চাইল্ডকেয়ার খাতে উদ্যোক্তা তৈরির নতুন সম্ভাবনা

গোলাম জিলানী

মতামত

আনুষ্ঠানিক বা অনানুষ্ঠানিকভাবে চাইল্ডকেয়ারে বিনিয়োগের বিষয়টি ব্যয় হিসেবে নয় বরং ভবিষ্যৎ মানবসম্পদে বিনিয়োগ হিসেবে দেখা উচিত। মানসম্মত চাইল্ডকেয়ার ব্যবস্থা নারীদের

2026-08-16T05:25:20+00:00
2026-08-16T05:25:20+00:00
 
  রবিবার, ১৬ আগস্ট ২০২৬,
১ ভাদ্র ১৪৩৩
রবিবার, ১৬ আগস্ট ২০২৬
মতামত
চাইল্ডকেয়ার খাতে উদ্যোক্তা তৈরির নতুন সম্ভাবনা
গোলাম জিলানী
প্রকাশ: রোববার, ১৬ আগস্ট, ২০২৬, ৫:২৫ এএম 
গ্রাফিক : সময়ের আলো
আনুষ্ঠানিক বা অনানুষ্ঠানিকভাবে চাইল্ডকেয়ারে বিনিয়োগের বিষয়টি ব্যয় হিসেবে নয় বরং ভবিষ্যৎ মানবসম্পদে বিনিয়োগ হিসেবে দেখা উচিত। মানসম্মত চাইল্ডকেয়ার ব্যবস্থা নারীদের কর্মসংস্থান বাড়ায়, শিশুর প্রারম্ভিক বিকাশ নিশ্চিত করে, পারিবারিক আয় বৃদ্ধি করে এবং দীর্ঘমেয়াদে তা দেশের উৎপাদনশীলতা বাড়ায়। কাজেই এটি একই সঙ্গে সামাজিক সুরক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন, নারী উদ্যোক্তা সৃষ্টি এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির একটি কার্যকর পদ্ধতি হিসেবে বিবেচনা করা যায়।

প্রতিদিন ভোরে সাভারে বসবাসকারী পোশাক কারখানার কর্মী রাইমা  এক কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি হন। সকাল আটটায় তার কর্মস্থলে উপস্থিত হতে হয়, কিন্তু দুই বছরের ছোট্ট মেয়েটিকে নিরাপদে রেখে যাওয়ার মতো কোনো নির্ভরযোগ্য জায়গা নেই। বৃদ্ধ মা থাকেন গ্রামের বাড়িতে, স্বামী রিকশা চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করেন, আর কাছাকাছি যে ডে-কেয়ার কেন্দ্রটি রয়েছে, সেটি যেমন অনেক দূরে, তেমনি তার খরচও তাদের সামর্থ্যরে বাইরে। 

কোনো কোনো দিন বাধ্য হয়ে তিনি প্রতিবেশীর কাছে সন্তানকে রেখে যান, সারাদিন উদ্বেগে থাকেন সন্তানের নিরাপত্তা নিয়ে। আবার কোনো দিন সন্তানের দেখাশোনার জন্য কাজে যেতে পারেন না, ফলে হারাতে হয় দিনের উপার্জন। এক সময় কর্মজীবন ও মাতৃত্বের এই দ্বৈত দায়িত্ব সামাল দিতে না পেরে রাইমা চাকরিটিই ছেড়ে দিতে বাধ্য হন।

রাইমার গল্প কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয় : এটি বাংলাদেশের হাজারো কর্মজীবী মায়ের প্রতিদিনের বাস্তবতা। নির্ভরযোগ্য ও মানসম্মত শিশু পরিচর্যা সেবার অভাবে যখন একজন নারী কর্মক্ষেত্র ছেড়ে দেন, তখন শুধু একটি পরিবারই আয়ের উৎস হারায় না; একজন নিয়োগকর্তা হারান দক্ষ কর্মী, আর দেশ হারায় মূল্যবান মানবসম্পদ। তাই সাশ্রয়ী ও মানসম্মত চাইল্ডকেয়ারের সম্প্রসারণ কেবল একটি সামাজিক কল্যাণমূলক উদ্যোগ নয়; এটি বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতি, নারীর কর্মসংস্থান এবং ভবিষ্যৎ মানবসম্পদ উন্নয়নে একটি অপরিহার্য বিনিয়োগ।

