মহাকাশে অস্ত্র মোতায়েন করার কথা প্রথমবারের মতো আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকার করেছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন মহাকাশ বাহিনী জানিয়েছে, দেশটির হাতে কক্ষপথে মোতায়েন করা এমন অস্ত্র রয়েছে, যা শত্রুর হামলা থেকে মার্কিন সামরিক বাহিনীকে রক্ষা করতে ব্যবহার করা যেতে পারে। এনডিটির খবর।
মার্কিন বিমানবাহিনীর সচিব ট্রয় মেইঙ্ক মেরিল্যান্ডে অনুষ্ঠিত এক সম্মেলনে এ তথ্য জানান। তবে মহাকাশে ঠিক কী ধরনের অস্ত্র মোতায়েন করা হয়েছে, সে বিষয়ে তিনি বিস্তারিত কিছু বলেননি।
তিনি জানান, এসব অস্ত্রকে ‘অন-অরবিট’ বা কক্ষপথে থাকা অস্ত্র বলা হচ্ছে। মহাকাশে বাড়তে থাকা হুমকি মোকাবেলায় এগুলো ব্যবহার করা হবে।
রাশিয়া ও চীনকে নিয়ে উদ্বেগ
যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান দুই প্রতিদ্বন্দ্বী রাশিয়া ও চীন মহাকাশে সামরিক সক্ষমতা বাড়াচ্ছে বলে জানিয়েছে মার্কিন মহাকাশ বাহিনী।
চীন সামরিক আধুনিকায়নের অংশ হিসেবে মহাকাশ ও স্যাটেলাইটবিরোধী প্রযুক্তি তৈরি করছে। অন্যদিকে রাশিয়া মহাকাশকে ভবিষ্যৎ যুদ্ধের একটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র হিসেবে বিবেচনা করে।
মহাকাশে অস্ত্র নিয়ে পুরোনো প্রতিযোগিতা
১৯৫৭ সালে সোভিয়েত ইউনিয়ন স্পুটনিক স্যাটেলাইট মহাকাশে পাঠানোর পর থেকেই যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার মধ্যে মহাকাশ নিয়ে সামরিক প্রতিযোগিতা শুরু হয়।
১৯৬৭ সালের আউটার স্পেস চুক্তিতে মহাকাশে গণবিধ্বংসী অস্ত্র মোতায়েন নিষিদ্ধ করা হয়। তবে স্যাটেলাইট অচল করা বা ধ্বংস করার মতো বিভিন্ন সামরিক প্রযুক্তি তৈরির চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে বড় দেশগুলো।
যুক্তরাষ্ট্র জানিয়েছে, তাদের নতুন মহাকাশ অস্ত্র আক্রমণাত্মক ও প্রতিরক্ষামূলক, দুই ধরনের কাজেই ব্যবহার করা যেতে পারে।
সময়ের আলো/ইউএমএইচ