মালয়েশিয়ার বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে ব্যাটারদের ব্যর্থতা ছিল চোখে পড়ার মতো। দ্বিতীয় ম্যাচেও শুরুটা খুব একটা স্বস্তির ছিল না। তবে এবার সব হিসাব পাল্টে দিলেন জিসান আলম। মাত্র ২১ বলে ৫৭ রানের বিধ্বংসী ইনিংসে মালয়েশিয়ার ১০৫ রানের লক্ষ্যকে পরিণত করলেন মামুলি সংগ্রহে। তার ঝড়ো ব্যাটিংয়ে মাত্র ৭৪ বল হাতে রেখেই ৭ উইকেটের জয় তুলে নিয়েছে বাংলাদেশ হাই পারফরম্যান্স (এইচপি) দল। ফলে দুই ম্যাচের সিরিজে মালয়েশিয়াকে ২-০ ব্যবধানে হোয়াইটওয়াশ করল স্বাগতিকরা।
সফরকারীদের দেওয়া ১০৬ রানের লক্ষ্য তাড়ায় শুরু থেকেই আগ্রাসী ছিলেন দুই ওপেনার জিসান আলম ও জাওয়াদ আবরার। ইনিংসের প্রথম বলেই ছক্কা হাঁকিয়ে নিজের অভিপ্রায় পরিষ্কার করে দেন জিসান। আবরারও যোগ দেন সেই আক্রমণে। তবে দ্বিতীয় ওভারেই ভাঙে উদ্বোধনী জুটি। ২ চার ও ২ ছক্কায় মাত্র ৮ বলে ২৩ রান করে আরিফউল্লাহর বলে ফেরেন আবরার। একই ওভারে ৩ বলে ৪ রান করা আরিফুল ইসলামকেও বোল্ড করেন মালয়েশিয়ার এই পেসার।
দুই উইকেট দ্রুত হারালেও থামেনি জিসানের তাণ্ডব। চার নম্বরে নামা সাব্বির রহমানকে নিয়ে পাল্টা আক্রমণ চালিয়ে যান তিনি। দুজনের ৫০ রানের জুটিতেই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয় বাংলাদেশ। তবে ৮ বলে ১২ রান করে প্রশান্ত মাধুকারের বলে বাউন্ডারি সীমানায় ক্যাচ দিয়ে ফেরেন সাব্বির।
এরপর শামীম পাটোয়ারীকে সঙ্গে নিয়ে জয় নিশ্চিত করেন জিসান। মাত্র ১৮ বলেই ফিফটি পূর্ণ করেন তিনি। শেষ পর্যন্ত ৭ ছক্কা ও ২ চারে ২১ বলে ৫৭ রানে অপরাজিত থাকেন এই ওপেনার। শামীম অপরাজিত থাকেন ৬ বলে ৮ রানে। মালয়েশিয়ার হয়ে আরিফউল্লাহ নেন ২টি এবং প্রশান্ত মাধুকার ১টি উইকেট।
এর আগে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই বিপদে পড়ে মালয়েশিয়া। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ৪ উইকেটে ১০৫ রানেই থামে মালয়েশিয়ার ইনিংস। বাংলাদেশের হয়ে রনি নেন ২ উইকেট, রুবেল ও রাকিবুলের শিকার ১টি করে। এরপর জিসানের ঝড়েই সহজ জয় পায় বাংলাদেশ এইচপি।
সময়ের আলো/প্রিন্ট/টিকে