আসন্ন এশিয়ান গেমস সামনে রেখে বাংলাদেশ জাতীয় হকি দলের প্রস্তুতিতে নতুন ধাপে প্রবেশ করেছে বাংলাদেশ হকি ফেডারেশন। প্রথম পর্বের ক্যাম্প শেষে পারফরম্যান্স ও ফিটনেস মূল্যায়নের ভিত্তিতে ২৪ সদস্যের প্রাথমিক দল ঘোষণা করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) মওলানা ভাসানী জাতীয় হকি স্টেডিয়ামে এই ২৪ খেলোয়াড়কে নিয়ে শুরু হয়েছে দ্বিতীয় পর্বের নিবিড় অনুশীলন।
জার্মান প্রধান কোচ পিটার গেরহার্ডের অধীনে অনুষ্ঠিত এদিনের অনুশীলনে খেলোয়াড়দের টেকনিক্যাল ও ট্যাকটিক্যাল দক্ষতা উন্নয়নের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়। পাশাপাশি দলগত সমন্বয়, ম্যাচ পরিস্থিতিতে দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ের প্রতিযোগিতার উপযোগী করে গড়ে তোলার লক্ষ্যে বিভিন্ন অনুশীলন করানো হয়।
বাংলাদেশ হকি ফেডারেশন জানিয়েছে, প্রথম পর্বে অংশ নেওয়া ৩৮ জন খেলোয়াড়ের পারফরম্যান্স, ফিটনেস এবং কোচিং স্টাফের পর্যবেক্ষণের ভিত্তিতে এই ২৪ জনকে দ্বিতীয় ধাপের ক্যাম্পের জন্য নির্বাচিত করা হয়েছে। দ্বিতীয় পর্বের অনুশীলন ও ট্রায়ালের পর আরও মূল্যায়ন করে এশিয়ান গেমসের জন্য চূড়ান্ত স্কোয়াড ঘোষণা করা হবে।
নতুন প্রধান কোচ পিটার গেরহার্ড দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই জাতীয় দলের প্রস্তুতিতে এসেছে নতুন মাত্রা। ইউরোপীয় ধাঁচের আধুনিক হকিতে দলকে অভ্যস্ত করে তুলতে ফিটনেস, গতি, কৌশলগত শৃঙ্খলা এবং বল নিয়ন্ত্রণের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছেন তিনি। ইতিমধ্যে অনুশীলন ম্যাচের মাধ্যমে খেলোয়াড়দের পারফরম্যান্সও নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে।
বাংলাদেশ হকি ফেডারেশনের সার্বিক তত্ত্বাবধানে পরিচালিত এই কন্ডিশনিং ক্যাম্প ও বিশেষ ট্রায়ালের মূল লক্ষ্য হলো এশিয়ান গেমসের জন্য সবচেয়ে প্রতিযোগিতামূলক দল গড়ে তোলা।
কোচিং স্টাফের মতে, দ্বিতীয় পর্বের এই অনুশীলনই হবে চূড়ান্ত দল নির্বাচনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। এখানকার পারফরম্যান্সের ওপর ভিত্তি করেই মহাদেশীয় আসরে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্বকারী চূড়ান্ত স্কোয়াড নির্ধারণ করা হবে।
দ্বিতীয় পর্বের ক্যাম্পে সুযোগ পাওয়া খেলোয়াড়রা হলেন : বিপ্লব কুজুর, আশরাফুল সাদ, আশরাফুল ইসলাম, আল নাহিয়ান, হোজাইফা হোসেন, আমিরুল, রেজাউল করিম, মেহরাব সামিন, রোমান, ফজলে রাব্বী, আবেদ, শাহিদুর রহমান, ওবায়দুল হোসেন, দ্বীন ইসলাম, খালেদ মাহমুদ, পুষ্কর খীসা, আমান শরিফ, সোহানুর রহমান, ফরহাদ আহমেদ শিতুল, নুরুজ্জামান নয়ন, মাহবুব হোসেন, মাইনুল ইসলাম, রাসেল মাহমুদ জিমি এবং রাকিবুল।
সময়ের আলো/প্রিন্ট/জেডি