স্বাস্থ্যকর ও পরিমিত খাবারের অভ্যাস দীর্ঘমেয়াদে সুস্থ জীবনযাপনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। অনেকেই সারাদিন পরিশ্রমের পর রাতে আয়েশ করে তৃপ্তি মিটিয়ে খেতে পছন্দ করেন। কিন্তু খাওয়ার আগে জানা জরুরি, সেসব খাবার আমাদের জন্য স্বাস্থ্যকর কিনা।
স্বাস্থ্যবিষয়ক সংবাদমাধ্যম হেলথলাইনের তথ্য অনুযায়ী, রাতের খাবারে শাকসবজি, প্রোটিন ও ফাইবারসমৃদ্ধ খাবার রাখা যেতে পারে। পাশাপাশি অতিরিক্ত তেল-মশলা ও ভাজাভুজি এড়ানো ভালো।
সবুজ শাকসবজি
পালং শাক, লাউ, ঝিঙে, পটল, ঢেঁড়স, বিনস, ফুলকপি বা বাঁধাকপির মতো সবজি রাতের খাবারে রাখা যেতে পারে। এসব খাবারে ভিটামিন, খনিজ ও ফাইবার থাকে। তবে, রান্নায় অতিরিক্ত তেল-মাখন ব্যবহার না করাই ভালো।
ডাল ও প্রোটিন
শুধু ভাত বা রুটি দিয়ে রাতের খাবার শেষ না করে ডাল, মাছ, ডিম, পনির বা সয়াবিনের মতো প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবারও রাখতে পারেন। ডাল ও অন্যান্য ফাইবারসমৃদ্ধ খাবার পেট কিছুটা সময় ভরা রাখতেও সাহায্য করে।
ভাতের বদলে আটার রুটি
রাতে ভাতের বদলে আটার রুটি খেতে পারেন। তবে, রুটি খেলেই ওজন কমবে ও ভাত খেলেই ওজন বাড়বে- এমন ধারণা ঠিক নয়। খাবারের মোট পরিমাণ ও পুষ্টির ভারসাম্যই বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
সালাদ
শসা, টমেটো, গাজর বা বিট দিয়ে তৈরি সালাদ রাতের খাবারে ফাইবার যোগ করতে পারে। তবে, কাঁচা সবজি খেলে যাদের গ্যাস বা হজমের সমস্যা হয়, তাদের সতর্ক থাকা উচিত।
এছাড়া রাতে বিরিয়ানি, পিজ্জা, বার্গার বা অতিরিক্ত ঝাল-মশলাদার খাবার থেকে বিরত থাকাই স্বাস্থ্যের জন্য ভালো। এসব খাবার অনেকের অম্বল, গ্যাস বা পেট ভারের সমস্যা বাড়াতে পারে। অতিরিক্ত মিষ্টি ও চিনিযুক্ত পানীয়ও কম খাওয়া উচিত।
দীর্ঘ ও সুস্থ জীবনের জন্য আরও একটা অভ্যাস মেনে চলা উচিত। রাতে ঘুমাতে যাওয়ার অনেকটা সময় আগেই খাবার খেয়ে ফেলার অভ্যাস করতে হবে। খাবার খেয়েই ঘুমিয়ে পড়া স্বাস্থ্যের জন্য ভালো নয়।
সময়ের আলো/মহু