
রোববার (৩০ আগস্ট) সন্ধ্যায় বানিয়াচং সদরের চাঁনপাড়া ও তোপখানা মহল্লার বাসিন্দাদের মধ্যে এ সংঘর্ষ শুরু হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, তোপখানা মহল্লার একদল কিশোর স্থানীয় জুয়েল মাঠে ফুটবল খেলতে যায়। খেলার একপর্যায়ে চাঁনপাড়া এলাকার কয়েকজন বাসিন্দা সেখানে গিয়ে তাদের খেলতে বাধা দেন। এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে প্রথমে বাগ্বিতণ্ডা হয়। পরে বিষয়টি দুই মহল্লায় ছড়িয়ে পড়লে উভয় পক্ষের লোকজন লাঠিসোঁটা ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন।
সন্ধ্যার পর সংঘর্ষ তীব্র আকার ধারণ করে। এ সময় দুই পক্ষের মধ্যে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া, ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষ হয়। এতে পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। সংঘর্ষে উভয় পক্ষের শতাধিক মানুষ আহত হয়েছেন বলে স্থানীয়দের দাবি।
আহতদের মধ্যে গুরুতর কয়েকজনকে হবিগঞ্জ আধুনিক সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। অন্যদের বানিয়াচং উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
খবর পেয়ে বানিয়াচং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ নাজমুল হকের নেতৃত্বে বিপুলসংখ্যক পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। পুলিশের বাধা উপেক্ষা করে সংঘর্ষ চলতে থাকলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কয়েক রাউন্ড টিয়ারশেল নিক্ষেপ করা হয়।
পরে স্থানীয় রাজনৈতিক নেতা, বিভিন্ন এলাকার সরদার ও গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উদ্যোগে প্রায় চার ঘণ্টা পর রাত ১১টার দিকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।
বানিয়াচং থানার ওসি শেখ নাজমুল হক বলেন, ‘বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। পুনরায় সংঘর্ষ এড়াতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। সংঘর্ষে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নিতে তদন্ত চলছে।’
সময়ের আলো/এসএকে