লিওনেল মেসিকে ছাড়া নতুন অধ্যায় শুরু করতে যাচ্ছে আর্জেন্টিনা। ২০২২ সালের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা সেপ্টেম্বরে দেশের মাটিতে তিনটি প্রীতি ম্যাচ খেলার পরিকল্পনা করছে। তবে এখনো কোনো ম্যাচের প্রতিপক্ষ চূড়ান্ত হয়নি।
বিশ্বকাপের পর ফিফার প্রথম আন্তর্জাতিক বিরতি শুরু হবে ২১ সেপ্টেম্বর, চলবে ৬ অক্টোবর পর্যন্ত। এই সময়ের মধ্যে দুই থেকে তিনটি ম্যাচ আয়োজনের পরিকল্পনা করছে আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন। বুয়েনস আয়ার্স, কর্দোবা ও রোজারিওতে ম্যাচ আয়োজন নিয়ে আলোচনা এগিয়েছে বলে জানিয়েছে আর্জেন্টাইন সংবাদমাধ্যম টিওয়াইসি স্পোর্টস।
তবে সম্ভাব্য প্রতিপক্ষ নিয়ে এখনো নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। বিশ্বকাপ ফাইনালের ঘটনায় ফিফার দেওয়া নিষেধাজ্ঞাগুলো প্রীতি ম্যাচে কার্যকর হবে কি না, সেটিও পরিষ্কার নয়। খেলোয়াড়দের নিষেধাজ্ঞার পাশাপাশি দর্শক ধারণক্ষমতা নিয়েও বিধিনিষেধ রয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
এর আগে চীনে সফর করে ম্যাচ খেলার সম্ভাবনা থাকলেও মেসির অবসরের সিদ্ধান্তের পর সেই পরিকল্পনা আর এগোয়নি। ফলে বিশ্বকাপের পর এবারই প্রথম মেসিকে ছাড়া মাঠে নামবে আর্জেন্টিনা। দেশের মাটিতে হতে যাওয়া ম্যাচগুলো তাই স্কালোনির দলের জন্য মেসিবিহীন যুগের প্রথম বড় পরীক্ষা হতে যাচ্ছে।
আর্জেন্টিনার এই নতুন অধ্যায় অবশ্য শুরু হচ্ছে কঠিন এক বিশ্বকাপের পর। ২০২২ সালের পর সর্বশেষ বিশ্বকাপেও শিরোপার অন্যতম দাবিদার ছিল মেসি ও লিওনেল স্কালোনির দল। কিন্তু ফাইনালে স্পেনের কাছে ১–০ গোলে হেরে শিরোপা হাতছাড়া করে তারা।
বিশ্বকাপের আগেই ধারণা করা হচ্ছিল, এই আসর দিয়েই জাতীয় দলের হয়ে মেসির অধ্যায়ের শেষ হতে পারে। টুর্নামেন্টের পর তিনি অবসরের সিদ্ধান্ত নিলেও বাবার মৃত্যুর কারণে কিছুটা সময় নিয়েছিলেন। শেষ পর্যন্ত সম্প্রতি আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় জানান আর্জেন্টাইন মহাতারকা।
এখন মেসিকে ছাড়াই পথচলা শুরু করতে হবে স্কালোনির দলকে। সেপ্টেম্বরের ঘরের মাঠের ম্যাচগুলোতেই দেখা যাবে, কিংবদন্তিকে হারানোর পর নতুন আর্জেন্টিনা কতটা প্রস্তুত।
সময়ের আলো/টিকে