জুলাই যোদ্ধার তালিকার পর রাজাকারের তালিকা নিয়ে সিদ্ধান্ত

রফিক রাফি

জাতীয়

ইশরাক হোসেন সরকারের মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করছেন। সম্প্রতি সময়ের আলোর সঙ্গে কথা বলেছেন মুক্তিযোদ্ধার তালিকা, রাজাকারের তালিকা ও বীরাঙ্গনাদের

2026-08-31T01:44:18+00:00
2026-08-31T01:44:18+00:00
 
  সোমবার, ৩১ আগস্ট ২০২৬,
১৬ ভাদ্র ১৪৩৩
সোমবার, ৩১ আগস্ট ২০২৬
জাতীয়
মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন
জুলাই যোদ্ধার তালিকার পর রাজাকারের তালিকা নিয়ে সিদ্ধান্ত
রফিক রাফি
প্রকাশ: সোমবার, ৩১ আগস্ট, ২০২৬, ১:৪৪ এএম 
মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন। ছবি : সংগৃহীত
ইশরাক হোসেন সরকারের মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করছেন। সম্প্রতি সময়ের আলোর সঙ্গে কথা বলেছেন মুক্তিযোদ্ধার তালিকা, রাজাকারের তালিকা ও বীরাঙ্গনাদের তালিকা নিয়ে। আলাপে উঠে এসেছে জুলাই যোদ্ধাদের তালিকা, মুক্তিযোদ্ধা ভাতা, চিকিৎসা ও তাদের বাসস্থান, মুক্তিযোদ্ধার নাতিপুতিদের সুযোগ-সুবিধা, ’৭১-এ পাকিস্তানের আত্মসমর্পণের দলিল, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস সংরক্ষণ, মুক্তিযোদ্ধাদের নিরাপত্তা দেওয়াসহ নানা বিষয়। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন সময়ের আলোর বিশেষ প্রতিনিধি রফিক রাফি।

সময়ের আলো : বিগত সময়ে রাজাকারের তালিকা করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল, ওই তালিকা ধরে তালিকা করার কোনো চিন্তা-ভাবনা আছে কি না?

ইশরাক হোসেন : আমরা এখন প্রাথমিকভাবে তিনটা তালিকা টার্গেট করে কাজ করছি। প্রথমত কারা মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন এবং কারা অমুক্তিযোদ্ধা; সেই তালিকাটিকে আমাদের ঠিক করতে হবে। এখন সম্ভবত ১ লাখ ৯৬ হাজার সামথিং সংখ্যক মুক্তিযোদ্ধা তালিকাভুক্ত হয়ে গেজেটপ্রাপ্ত হয়েছেন। যাদের মধ্যে ১ লাখের ওপরে স্মার্টকার্ড বিতরণ করা হয়েছে। এটা আমাদের সংশোধন করতে হবে। এটা একটা বিশাল কর্মযজ্ঞ। 

দ্বিতীয়ত হচ্ছে, আমরা শহিদদের একটা প্রকৃত মানে একদম একটা সঠিক তালিকা এবং সংখ্যা করতে চাই। যাতে কোনো বিতর্ক না থাকে। কারণ এটার জন্য কিন্তু ’৭১-এর মুক্তিযুদ্ধে যে গণহত্যা হয়েছে সেটাকে জাতিসংঘের স্বীকৃতি নেওয়ার প্রক্রিয়াটাও সম্পন্ন করা সম্ভব হয়নি এখন পর্যন্ত। 

তৃতীয় হলো বীরাঙ্গনাদের যে তালিকা রয়েছে সেটিও আমরা করার চেষ্টা করছি। ভবিষ্যতে আমাদের এই কার্যক্রমের সঙ্গে অন্তর্ভুক্ত করে রাজাকারদের তালিকা- সেটাও সঠিকভাবে প্রণয়ন করা যায় কি না সেটা আমরা ক্ষতিয়ে দেখতে পারি।

বর্তমানে মুক্তিযোদ্ধাদের প্রধান সমস্যাগুলো কী বলে মনে করছেন?

