অবশেষে আইনি ঝামেলা থেকে মুক্ত হলেন আলোচিত বলিউড অভিনেত্রী সানি লিওন। একই সঙ্গে প্রতারণার সেই মামলায় আসামি তার স্বামীও মুক্ত হয়েছেন এই ঝামেলা থেকে। এর আগে আন্ধেরির ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে তাদের দুজনের বিরুদ্ধে দায়ের করা প্রতারণার মামলাটি সেই আদালতে খারিজ করা হলেও পরবর্তীতে সেশনস আদালতে রিভিশন আবেদন করা হয়। কিন্তু সেখানেও খারিজের সিদ্ধান্ত বহাল রেখেছেন সেশনস আদালত।
সেশনস বিচারক পি এ সানে নির্দেশনায় জানান, অভিযুক্ত দম্পতির বিরুদ্ধে প্রতারণা বা অপরাধমূলক বিশ্বাসের ভঙ্গের মতো কোনো উপাদান পাওয়া যায়নি এবং পুরো বিষয়টি মূলত একটি সাধারণ বাণিজ্যিক চুক্তির শর্তভঙ্গের বিরোধ। রিভিশন আবেদনের শুনানিতে জমা দেওয়া কর ইনভয়েস ও বিভিন্ন নথি পর্যালোচনা করে আদালত স্পষ্ট করেন যে, এটি একটি ব্যবসায়িক লেনদেন সংক্রান্ত বিরোধ মাত্র। মামলাটিতে ভারতীয় দণ্ডবিধির প্রতারণা বা অপরাধমূলক হুমকির কোনো শর্ত পূরণ না হওয়ায় এবং মূল রায়ে কোনো আইনি ত্রুটি না থাকায় সেশনস আদালত আবেদনটি চূড়ান্তভাবে খারিজ করে দেয়।
প্রসঙ্গত, অভিযোগকারী ওমপ্রকাশ শ্রীনারায়ণ লাল জৈন দাবি করেছিলেন যে তিনি একটি তেলেগু সিনেমায় অভিনয়ের জন্য সানি লিওনের চুক্তির মধ্যস্থতা করেছিলেন এবং ১.৭৫ কোটি রুপি মোট পারিশ্রমিকের একটি নির্দিষ্ট অংশ কমিশন হিসেবে তার পাওয়ার কথা ছিল। আংশিক অর্থ পেলেও বকেয়া টাকা তাকে দেওয়া হয়নি এমন অভিযোগ এনে তিনি প্রতারণা ও অপরাধমূলক হুমকির মামলা করেন।
প্রসঙ্গত, পূজা ভাট পরিচালিত ২০১২ সালে ‘জিসম-২’ সিনেমা দিয়ে বলিউডে অভিষেক করেন সানি লিওন। এটি ছিল ২০০৩ সালের ‘জিসম’ সিনেমার সিক্যুয়েল। এরপর গত এক দশকে সানি লিওন ধীরে ধীরে নিজেকে অভিনেত্রী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। বিশেষ করে অনুরাগ ক্যশপ পরিচালিত ‘কেনেডি’ সিনেমায় সানির অভিনয় এবং এটি কান চলচ্চিত্র উৎসবে প্রদর্শিত হওয়ার পর ব্যাপক প্রশংসিত হয়।
সময়ের আলো/প্রিন্ট/আতা