স্বর্ণ পদকের স্বপ্ন থেমেছে সেমিফাইনালেই। এবার অন্তত ব্রোঞ্জ পদক নিয়ে এশিয়ান গেমস শেষ করার লড়াই বাংলাদেশের সামনে। একই লক্ষ্য পাকিস্তানের মেয়েদেরও। সেমিফাইনালে বড় ব্যবধানে হারের পর দুদলের সামনে এখন একটাই সুযোগ, শেষ ম্যাচে ঘুরে দাঁড়িয়ে এশিয়ান গেমসের ক্রিকেট প্রতিযোগিতা থেকে একটি পদক নিয়ে ফেরা। ২২ সেপ্টেম্বর নিশিনের কোরোগি স্পোর্টস পার্কে মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ নারী ও পাকিস্তান নারী ক্রিকেট দল।
দুদলই নিজেদের সেমিফাইনাল হেরে ব্রোঞ্জ পদকের ম্যাচে এসেছে। ফলে ম্যাচটি উভয় দলের জন্যই গুরুত্বপূর্ণ। প্রথম সেমিফাইনালে শ্রীলঙ্কার কাছে ৮ উইকেটে হেরেছে পাকিস্তান। আগে ব্যাট করে ১৭৭ রানের বড় সংগ্রহ গড়েও ম্যাচ জিততে পারেনি তারা। শাওয়াল জুলফিকার ৫০ বলে ৫৪ রান করে ভালো শুরু এনে দেন। এরপর ৪০ বলে ৭১ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলেন আয়েশা জাফর, তার স্ট্রাইক রেট ছিল ১৭৭।
তবে বড় লক্ষ্য দিয়েও বোলিংয়ে সেটি ধরে রাখতে পারেনি পাকিস্তান। ফাতিমা সানা ও নাশরা সান্ধু একটি করে উইকেট নেন। শাওয়াল জুলফিকার শেষ নয় ম্যাচে ৩৩ গড়ে করেছেন ২৯৭ রান। আয়েশা জাফর শেষ ১০ ম্যাচে ২১.২ গড়ে করেছেন ২১২ রান।
বল হাতে ফাতিমা সানা শেষ সাত ম্যাচে ১৫ উইকেট নিয়েছেন, ইকোনমি ৬.২৬। নাশরা সান্ধুর শিকার শেষ ১০ ম্যাচে ১৩ উইকেট।
অন্যদিকে দ্বিতীয় সেমিফাইনালে ভারতের কাছে ১১৪ রানের বড় ব্যবধানে হেরেছে বাংলাদেশ। ভারত ১৯৫ রান করার পর বাংলাদেশ অলআউট হয়েছে মাত্র ৮১ রানে। ব্যাটিংয়ে শুরু থেকেই নিয়মিত উইকেট হারিয়েছে বাংলাদেশ। সর্বোচ্চ ২৭ রান করেছেন দিলারা আক্তার, ২৩ বলে।
বোলিংয়েও ভারতকে শুরুতে চাপে ফেলতে পারেনি বাংলাদেশ। মারুফা আক্তার, সানজিদা আক্তার মেঘলা, রাবেয়া খান ও নাহিদা একটি করে উইকেট নেন।
ব্যাট হাতে বাংলাদেশের ভরসা নিগার সুলতানা। শেষ ১০ ম্যাচে ২১.৩৩ গড়ে তার রান ১৯২। একই সময়ে সোবহানা মোস্তারির রান ১৯৩, গড় ১৯.৩।
বল হাতে মারুফা আক্তার শেষ ১০ ম্যাচে নিয়েছেন ১৪ উইকেট, ইকোনমি ৬.৬২। নাহিদা আক্তারও আছেন ভালো ফর্মে, শেষ নয় ম্যাচে তার শিকার ১৩ উইকেট। সেমিফাইনালের হতাশা পেছনে ফেলে এবার দুদলের লক্ষ্য একটাই, ব্রোঞ্জ পদক নিয়ে দেশে ফেরা।
সময়ের আলো/প্রিন্ট/টিকে