মুক্তিযোদ্ধাদের অনেক বয়স হয়েছে। তারা যখন আমাদের কাছে আসেন, তাদের কাছ থেকে যে সমস্যাগুলো শুনি সেটার মধ্যে অন্যতম বড় সমস্যা হচ্ছে তাদের চিকিৎসা। মুক্তিযোদ্ধা এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের চিকিৎসার জন্য আমাদের একটা প্রোগ্রাম আছে, বিভিন্ন হাসপাতালে এই সংক্রান্ত একটা বরাদ্দ মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে দেওয়া হয়। আমরা সেটাকে এখন আরেকটু বেটার সার্ভিস কীভাবে দেওয়া যায় সেটা নিয়ে কাজ করছি। যে সব হাসপাতালের সঙ্গে আমাদের চুক্তি রয়েছে সেখানে আহত মুক্তিযোদ্ধাদের চিকিৎসা সার্ভিসটা বেটার করার জন্য আমরা পদক্ষেপ নিয়েছি।

মুক্তিযুদ্ধে বীর উপাধি পাওয়াদের তালিকা সংরক্ষিত আছে কি না, কতজন জীবিত আছেন?

হ্যাঁ অবশ্যই আমাদের মন্ত্রণালয়ে এই ডাটা সংরক্ষিত রয়েছে। এই মুহূর্তে আমি হয়তো আপনাকে স্পেসিফিক তথ্যটা দিতে পারছি না; কিন্তু কতজন খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা জীবিত রয়েছেন, কতজন আহত মুক্তিযোদ্ধা জীবিত রয়েছেন- এই ডাটাটা আমাদের মন্ত্রণালয়ে রয়েছে। 

মুক্তিযোদ্ধা তালিকা নিয়ে বিতর্ক আছে। ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা অনেক আছে। এটা নিয়ে আসলে আপনাদের চিন্তা কী?

আমি মনে করি যে, বর্তমানে আমাদের সবথেকে বিগেস্ট চ্যালেঞ্জ হলো এই বিষয়টা। কারণ এই বিষয়টা নিয়ে সারা বাংলাদেশের সবারই জানা রয়েছে যে, এই তালিকাটিকে অত্যন্ত বিতর্কিত করা হয়েছে। এখানে অমুক্তিযোদ্ধাদের মুক্তিযোদ্ধার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। 

বিশেষ করে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই আমরা যেখানেই যাই সেখানেই কিন্তু সাধারণ মানুষ, মুক্তিযোদ্ধা বা বয়োবৃদ্ধরা আমাদের জিগ্যেস করেন যে, ‘মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা নিয়ে আপনারা কী করছেন?’ বিপুলসংখ্যক অমুক্তিযোদ্ধাকে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে এবং প্রতি বছর আমাদের সরকারের কোষাগার থেকে বড় একটা অ্যামাউন্ট তাদের পেছনে ব্যয় করা হচ্ছে।


এ ব্যাপারে আপনারা কী পদক্ষেপ নিচ্ছেন?

এটা এখন জনগণের দাবিতে পরিণত হয়েছে। আমরা যেহেতু ওয়াকিবহাল রয়েছি তাই প্রতিনিয়ত চাপ অনুভব করছি। গত সপ্তাহে মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা সঠিক করতে আমাদের করণীয় কর্মপদ্ধতি প্রণয়নের জন্য একটা মতবিনিময় সভা করেছি। সেখানে কয়েকজন বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং বীরপ্রতীক বীরবিক্রমসহ এ সংক্রান্ত বিষয়ে যারা কাজ করে থাকেন তারা উপস্থিত ছিলেন। 

এ ছাড়া কয়েকজন অধ্যাপক যেমন ডক্টর সলিমুল্লাহ খানসহ এ সংক্রান্ত যারা কাজ করেছেন, যারা গবেষক তেমন কয়েকজন ওখানে উপস্থিত ছিলেন। আমরা চাই যে, একটা কর্মপদ্ধতি ঠিক করে আমরা সেটাকে বাস্তবায়নের দিকে এগিয়ে যাব। 

ভুয়া মুক্তিযোদ্ধার সনদ ব্যবহার করে যারা চাকরি করছেন তাদের বিষয়ে কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হবে কি না?

এই মুহূর্তে যেটা আমরা বললাম যে, প্রথমে তো আমাদের তালিকাটা ঠিক করতে হবে, তারপর সেটার ব্যাপারেও সিদ্ধান্ত নিতে হবে। 

বিগত সরকার মুক্তিযোদ্ধাদের নাতিপুতিদেরও সুযোগ-সুবিধা দিয়েছে, মুক্তিযোদ্ধার সন্তান হয়ে এটা সমর্থন করেন কি না?

