সৌদি আরবের রিয়াদের একটি সোফা তৈরির কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে নিহত রবিউল ইসলাম হৃদয়ের জানাজা শেষে দাফন সম্পন্ন করা হয়েছে। শুক্রবার(২৮ আগস্ট) সকাল ১০টায় স্থানীয় মাঠে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়। এর আগে বৃহস্পতিবার রাত ৮টার দিকে নাটোরের নলডাঙ্গা উপজেলার মহিষডাঙ্গা নিজ গ্রামের বাড়িতে তার মরদেহ এসে পৌঁছায়।
এসময় রবিউল ইসলামের মরদেহ বাড়িতে পৌঁছালে স্বজনদের মাঝে নেমে আসে শোকের ছায়া। কান্নায় ভেঙে পড়েন পরিবারের সদস্যরা। মরদেহ এক নজর দেখতে রাত থেকেই ভিড় করতে থাকেন নিহতের আত্মীয়-স্বজন এবং স্থানীয়রা। সকালে ঈদগাহ মাঠে নিহতের জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।
রবিউল আউয়াল হৃদয় ভাগ্য পরিবর্তনে করতে ৫ বছর আগে সৌদি আরবে পাড়ি দেন। রবিউলের ভিসা, পাসপোর্ট থাকলেও ছিল না আকামা বা বৈধ কাগজপত্র। ফলে লুকিয়ে সৌদি আরবে কাজ করতে হতো তাকে। প্রায় ৩ বছর তিনি লুকিয়ে জীবনযাপন করেছেন প্রবাসে। সৌদি আরবের অগ্নিকাণ্ডে নাটোরের নলডাঙ্গা উপজেলার তিনজন প্রবাসীর মৃত্যু হয়। নিহত রবিউল আউয়াল হৃদয় নলডাঙ্গা উপজেলার মহিষডাঙ্গা গ্রামের আসলাম শেখের ছেলে।
নলডাঙ্গা উপজেলা সহকারী কমিশনার(ভূমি) ও ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী কর্মকর্তা শামীম হোসেন জানান, গতকাল রাতেই রবিউলের মরদেহ তার বাড়িতে পৌঁছায়। শুক্রবার সকালে জানাজা শেষে তার দাফন সম্পন্ন হয়েছে। যাচাই বাছাই শেষে আরও দুজনের মরদেহ দ্রুত আসবে বলে তিনি জানান।
সময়ের আলো/জোই