বাংলাদেশ বিগত কয়েক দশকে দারিদ্র্য হ্রাস, নারীর ক্ষমতায়ন এবং মানবসম্পদ উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি ও সফলতা অর্জন করেছে। বিশেষ করে স্বল্প আয়ের পরিবারের সদস্যদের ক্ষুদ্রঋণ প্রদান, নারী উদ্যোক্তা সৃষ্টি এবং নারীদের কর্মে নিযুক্ত হওয়ার হার দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং ফলশ্রুতিতে লাখ লাখ মানুষের জীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন এসেছে। 

সরকারি ও বেসরকারি নানা উদ্যোগ সত্ত্বেও নারীদের কর্মে নিযুক্ত হওয়ার হার পুরুষের তুলনায় অনেক কম। এর প্রধান কারণগুলো হলো : নিরাপদ, মানসম্মত চাইল্ডকেয়ার বা সাশ্রয়ী শিশু পরিচর্যা সেবার সীমিত প্রাপ্যতা। ফলে অসংখ্য নারী সন্তান জন্মের পর কর্মসংস্থান ছেড়ে দিতে বাধ্য হন

অথবা পূর্ণ সক্ষমতা নিয়ে শ্রমবাজারে অংশগ্রহণ করতে পারেন না। আজকাল এটি শুধু একটি পারিবারিক সমস্যাই নয় বরং জাতীয় উৎপাদনশীলতা, নারীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন এবং ভবিষ্যৎ মানবসম্পদ উন্নয়নেরও প্রধান অন্তরায় হিসেবে নীতিনির্ধারকদের বিবেচনা করা উচিত। সাম্প্রতিক এক গবেষণায় দেখা গেছে, চুয়ান্ন শতাংশ কর্মজীবী অভিভাবক মনে করেন, মানসম্মত ও সাশ্রয়ী চাইল্ডকেয়ারের অভাবে নারীদের কর্মক্ষেত্রে অংশগ্রহণে বড় বাধা এবং আঠারো শতাংশ অভিভাবক জীবনের কোনো না কোনো পর্যায়ে শিশু পরিচর্যার কারণে চাকরি বা অন্য কোনো কাজ ছেড়েছেন। 

এতেই বোঝা যায় চাইল্ডকেয়ারের গুরুত্ব আমাদের দেশে অত্যধিক প্রয়োজন। সাম্প্র্রতিক বছরগুলোতে বিশ্বব্যাপী চাইল্ডকেয়ারকে একটি ইকোনমিক ইনফ্রাস্ট্রাকচার বা অর্থনৈতিক অবকাঠামো হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। 

রাস্তা-ঘাট, বিদ্যুৎ বা ডিজিটাল অবকাঠামোর মতো মানসম্মত চাইল্ডকেয়ারও অর্থনীতিকে সচল রাখতে সহায়ক ভূমিকা পালন করে, কারণ এটি কর্মজীবী মা-বাবাকে নিশ্চিন্তে কাজ করার সুযোগ দেয়, শিশুদের প্রারম্ভিক বিকাশ নিশ্চিত করে এবং শ্রমবাজারে নারী-পুরুষের অংশগ্রহণে সাম্যাবস্থা বজায় রাখে। যেসব দেশের শ্রম বাজারে নারী-পুরুষের সমান অংশগ্রহণ থাকে, সেখানে মানুষ দ্রুতগতিতে মানব পুঁজিতে রূপান্তরিত হয় এবং দেশ সার্বিকভাবে এগিয়ে যায়।

বিশ্বের অনেক অনুন্নত ও উন্নয়নশীল দেশের মতো চাইল্ডকেয়ার বা শিশু পরিচর্যার দায়িত্ব আমাদের দেশে এখনও নিজের পরিবারকেই পালন করতে হয়। সুনির্দিষ্টভাবে বললে, নারীরাই মূলত এ দায়িত্ব পালন করেন, ফলে আনুষ্ঠানিক কর্মক্ষেত্রে নারীদের অংশগ্রহণ পুরুষের তুলনায় অনেক কম। সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিক ডে-কেয়ার সেন্টারের সংখ্যাও অপ্রতুল এবং বিশাল জনসংখ্যার এ দেশে তা একশরও কম। 

আনুষ্ঠানিক ডে-কেয়ার সেন্টার ছাড়াও বর্তমানে বিভিন্ন দেশে লাভজনকভাবে হোম-বেইজড বা বাড়িভিত্তিক শিশু পরিচর্যা সেবা প্রদানের প্রচলন রয়েছে। যেমন : অস্ট্রেলিয়ার ফ্যামিলি ডে-কেয়ার, যুক্তরাজ্যের রেজিস্টার্ড চাইল্ডমাইন্ডার, কানাডার লাইসেন্সড হোমকেয়ার এবং দক্ষিণ আফ্রিকার কমিউনিটিভিত্তিক চাইল্ডকেয়ার ইত্যাদি। এ ছাড়া, বাংলাদেশের অর্থনীতির সঙ্গে মিল রয়েছে এমন দুটি দেশ রুয়ান্ডা ও কেনিয়া। ওই দেশ দুটিতে পরিচালিত বাড়িভিত্তিক চাইল্ডকেয়ার কার্যক্রমটিও আমাদের দেশে বাস্তবায়ন করা অধিকতর সহজ ও ব্যয় সাশ্রয়ী হবে। 

আমাদের দেশে খুবই স্বল্পপরিসরে ব্যক্তিগত ও অনানুষ্ঠানিকভাবে শহর ও শহরতলিতে, গার্মেন্টস কারখানার আশপাশে কতিপয় হোম-বেইজড চাইল্ডকেয়ার বা বাড়িভিত্তিক শিশু পরিচর্যা সেবা চালু হয়েছে। অন্যান্য দেশের মতো আমাদের দেশেও প্রশিক্ষিত স্থানীয় নারী উদ্যোক্তাদের মাধ্যমে বাড়িভিত্তিক শিশু পরিচর্যা সেবা চালু করা এখন সময়ের দাবি। এটিকে একটি নিরাপদ, সাশ্রয়ী এবং টেকসই শিশু পরিচর্যা ব্যবস্থা হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব। 

এর জন্য প্রয়োজন উপযুক্ত পৃষ্ঠপোষকতা, মান নির্ধারণ ও তদারকি ব্যবস্থা চালু ইত্যাদি। পরিকল্পিতভাবে এ সেবা চালু করা গেলে স্বল্প বিনিয়োগে বাড়িভিত্তিক শিশু পরিচর্যার মাধ্যমে সারা দেশে হাজার হাজার বেকার নারীকে উদ্যোক্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হবে, ফলে সামাজিক সেবা ও কর্মসংস্থান একইসঙ্গে সৃষ্টি হবে । 

এখন প্রশ্ন হলো, কারা এই উদ্যোগকে বৃহৎ পরিসরে বাস্তবায়ন করবে? আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি এটি বেসরকারিভাবে ও ব্যক্তিগত পর্যায়ে চালু করার সুযোগ রয়েছে। শুধু সাহায্যনির্ভর পদ্ধতিতে তা ব্যাপক পরিসরে চালু করা সম্ভব নয়। প্রতি উপজেলায় ৫০ জন করে বাড়িভিত্তিক শিশু পরিচর্যা উদ্যোক্তা তৈরি করা গেলে সারা দেশে কমপক্ষে বিশ-পঁচিশ হাজার উদ্যোক্তা তৈরি করা সম্ভব হবে। 

শুধু তাই না, এর ফলে লক্ষাধিক শিশুর মা-বাবা পূর্ণকালীন কর্মসংস্থানে যুক্ত হতে পারবেন এবং পরিবার ও রাষ্ট্র আর্থিকভাবে লাভবান হবে বলে আশা করা যায়। এনজিওগুলো যেহেতু দেশের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর কাছে ক্ষুদ্রঋণ, দক্ষতা উন্নয়ন ও উদ্যোক্তা তৈরি, স্বাস্থ্য ও পুষ্টিবিষয়ক সেবা প্রদান এবং আইজিএভিত্তিক কার্যক্রম পৌঁছে দিয়েছে এবং বর্তমানেও দিচ্ছে, তাদের দেশব্যাপী নেটওয়ার্কের মাধ্যমে, অনুরূপভাবে এসব বেসরকারি সংস্থা জাতীয় পর্যায়েও বাড়িভিত্তিক শিশু পরিচর্যা কার্যক্রম বাস্তবায়ন করার সক্ষমতা রাখে।  

এ কার্যক্রমের আওতায় সম্ভাবনাময় নারীদের শনাক্ত করে প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জনে সহায়তা করার প্রয়োজন হবে। তাদের প্রাথমিকভাবে আর্লি চাইল্ডহুড কেয়ার অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (ইসিসিডি), শিশু সুরক্ষা, প্রাথমিক চিকিৎসা, পুষ্টি এবং ব্যবসা ব্যবস্থাপনা বিষয়ে প্রশিক্ষণ প্রদান করার প্রয়োজন হবে। নির্ধারিত দক্ষতা মান অনুযায়ী সনদ প্রদান শেষে ক্ষুদ্রঋণ প্রদানকারী সংস্থার মাধ্যমে সহজশর্তে ঋণ ও ব্যবসায়িক সহায়তা প্রদান করা যেতে পারে। উদ্যোক্তারা নিজ নিজ বাড়ি বা কমিউনিটিতে নিবন্ধিত হোম-বেইজড চাইল্ডকেয়ার সেন্টার পরিচালনা করবেন এবং নিয়মিত মাননিয়ন্ত্রণ, মনিটরিং ও মেন্টরিংয়ের আওতায় থাকবেন, ফলে গুণগত মান বজায় থাকবে।

