ইউজড স্পেয়ার পার্টস ঘোষণায় চট্টগ্রাম বন্দরে আমদানি করা ৪টি গাড়ি, দুটি গাড়ির যন্ত্রাংশের চালান জব্দ করেছে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতর। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) অধিদফতরের পক্ষ থেকে চট্টগ্রাম বন্দরের পানগাঁও কনটেইনার টার্মিনালে (পিসিটি) এক সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানানো হয়।
অধিদফতরের যুগ্ম পরিচালক সাগর সেন বলেন, জব্দ গাড়ির শুল্ককরসহ দাম প্রায় ১২ কোটি টাকা। জব্দ এসব গাড়ি ভেদে ১০৩ থেকে ৬২১ শতাংশ শুল্কযোগ্য। ৪০ ফুট দীর্ঘ একটি কনটেইনারে তিন লেয়ারে গাড়িগুলো চট্টগ্রাম বন্দরে নিয়ে আসা হয়। কনটেইনারের সামনের দিকে পার্টস দিয়ে সাজানো ছিল। চালানটি বন্দরে আসার পর বিল অব এন্ট্রি দাখিল করেনি। নির্ধারিত সময় পার হওয়ার পর চালানোর পণ্য নিলামে চলে যায়।
তিনি বলেন, কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতরের মহাপরিচালকের কাছে আসা গোপন সংবাদের ভিত্তিতে একটি তথ্য আসে। এই তথ্যের ভিত্তিতে যাচাই শেষে চালানটি জব্দ করা হয়েছে। আমদানিকারক বা কেউ চালানটি নিতে চাইলে বিশেষজ্ঞ মতামতের ভিত্তিতে শুল্ককর জরিমানা দিতে হবে।
কাস্টমস সূত্র জানায়, কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতর, আঞ্চলিক কার্যালয়, চট্টগ্রামের যুগ্ম পরিচালকের নেতৃত্বে একটি নিবারক দল গত ৩১ আগস্ট দুপুর ২টায় অনুসন্ধান শুরু করে। এসময় মিথ্যা ঘোষণায় আমদানিকৃত লেক্সাস এলএক্স ৬০০, লেক্সাস এসসি ৪৩০ বিএমডব্লিউ এমএস গাড়িসহ অন্য গাড়ির গুরুত্বপূর্ণ কম্পোনেন্ট খুঁজে পায়।
পরে দেখা যায়, মিথ্যা ঘোষণায় এই আমদানির সাথে জড়িত ক্রাউন অটোমোবাইল চক্র। পরে প্রাপ্ত গোয়েন্দা তথ্য এবং সার্ভার এসাইকুডা ওয়ার্ল্ডে দাখিল করা ম্যানিফেস্ট পর্যালোচনা করা হয়। এতে দেখা যায় ক্রাউন অটোমোবাইল চক্র মোংলা কাস্টম হাউসের মতো চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে ইউজড স্পেয়ার পার্টস অব মোটর ভেহিকলসহ নানা পার্টস ঘোষণায় আমদানি করে। প্রকৃত পক্ষে এটা ছিল মিথ্যা ঘোষণা। জব্দ করার মাধ্যমে বড় শুল্ক ফাঁকি রোধ করা গেছে বলেও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।
সময়ের আলো/আতা