আমি তখনই অত্যন্ত ঘৃণাভরে এটা প্রত্যাখ্যান করেছি। যখন কোটা আন্দোলনটা শুরু হয় তখন আমি জেলে। তখন আমি দেখেছি যে, মুক্তিযোদ্ধার সন্তান এবং মুক্তিযোদ্ধা পরিবার এবং কোটা এরকম একটা সাংঘর্ষিক পরিস্থিতি তৈরি করা হচ্ছিল।তখন পেপারে যে নিউজগুলো আসত তাতে আমি অত্যন্ত আহত হতাম এবং তখন আমার কাছে মনে হতো আমি যদি আজকে জেলখানার বাইরে থাকতাম আমি গিয়ে সবার আগে কোটাবিরোধী আন্দোলনকারী যারা রয়েছে তাদের সঙ্গে গিয়ে দাঁড়াতাম। 

আওয়ামী লীগ আমলে লক্ষাধিক ভুয়া মুক্তিযোদ্ধাকেও মুক্তিযোদ্ধার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল। এরা আসলে কিছু দলীয় লোক এবং তাদের পরিবার ও তাদের নাতিপুতি এদের সুযোগ-সুবিধা দেওয়ার জন্য এই পদ্ধতিটাকে বেছে নেওয়া হয়েছিল। এর মাধ্যমে মুক্তিযোদ্ধাদের এবং মুক্তিযুদ্ধকে কলঙ্কিত করেছে খুনি হাসিনা সরকার। আমি এটাকে অবশ্যই সমর্থন করি না।

তা হলে কি যারা বিশেষ করে ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা, যারা সুযোগ-সুবিধা নিয়েছেন- এগুলো কি রিভিউ করবেন?

এ ব্যাপারে এখনও কংক্রিট সিদ্ধান্ত আমরা নিইনি। তবে অবশ্যই এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

স্বাধীনতার এত বছর পরে এসে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস নিয়ে বিতর্ক আছে, বর্তমান সরকারের সঠিক ইতিহাসটাকে তুলে ধরার বা সংরক্ষণ করার কোনো পরিকল্পনা আছে কি না?

ইতিহাস তো বিকৃত করা হয়েছে। আমি মনে করি মুক্তিযুদ্ধের ঠিক পরে ’৭২ সাল থেকে এটাকে বিকৃতভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে এবং একটা দলের ব্যক্তিগত সম্পত্তিতে রূপান্তর করা হয়েছিল। ’৭২-৭৩ সালে দেখা গিয়েছে মুক্তিযুদ্ধকে আওয়ামী লীগ তার ব্যক্তিগত প্রপার্টিতে পরিণত করেছিল। আমরা সেই ধরনের কোনো ইতিহাস চাই না, প্রকৃত ইতিহাস চাই। একজন মুক্তিযোদ্ধার সন্তান হিসেবে আমি চাই যে সঠিক ইতিহাসটা তুলে ধরা হোক এবং যার যেখানে ক্রেডিট, যা তার প্রাপ্য সেটাকে নিশ্চিত করা।

মুক্তিযোদ্ধাদের গার্ড লাঞ্ছিত করা, রাজনৈতিক কারণে বিদেশে মারা গেলে দেশে আসতে বাধা দেওয়ার ঘটনা আছে। মুক্তিযোদ্ধার অধিকার সংরক্ষণ নিয়ে কোনো পরিকল্পনা আছে কি না?

সিকিউরিটির বিষয়টা অবশ্যই.. মুক্তিযোদ্ধাদের লাঞ্ছনা করা হলে সেটার বিপক্ষে আমরা রাজনৈতিক দল হিসেবে প্রতিবাদ জানিয়েছি এবং এখন সরকারে থাকা অবস্থায় সরকারি দল হিসেবেও আমরা এটার জন্য প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করব। যখন যেখানে অভিযোগ পাওয়া যাবে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে, এ ব্যাপারে কোন ছাড় নেই।

দ্বিতীয় হলো যে, মুক্তিযুদ্ধকে অসম্মান করবে বা মুক্তিযুদ্ধের যে অর্জন সেটাকে কোনোভাবে অস্বীকৃতি জানাবে, তা হলে তো বাংলাদেশকে অস্বীকার করা হবে। যেসব রাজনৈতিক দল বা ব্যক্তিবর্গ এটি করবে, আমরা রাজনৈতিক অবস্থান থেকে প্রতিবাদ জানাব, প্রতিরোধ করব। এবং সরকারের পক্ষ থেকেও আইন বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। 

বিদেশে অবস্থানরত কেউ মারা যাওয়া বা কোনো রাজনৈতিক পরিচয় হলেও কেউ বাধা দিলে আইনের প্রয়োগ হবে সেখানে। মৃত্যুর পরে তার দেশে আসা আইনগত অধিকার। মৃত্যুর আগে দেশে আসতে চাইলে আমাদের সরকার বিগত সরকারের মতো কোনো অমানবিক আচরণ কারও প্রতি দেখাবে না। 


জুলাই যোদ্ধাদের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হওয়ার আহ্বানে সাড়া পাওয়া যাচ্ছে না, এটা নিয়ে সরকারের কোনো পদক্ষেপ আছে কি না?

জাতিসংঘের ফাইন্ডিংস অনুযায়ী ১৪শরও বেশি মানুষকে মেরে ফেলা হয়েছে। দলীয় সূত্র অনুযায়ী, যেটা আমাদের প্রধানমন্ত্রী সংসদে উল্লেখ করেছেন এই সংখ্যাটি ২০০০-এর কাছাকাছি হবে। কিন্তু এখন পর্যন্ত গেজেটে অন্তর্ভুক্ত করা গেছে ৮৪৩ জনকে। কেউ কেউ আন্দোলনকারী নয়, কিন্তু গেজেটভুক্ত হয়ে গিয়েছেলেন- এমন অনেককে গেজেট থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। 

আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি একটা বড়সংখ্যক যারা শহিদ হয়েছেন তাদের মধ্যে অনেকে ছিলেন ছিন্নমূল এবং ছিন্নমূল এবং পথশিশু। যাদের মরদেহগুলোকে পরবর্তীতে গণকবর দিয়ে বা মরদেহ পুড়িয়ে ফেলা হয়েছে এবং নদীতে ভাসিয়ে দেওয়া হয়েছে। 

সেগুলো ফলোআপ করার জন্য বা পরিবারের তেমন উল্লেখযোগ্য কেউ নেই, যারা এই ক্লেইম করতে আসবে। সেই কারণে তালিকাটা এখনও মেলানো যায়নি বলে আমি মনে করি। রায়ের বাজারে একটা গণকবর পাওয়া গিয়েছে। সেখানে ডিএনএ টেস্ট করে ১২ জনকে শনাক্ত করা গিয়েছিল। বাকিগুলো শনাক্ত করা যায়নি। এরকম আরও কোথাও কোথাও গণকবর থেকে থাকতে পারে যেগুলো আমরা হয়তো এখন পর্যন্ত খুঁজে পাইনি। 

আপনাদের পদক্ষেপ কী হবে?

আমরা দুটো বিষয় নিয়ে কাজ করছি। একটা হলো শহিদদের তালিকা, আরেকটা হলো আহত জুলাই যোদ্ধার তালিকা পূর্ণাঙ্গ করা। ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা অন্তর্ভুক্ত করার মতো পরিস্থিতি যেন না হয়- সে জন্য আমরা খুব সতর্কতার সঙ্গে এগোচ্ছি।

মুক্তিযুদ্ধের নিদর্শনগুলো সংরক্ষণে সরকারের কোনো পরিকল্পনা আছে কি না?

এটা আছে। বধ্যভূমিগুলোকে সংরক্ষণ করা হয়েছে এবং সম্মুখযুদ্ধের স্থানগুলো যেখানে চিহ্নিত করা যাচ্ছে সেই ইতিহাসটাকে সংরক্ষণ করার একটা প্রজেক্ট ছিল ইতিপূর্বে। 

’৭১-এ পাকিস্তান আত্মসমর্পণের দলিলটা এখন পর্যন্ত ভারত থেকে আনার কোনো ইনিশিয়েটিভ দেখা যায়নি, আপনারা উদ্যোগ নেবেন কি না?

আমি এটা নিয়ে কথা বলে দেখব যে এটা এখন কোন পর্যায়ে আছে এবং আমরা কিছু করতে পারি কি না, এ বিষয়ে উদ্যোগ নিতে পারি কি না।

সময়ের আলো/এসএকে


  বিষয়:   জুলাই যোদ্ধা  তালিকা  রাজাকার  সময়ের আলো 


Loading...
Loading...
জাতীয়- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: