প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২:২৪ পিএম আপডেট: ১০.০৯.২০২৬ ৩:২৪ পিএম
সামাজিক বনায়নের গাছ কেটে হরিলুটের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। ছবি : সময়ের আলো সরকারি নিয়ম তোয়াক্কা না করে লক্ষ্মীপুরের কমলনগরে সামাজিক বনায়নের গাছ কেটে হরিলুটের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে বন বিভাগের বিরুদ্ধে। গাছ বিক্রির প্রায় দুই বছর পার হতে চললেও বিক্রিত অর্থের এক টাকাও হাতে পাননি স্থানীয় সুফলভোগীরা। নিয়ম অনুযায়ী মোট বিক্রয়মূল্যের ৫৫ শতাংশ টাকা সুফলভোগীদের পাওয়ার কথা থাকলেও উল্টো চরম হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে তাদের।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের তোরাবগঞ্জ থেকে করুণানগর পর্যন্ত ১৯ কিলোমিটার সড়কের গাছের জন্য ‘দরপত্র নং-৪ রাজস্ব ২৫/২৬’ এবং ফজুমিয়ার হাট থেকে উত্তর পাশের ওয়াবদা বেড়ীবাঁধ সড়কের ‘দরপত্র নং-১ রাজস্ব ২৫/২৬’-এর আওতায় গাছ বিক্রির প্রক্রিয়া শুরু হয়। বিধি অনুযায়ী লট বরাদ্দের ১০-১৫ দিনের মধ্যে চালানের মাধ্যমে সরকারি কোষাগারে পুরো টাকা জমা দেওয়ার বিধান রয়েছে। তবে সেই শর্ত পূরণ না করেই রহস্যজনকভাবে ঠিকাদারকে গাছ কাটার অনুমতি (ডিও) দেয় বন বিভাগ।
অভিযোগ রয়েছে, সরকারি কোষাগারে পূর্ণাঙ্গ রাজস্ব জমা না দিয়ে এবং সুফলভোগীদের পাওনা বুঝিয়ে না দিয়েই বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) ও স্থানীয় কর্মকর্তাদের যোগসাজশে সব গাছ কেটে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এছাড়া ঝড়ে পড়ে যাওয়া আরও ৫-৬টি লটের কাঠের হিসাব নিয়েও সৃষ্টি হয়েছে ধোঁয়াশা।
জমির মালিকানা ও অধিকারের বিষয়টি উল্লেখ করে বাগানের সভাপতি মো. শাহজাহান মেম্বার ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, জমির বৈধ দলিল ও অধিকার আমাদের থাকা সত্ত্বেও বন বিভাগ জোরপূর্বক সব গাছ কেটে নিয়ে গেছে। আমাদের না জানিয়েই গাছ হরিলুট করা হয়েছে, অথচ আজ দুই বছর ধরে আমরা ন্যায্য পাওনা থেকে বঞ্চিত।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে কমলনগর উপজেলা বন কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, সুফলভোগীরা প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিলে আমরা নিয়ম অনুযায়ী সুবিধা বুঝিয়ে দেব।
সময়ের আলো/এনএন