এশিয়ান গেমস সামনে রেখে পূর্ণোদ্যমে প্রস্তুতি নিচ্ছে বাংলাদেশ জাতীয় হকি দল। ঘরের মাঠে টানা দুই মাসেরও বেশি সময় ধরে অনুশীলন-প্রস্তুতি ক্যাম্প চলছে। উন্নতর প্রশিক্ষণার্থে জার্মানিতে উড়াল দেওয়ার কথা ছিল জিমি, শিতুল, মিমোদের। তবে ভিসা জটিলতার কারণে এই ট্যুর নিয়ে সৃষ্ট হয়েছে জটিলতা।
যদিও এ বিষয়ে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে সরকারের পররাষ্ট্র এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়। আজ এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসতে পারে যে, দল জার্মানিতে শেষ অবধি যাচ্ছে কি না। গতকাল সময়ের আলোকে এমনটাই জানিয়েছেন হকি ফেডারেশনের যুগ্ম-সম্পাদক আরিফুল হক প্রিন্স।
জার্মানির প্রস্তুতি ক্যাম্প নিয়ে অনেক দিন ধরেই আলোচনা হকিতে। বিশেষ করে জার্মান কোচ পিটার গেরহার্ড জাতীয় দলে যোগ দেওয়ার পর থেকে সেই আলোচনার পালে জোর হাওয়া লাগে। খেলোয়াড়রাও দারুণভাবে উত্তেলিত ছিল ইউরোপে ক্যাম্প করার, সেখানকার দলের সঙ্গে প্রস্তুতি ম্যাচ খেলার জন্য।
এ বিষয়ে আরিফুল হক জানান, ‘আমরা সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। সরকারের দুই মন্ত্রণালয় থেকেও ভিসার জন্য চেষ্টা করা হচ্ছে। তবে জার্মানি ট্যুর বাতিল হলে আমাদের পরবর্তী গন্তব্য চায়না। মিসরে যাওয়ারও একটা পরিকল্পনা ছিল। কারণ ওরা র্যাঙ্কিংয়ে ভালো অবস্থানে আছে। তবে কোনো কিছু এখনও চূড়ান্ত হয়নি। জার্মানি বাতিল হলে আমরা দ্রুত চীনে যাওয়ার কাজ শুরু করব।’
এশিয়ান গেমস সামনে রেখে মাসখানেক আগেই হকির চূড়ান্ত তালিকা পাঠানো হয় বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনে (বিওএ)। এটাই নিয়ম। কিন্তু হঠাৎ সেই তালিকায় পরিবর্তন আনার চেষ্টা করছে বর্তমান অ্যাডহক কমিটি।
সূত্রে জানা গেছে রাসেল মাহমুদ জিমি, পুষ্কর খীসা মিমোসহ আর পাঁচজন করে যুক্ত হচ্ছেন নতুন চূড়ান্ত দলে। এই নিয়েও ঝামেলা তৈরি হয়েছে। বিওএ বলছে নতুন করে যুক্ত হওয়ার সুযোগ নেই। আগের পাঠানো তালিকায় যারা রয়েছেন, তারাই যাবেন এশিয়ান গেমসে।
এটা নিয়ে শুধু হকিতে নয়, এশিয়ান গেমসে অংশ নিতে যাওয়া অন্যান্য ফেডারেশনেও জটিলতা তৈরি হয়েছে। এ সংকট কাটানোর জন্য আজ ১২টি ফেডারেশনকে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ পরিচালক (ক্রীড়া) বরাবর চিঠি দিতে বলা হয়েছে। সূত্রে এমনটাই জানা গেছে।
সময়ের আলো/প্রিন্ট/এমকে