বলিউডের ‘ভাইজানখ্যাত’ সালমান খান, রুপালি পর্দায় যার অনবদ্য উপস্থিতি কোটি কোটি ভক্তকে মোহিত করে, তাকেই ক্যারিয়ারের এক সময়ে যেতে হয়েছিল চার দেয়ালের অন্ধকার প্রকোষ্ঠে। কেমন ছিল তার সেই কারাজীবন?
বছরের পর বছর পার হয়ে গেলেও জেলের ভেতরের সেই অভিজ্ঞতা যে কতটা বিভীষিকাময় ছিল, সম্প্রতি এক রিয়েলিটি শো-এর মঞ্চে এসে তারই এক রোমহর্ষক ও অজানা গল্প শোনালেন এই সুপারস্টার।
বাস্তবভিত্তিক প্রতিযোগিতা ‘অ্যালায়েন্স’-এ প্রতিযোগী হিসেবে অংশ নিয়েছেন সালমানের ছোট ভাই সোহেল খান। কঠিন এক সপ্তাহের মুখোমুখি হওয়া ছোট ভাইয়ের পাশে দাঁড়াতেই শোতে অতিথি হয়ে এসেছিলেন সালমান। সেখানে কথা প্রসঙ্গে উঠে আসে তার অতীত কারাবাসের স্মৃতি। সালমান বলেন, অনেক বছর আগে যখন জেলে গিয়েছিলাম, তখন আমাদের সামনে ছিল লোহার গরাদ।
তার কথায়, অতটুকু ছোট্ট একটা জায়গায় প্রায় ৫০ থেকে ৭০ জন মানুষ গাদাগাদি করে থাকতাম। পুরো ঘরে ছিল একটাই মাত্র ইন্ডিয়ান স্টাইলের টয়লেট। মাঝেমধ্যেই টিকটিকি ঘুরে বেড়াত, আর টয়লেটের অবস্থা এতটাই খারাপ ছিল যে, ওপর পর্যন্ত ময়লা জমে ভর্তি হয়ে থাকত।
এর আগে, জেলের অভিজ্ঞতা নিয়ে ২০০৮ সালেও এক সাক্ষাৎকারে কথা বলেছিলেন এই অভিনেতা। সে সময় তিনি জানিয়েছিলেন, আমি একদম স্বাভাবিক ছিলাম। আমার একমাত্র চিন্তা বা দুশ্চিন্তার বিষয় ছিল জেলের বাথরুম। আমাকে চারবার ভেতরে ঢুকতে আর বের হতে হয়েছে। কেউ যদি আপনাকে জোর করে ভেতরে ঢুকাতে চায়, তবে চুপচাপ চলে যাওয়াই ভালো। কিন্তু যখন আপনি জানবেন যে আপনি কোনো অপরাধ করেননি, তখন মাথা উঁচু করেই ভেতরে যাবেন।
উল্লেখ্য, ১৯৯৮ সালের বহুল আলোচিত কৃষ্ণসার হরিণ ও চিঙ্করা শিকার মামলায় সালমান খানকে চার দফায় প্রায় ১৮ দিন কারাগারে থাকতে হয়েছিল।
সময়ের আলো/ইউএমএইচ