শিশুর চিকিৎসা নিয়ে আনসার সদস্য ও স্বজনদের মারামারি

ঝালকাঠি প্রতিনিধি

সারাদেশ

ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে শিশুর চিকিৎসাকে কেন্দ্র করে কর্তব্যরত আনসার সদস্য ও রোগীর স্বজনদের মধ্যে মারামারির ঘটনা

2026-08-31T06:58:28+00:00
2026-08-31T06:58:28+00:00
 
  সোমবার, ৩১ আগস্ট ২০২৬,
১৬ ভাদ্র ১৪৩৩
সোমবার, ৩১ আগস্ট ২০২৬
সারাদেশ
শিশুর চিকিৎসা নিয়ে আনসার সদস্য ও স্বজনদের মারামারি
ঝালকাঠি প্রতিনিধি
প্রকাশ: সোমবার, ৩১ আগস্ট, ২০২৬, ৬:৫৮ এএম 
ছবি : সময়ের আলো
ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে শিশুর চিকিৎসাকে কেন্দ্র করে কর্তব্যরত আনসার সদস্য ও রোগীর স্বজনদের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটেছে। রোববার রাতে হাসপাতালের জরুরি বিভাগের ভেতর এ ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।

এ ঘটনায় অভিযুক্তরা হলেন বরগুনায় আনসার সদস্য হিসেবে কর্মরত রাজাপুর উপজেলার বড়ইয়া ইউনিয়নের উত্তমপুর এলাকার মো. হানিফ খানের ছেলে মো. রাহাত হোসেন খান (২৩) এবং তাঁর বোনজামাই সাতুরিয়া ইউনিয়নের উত্তর তারাবুনিয়া এলাকার মো. শামসুল হকের ছেলে মো. সাইদুল ইসলাম শামীম (৩৭)।

হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, সাইদুল ইসলাম শামীম তাঁর এক বছর বয়সী সন্তান তাসবিহকে চিকিৎসার জন্য রাজাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসেন। তাঁর সঙ্গে শিশুটির মা, রাহাতসহ কয়েকজন স্বজনও ছিলেন। জরুরি বিভাগে কর্তব্যরত চিকিৎসক আশা ইসলাম মীম শিশুটিকে পরীক্ষা করে স্বজনদের বাইরে যেতে বলেন।

এ সময় রাহাত চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলতে গেলে দায়িত্বে থাকা আনসার সদস্য মো. সুমন তাঁকে সরে যেতে বলেন। এ নিয়ে দুজনের মধ্যে বাগ্‌বিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে রাহাত আনসার সদস্য সুমনকে মারধর করেন বলে অভিযোগ ওঠে। পরে সাইদুল ইসলাম শামীমও এতে জড়িয়ে পড়েন।

তবে রাহাত হোসেনের দাবি, তার ভাগনির নাক দিয়ে রক্ত পড়ছিল। হাসপাতালে আনার পর চিকিৎসা দিতে দেরি হওয়ায় তিনি চিকিৎসকের কাছে বিষয়টি জানতে চেয়েছিলেন। এ সময় আনসার সদস্য সুমন তাঁকে ধাক্কা দেন। তিনিও পাল্টা ধাক্কা দেন। পরে শিশুটিকে অন্যত্র চিকিৎসা করাতে চাইলে তাঁদের আটকে রাখা হয় বলেও দাবি করেন তিনি।


অন্যদিকে আনসার সদস্য মো. সুমনের দাবি, চিকিৎসক শিশুটিকে চিকিৎসা দেওয়ার সময় কয়েকজন স্বজন তাঁকে ঘিরে দাঁড়িয়ে থাকায় চিকিৎসাসেবায় বিঘ্ন ঘটছিল। এ কারণে রাহাতকে সরে যেতে বললে তিনি তাঁকে কিল-ঘুষি মারতে শুরু করেন।

কর্তব্যরত চিকিৎসক আশা ইসলাম মীম বলেন, জরুরি বিভাগের ভেতর হট্টগোল শুরু হলে তিনি সবাইকে শান্ত হতে বলেন। পরিস্থিতি শান্ত না হলে চিকিৎসা দেওয়া সম্ভব হবে না বলেও জানান তিনি। কাউকে আটকে রাখেননি দাবি করে তিনি বলেন, আনসার সদস্যদের গায়ে হাত তোলার ঘটনায় রোগী ও স্বজনদের কিছু সময়ের জন্য আনসার সদস্যরা আটকে রেখেছিলেন।

রাজাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. মেহেজাবীন ফারহানা নিসা বলেন, ‘মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে মুচলেকা নিয়ে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।’

সময়ের আলো/এসএকে


  বিষয়:   শিশু  চিকিৎসা  আনসার সদস্য  মারামারি  সময়ের আলো 


Loading...
Loading...
সারাদেশ- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: