দুপুরের খাবার খাওয়া হয়ে গেছে, দিনের গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলোও চলছে, অথচ বিকেল ৩টা বাজতেই যেন শরীরের সব শক্তি ফুরিয়ে যায়, চোখে ঘুম ঘুম ভাব, কাজে মন বসে না! যদি নিয়মিত এমনটা হয়, তাহলে আপনার শরীর খাবার থেকে প্রয়োজনীয় পুষ্টি কতটা ভালোভাবে হজম ও শোষণ করতে পারছে, সে সম্পর্কে সচেতন হতে হবে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, আয়ুর্বেদে ওজসকে শরীরের শক্তি ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার সঙ্গে সম্পর্কিত বলে মনে করা হয়, যা সুস্থ হজম ও পুষ্টির সঠিক ব্যবহারের সঙ্গে যুক্ত। পাচনতন্ত্র ঠিকভাবে কাজ না করলে ভালো খাদ্যাভ্যাস ও পর্যাপ্ত ঘুম থাকা সত্ত্বেও ক্লান্তি অনুভূত হতে পারে।
তাই বিকেলের এই অবসাদ কাটাতে দৈনন্দিন রুটিনে কয়েকটি সহজ পরিবর্তন আনতে পারেন।
খেজুরের সঙ্গে ঘি
শরীরে দ্রুত ও দীর্ঘস্থায়ী শক্তি জোগাতে একটি খেজুরের সঙ্গে এক চা চামচ ঘি খেতে পারেন। খেজুরে রয়েছে প্রাকৃতিক শর্করা, ঘিতে রয়েছে ফ্যাট। এই সংমিশ্রণ ধীরে ধীরে শক্তি সরবরাহ করতে সাহায্য করে। ফলে, হঠাৎ শক্তি বাড়ার পর দ্রুত কমে যাওয়ার পরিবর্তে কিছুটা দীর্ঘ সময় সতেজ থাকা সম্ভব হতে পারে।
জাফরান দুধ
মেজাজ ভালো রাখতে জাফরান উপকারী বলে মনে করা হয়। ১-২টি জাফরানের আঁশ সারারাত পানিতে ভিজিয়ে রাখতে পারেন। সকালে সেই পানি যেকোনো দুধের সঙ্গে মিশিয়ে পান করতে পারেন। সতেজ ও ভালো মেজাজের জন্য এটি সকালে খেতে পারেন। আবার চাইলে ঘুমানোর আগেও পান করা যেতে পারে।
রাতে ভারী খাবার এড়িয়ে চলুন
ঘুমানোর ঠিক আগে ভারী খাবার খেলে শরীরকে খাবার হজমের জন্যও কাজ করতে হয়। এতে ঘুমের স্বাভাবিক প্রক্রিয়া ব্যাহত হতে পারে এবং পরদিন সকালে ঘুম থেকে ওঠার পরও ক্লান্ত বা অবসন্ন লাগতে পারে। তাই বিশেষজ্ঞরা সাধারণত ঘুমানোর অন্তত ৩-৪ ঘণ্টা আগে রাতের খাবার শেষ করার পরামর্শ দেন। খুব ভারী খাবার এড়িয়ে হালকা ও পরিমিত রাতের খাবার খাওয়াও উপকারী।
সময়ের আলো/মহু