চ্যাম্পিয়নস লিগের নতুন মৌসুমে জয় দিয়ে যাত্রা শুরু করেছে আর্সেনাল। নাপোলির মাঠে ১–০ গোলে জিতেছে তারা। ম্যাচের ৭৫ মিনিটে দুর্দান্ত এক গোলে দলকে এগিয়ে দেন মার্টিন ওডেগার্ড।
নাপোলির বিপক্ষে শুরু থেকেই বলের নিয়ন্ত্রণে এগিয়ে ছিল আর্সেনাল। প্রথমার্ধে ৫২ শতাংশ বল নিজেদের দখলে রেখে বেশ কয়েকবার আক্রমণ তৈরি করে তারা। ১৩ মিনিটে বাইসাইকেল কিকে গোলের চেষ্টা করেছিলেন বুকায়ো সাকা, তবে নাপোলির গোলরক্ষক অ্যালেক্স মেরেট দুর্দান্তভাবে সেটি ঠেকিয়ে দেন।
প্রথমার্ধে আরও সুযোগ পেয়েছিল আর্সেনাল। ২২ মিনিটে মিকেল মেরিনোর হেড সহজেই ধরে ফেলেন মেরেট। ২৩ মিনিটে বেন হোয়াইটের শটও ঠেকান নাপোলির গোলরক্ষক। অন্যদিকে নাপোলির হয়ে মাতেও পলিতানোও ডেভিড রায়াকে পরীক্ষা করেছিলেন, তবে আর্সেনাল গোলরক্ষকও সফল হন। ফলে গোলশূন্য সমতায় বিরতিতে যায় দুই দল।
দ্বিতীয়ার্ধেও আর্সেনালই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখে। ৬৫ মিনিটে তাদের বল দখল বেড়ে দাঁড়ায় ৬০ শতাংশে। একের পর এক আক্রমণ তৈরি করলেও কাঙ্ক্ষিত গোলের দেখা পাচ্ছিল না মিকেল আর্তেতার দল। শেষ পর্যন্ত ৭৫ মিনিটে সেই অপেক্ষার অবসান ঘটে।
আরও পড়ুন
গোলটি আসে বক্সের বাইরে থেকে। ক্রিশ্চিয়ান তজোলিসের পাস পেয়ে ওডেগার্ড বাঁ পায়ের শটে নাপোলির গোলরক্ষককে পরাস্ত করেন। দূরপাল্লার নিখুঁত সেই শটে এগিয়ে যায় আর্সেনাল।
গোল খাওয়ার পর নাপোলি সমতায় ফেরার চেষ্টা করলেও আর্সেনালের রক্ষণ ভাঙতে পারেনি। ৮৫ মিনিটে নিকোলাস মাদুয়েকে সহজ সুযোগ পেয়েও গোল করতে ব্যর্থ হন। যোগ করা সময়ে ক্রিশ্চিয়ান তজোলিসের শটও রায়া সামলে নেন। শেষ পর্যন্ত ১–০ গোলের জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে আর্সেনাল।
পরিসংখ্যানেও আর্সেনালের আধিপত্য স্পষ্ট। পুরো ম্যাচে ৫৮ শতাংশ বল দখলে রেখে ২৬টি শট নেয় তারা, যার ৭টি ছিল লক্ষ্যে। নাপোলি মাত্র ৬টি শট নিতে পেরেছে, লক্ষ্যে ছিল ৩টি। প্রত্যাশিত গোলের হিসাবেও বড় ব্যবধানে এগিয়ে ছিল আর্সেনাল, ৩.২৫ বনাম নাপোলির ০.২৮।
শেষ পর্যন্ত ওডেগার্ডের এক গোলই গড়ে দেয় ম্যাচের ভাগ্য। নাপোলির কঠিন মাঠ থেকে তিন পয়েন্ট নিয়ে চ্যাম্পিয়নস লিগের শুরুটা স্মরণীয় করে রাখল আর্সেনাল।
সময়ের আলো/টিকে