বাড়িভিত্তিক শিশু পরিচর্যা সেবা কার্যক্রম সফল করতে হলে কয়েকটি নীতিগত পদক্ষেপ গ্রহণ করা প্রয়োজন হবে।

প্রথমত বাড়িভিত্তিক শিশু পরিচর্যা সেবার জন্য একটি জাতীয় নীতিমালা এবং এর আলোকে লাইসেন্সিং ব্যবস্থা প্রণয়ন করা। 

দ্বিতীয়ত সরকারি কোনো কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে বাড়িভিত্তিক শিশু পরিচর্যাকারীদের জাতীয় দক্ষতামান ও সনদ চালু করা, প্রাথমিকভাবে যারা শুরু করবে তাদের জন্য এ শর্ত শিথিল রাখা যেতে পারে। 

তৃতীয়ত নিম্ন আয়ের পরিবারের জন্য লক্ষ্যভিত্তিক চাইল্ডকেয়ার ভাউচার বা ভাতা চালু করা যেতে পারে, যাতে পিতা-মাতার অর্থনৈতিক অবস্থার কারণে কোনো শিশু মানসম্মত পরিচর্যা থেকে বঞ্চিত না হয়। 

চতুর্থত যেসব নারী উদ্যোক্তা হতে আগ্রহী তাদের প্রশিক্ষণ ও সহজশর্তে ঋণ প্রদান করা। পঞ্চমত সরকারি ও বেসরকারি খাতের মধ্যে কার্যকর সমন্বয় গড়ে তুলতে হবে, যাতে অপচয় ও একই কাজের পুনরাবৃত্তি একই এলাকায় না হয়।

আনুষ্ঠানিক বা অনানুষ্ঠানিকভাবে চাইল্ডকেয়ারে বিনিয়োগের বিষয়টি ব্যয় হিসেবে নয় বরং ভবিষ্যৎ মানবসম্পদে বিনিয়োগ হিসেবে দেখা উচিত। মানসম্মত চাইল্ডকেয়ার ব্যবস্থা নারীদের কর্মসংস্থান বাড়ায়, শিশুর প্রারম্ভিক বিকাশ নিশ্চিত করে, পারিবারিক আয় বৃদ্ধি করে এবং দীর্ঘমেয়াদে তা দেশের উৎপাদনশীলতা বাড়ায়। 

কাজেই এটি একই সঙ্গে সামাজিক সুরক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন, নারী উদ্যোক্তা সৃষ্টি এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির একটি কার্যকর পদ্ধতি হিসেবে বিবেচনা করা যায়। তাই চাইল্ডকেয়ারে বিনিয়োগ মানেই বাংলাদেশের ভবিষ্যতে বিনিয়োগ এ কথা নিশ্চিত করেই বলা যায়। 

বাংলাদেশ এখন অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনীতির পথে অনেক এগিয়েছে। এ সময়ে চাইল্ডকেয়ারকে শুধু একটি কল্যাণমূলক সেবা হিসেবে নয় বরং একটি সামাজিক ব্যবসা, দক্ষতা উন্নয়ন কর্মসূচি, নারীকে চাকরিতে নিযুক্ত হওয়ার উপায় এবং নারী উদ্যোক্তা সৃষ্টির জাতীয় আন্দোলন হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার সুযোগ এসেছে। সরকারের নীতিগত সহায়তা, এনজিওগুলোর বিস্তৃত মাঠপর্যায়ের নেটওয়ার্ক ও অভিজ্ঞতা একত্রিত করা গেলে বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ায় বাড়িভিত্তিক চাইল্ডকেয়ারের একটি অনুসরণযোগ্য মডেল তৈরি করতে সক্ষম হবে। এ বিষয়ে নীতিনির্ধারকদের ভেবে দেখা উচিত। 

লেখক : সমাজকর্মী ও উন্নয়ন বিশ্লেষক 
সিনিয়র উপ-প্রকল্প সমন্বয়কারী, পিকেএসএফ
মতামত লেখকের নিজস্ব


  বিষয়:   চাইল্ডকেয়ার  উদ্যোক্তা  সময়ের আলো 


Loading...
Loading...
মতামত- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: