হত্যাকাণ্ড নিয়ে শেখ হাসিনা এখনও প্রকাশ্যে কোনো দুঃখ প্রকাশ করেননি। বরং তিনি ও তার দলের নেতারা আন্দোলনকে দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্র হিসেবে তুলে ধরছেন এবং গণঅভ্যুত্থানের নেতাদের বিরুদ্ধে আক্রমণাত্মক ভাষা ব্যবহার করে চলেছেন। ফলে দেশে ফেরার ঘোষণা রাজনৈতিক প্রত্যাবর্তনের ইঙ্গিত দিলেও এর সঙ্গে আত্মসমালোচনা বা অতীতের দায় স্বীকারের কোনো লক্ষণ এখনও দেখা যাচ্ছে না।

আওয়ামী লীগের পলাতক নেতাকর্মীরা অতীতের বিভিন্ন সময়ে তাদের নেত্রীর স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের উদাহরণ টেনে এবারও তার ফিরে আসা নিয়ে নানা পরিকল্পনার কথা বলছেন। আগামী ডিসেম্বরে তার সম্ভাব্য প্রত্যাবর্তন ঘিরে তাদের মধ্যে এক ধরনের উত্তেজনা ও উদ্দীপনা দেখা গেলেও এর বাস্তবতা কতটুকু, সেটিই এখন বিবেচনার বিষয়। বর্তমান পরিস্থিতি অতীতের তুলনায় সম্পূর্ণ ভিন্ন। 

আওয়ামী লীগের সমর্থকরা শেখ হাসিনার আগের প্রত্যাবর্তনের নানা দৃষ্টান্ত বর্তমান সময়ের সঙ্গে মিলিয়ে দেখতে চাইছেন, কিন্তু দেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক বাস্তবতা এখন আর আগের মতো নেই। টানা ১৬ বছর আওয়ামী লীগের শাসনে নির্যাতিত মানুষ এত সহজে সেই অভিজ্ঞতা ভুলে যায়নি, ভবিষ্যতেও ভুলে যাবে- এমনটি মনে করার কারণ নেই। গুম, খুন, নিপীড়ন ও নির্মমতার শিকার অসংখ্য পরিবারের ক্ষোভ এখনও প্রশমিত হয়নি। ফলে শেখ হাসিনা দেশে ফিরলে সাধারণ মানুষের প্রতিক্রিয়া কী হবে, তা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যায়।

নতুন প্রজন্মের একটি বড় অংশও শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগের প্রতি তীব্র বিরূপ মনোভাব পোষণ করে। তার প্রসঙ্গ উঠলেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে শুরু করে জনপরিসরে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। এমন বাস্তবতায় শেখ হাসিনা কী ভরসায় দেশে ফিরবেন, সেটিও একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। ভারতের সহায়তায় যদি তিনি বাংলাদেশে প্রবেশের চেষ্টা করেন, তা হলে সম্ভাব্য প্রতিক্রিয়া কীভাবে সামাল দেওয়া হবে সেটিও আলোচনার বিষয়। বর্তমান আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বাস্তবতায় এমন কোনো পদক্ষেপের রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক পরিণতিও বিবেচনায় রাখতে হবে। উপমহাদেশের বিদ্যমান স্থিতিশীলতা নষ্ট হওয়ার মতো পরিস্থিতি সৃষ্টি করার ঝুঁকি ভারত নেবে কি না, সে প্রশ্নও থেকেই যায়।

বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি কাকতালীয় বিষয় হলো, স্বাধীনতার পর যেসব বড় গণঅভ্যুত্থান ঘটেছে, সেগুলোর পরিণতিতে বিএনপি ক্ষমতায় এসেছে। ১৯৭৫ সালের সিপাহি-জনতার অভ্যুত্থানের পর ক্ষমতায় আসেন জিয়াউর রহমান। ১৯৯০ সালের গণঅভ্যুত্থানের পর ক্ষমতায় আসেন খালেদা জিয়া। ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের পর ক্ষমতায় এসেছেন তারেক রহমান। 

লেখকের মতে, এর অর্থ হচ্ছে জনগণ বারবার রাষ্ট্রের ইতিবাচক রূপান্তরের দায়িত্ব বিএনপির ওপর অর্পণ করেছে। এই দায়িত্বের তাৎপর্য যদি দলটি অনুধাবন করতে ব্যর্থ হয়, তবে জাতির সামনে নতুন সংকট তৈরি হতে পারে। তাই বিএনপি রাষ্ট্রের ইতিবাচক রূপান্তরের লক্ষ্যে সর্বোচ্চ মনোযোগ দেবে এমন প্রত্যাশাই করা হচ্ছে। একই সঙ্গে শেখ হাসিনার দেশে প্রত্যাবর্তনের প্রশ্নে সরকার কঠোর অবস্থান নেবে ।

ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস. জয়শঙ্কর স্পষ্টভাবে বলেছেন, বাংলাদেশের কোনো সরকারি কর্তৃপক্ষক্ষ বা রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ভারত সরকারকে শেখ হাসিনাকে আশ্রয় দেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়নি। বরং শেখ হাসিনা নিজেই ফোন করে ভারতের কাছে আশ্রয় চেয়েছিলেন। জয়শঙ্করের এই বক্তব্যই এ বিষয়ে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দালিলিক তথ্য।

শেখ হাসিনাকে ঢাকায় ফিরিয়ে এনে আদালতের রায় কার্যকর করার দাবি, হুমকি ও নানা রাজনৈতিক বক্তব্য অব্যাহত
থাকলেও বাস্তবে তা কীভাবে সম্ভব হবে, সেটি এখনও স্পষ্ট নয়। তিনি বর্তমানে ভারতে অবস্থান করছেন। ধারণা করা হয়, নয়াদিল্লিতে কঠোর নিরাপত্তা ও গোপনীয়তার মধ্যেই তার অবস্থান। এ পর্যায়ে কয়েকটি প্রশ্ন স্বাভাবিকভাবেই সামনে আসে যে, তিনি কি নির্বাসনে আছেন? তাকে কি জোর করে দেশ ছাড়তে হয়েছিল, নাকি তিনি স্বেচ্ছায় গিয়েছেন?

এ নিয়ে বিতর্ক নতুন নয়। ১৯৭৫ সালের আগস্টের ঘটনাপ্রবাহ ও একদলীয় বাকশাল সরকারের পতনের পরও শেখ হাসিনা ভারতে চলে গিয়েছিলেন এবং সেখানে প্রায় ছয় বছর অবস্থান করেছিলেন। পরে তিনি একাধিকবার দাবি করেছেন, সে সময় তাকে দেশে ফিরতে দেওয়া হয়নি। তার দলের নেতারাও দীর্ঘদিন ধরে এ বক্তব্য বিশ্বাস করে আসছেন। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট দ্বিতীয়বারের মতো তার দেশত্যাগের ঘটনাও নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। 

তিনি আদৌ পদত্যাগ করেছিলেন কি না, তাকে জোর করে ভারতে পাঠানো হয়েছিল কি না, নাকি তিনি স্বেচ্ছায় গিয়েছিলেন এসব প্রশ্নের সুস্পষ্ট উত্তর এখনও সামনে আসেনি। একই সঙ্গে তার বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালসহ বিভিন্ন আদালতে মানবতাবিরোধী অপরাধ, আর্থিক অনিয়ম ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগে মামলা চলমান। একটি মামলায় তার মৃত্যুদণ্ড হয়েছে। তবে সেই বিচারপ্রক্রিয়া নিয়ে বিভিন্ন মহলে প্রশ্নও উঠেছে যে, রায়টি কেবল শাস্তি নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে দেওয়া হয়েছে, নাকি তাকে আপাতত দেশে ফেরা থেকে বিরত রাখার কৌশল হিসেবেও ব্যবহৃত হয়েছে।

দেশ টানা ১৬ বছর ধরে ধ্বংসযজ্ঞের শিকার হয়েছে। এখন প্রত্যাশা, শেখ হাসিনা দেশে ফিরবেন আদালতের দেওয়া রায় কার্যকরের জন্য। বাংলাদেশে তার বিরুদ্ধে বিচারিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। এখন সরকারের দায়িত্ব যথাযথ কূটনৈতিক ও আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করে তাকে দেশে ফিরিয়ে এনে আদালতের রায় কার্যকর করার উদ্যোগ নেওয়া। 

তিনি কীভাবে দেশে ফিরবেন, কাদের সঙ্গে ফিরবেন কিংবা আত্মসমর্পণ করবেন কি না- এসব নির্ধারণের দায়িত্বও সরকারের। এ বিষয়ে দিল্লির সঙ্গে আনুষ্ঠানিকভাবে আলোচনা করবে বাংলাদেশ সরকার। এখানে অন্য কোনো পক্ষের ভূমিকা নেই। ফলে সরকারই সিদ্ধান্ত নেবে, তাকে কখন, কীভাবে দেশে আনা হবে এবং কীভাবে আদালতের রায় কার্যকর করা হবে। প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি নিয়েই এ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে। একই সঙ্গে আওয়ামী লীগকে দলগতভাবে বিচারের আওতায় আনার বিষয়টিও সরকার বিবেচনা করছে।

শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে আদালতের রায় ইতিমধ্যে হয়েছে; এখন সেটি কার্যকর করাই পরবর্তী ধাপ। তিনি দেশে ফিরলেও সেই প্রত্যাবর্তন হবে আদালতের রায় বাস্তবায়নের উদ্দেশ্যে- এমনটাই প্রত্যাশিত। শেখ হাসিনার সিদ্ধান্তকে ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত হিসেবে দেখা যায় না। দিল্লি থেকে যতটুকু অনুমোদন দেওয়া হয়, তিনি সে অনুযায়ীই অবস্থান প্রকাশ করেন। ফলে তিনি আদৌ দেশে ফিরবেন কি না, কীভাবে ফিরবেন এবং বিচার কার্যকর হবে কি না এসব শেষ পর্যন্ত ঢাকা ও দিল্লির মধ্যকার কূটনৈতিক ও রাজনৈতিক বোঝাপড়ার ওপরই নির্ভর করবে।

শেখ হাসিনা বা আওয়ামী লীগ এখন আর কার্যকর রাজনৈতিক শক্তি নয়। জুলাই গণঅভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারীরা সম্ভাব্য যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য প্রস্তুত রয়েছেন। তাদের দাবি, দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও অর্থনৈতিক স্বার্থ রক্ষায় তারা সবসময় সক্রিয় থাকবেন। শেখ হাসিনা বা আওয়ামী লীগকে কেন্দ্র করে যদি রাজনৈতিক অস্থিরতা তৈরির কোনো চেষ্টা হয় এবং সরকার যদি সেটিকে প্রশ্রয় দেয়, তা হলে সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক ক্ষতির মুখে পড়তে হবে সরকারকেই। 

বাংলাদেশের সাধারণ জনগণ, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারী বিভিন্ন পক্ষ, আহত ব্যক্তি এবং শহিদ পরিবারের সদস্যরা এ বিষয়ে সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন।

লেখক : সাবেক ব্যাংকার
মতামত লেখকের নিজস্ব

সময়ের আলো/এসএকে


  বিষয়:   ঘোষণা  রাজনীতি  বাস্তবতা  হিসাব  সময়ের আলো 


Loading...
Loading...
মতামত- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: