শেরপুরে কালোবাজারে সার বিক্রি, ১৫ ডিলার কারাগারে

শেরপুর প্রতিনিধি

সারাদেশ

শেরপুরে সরকারি বরাদ্দের প্রায় ১৪ কোটি টাকার বিভিন্ন ধরনের সার কালোবাজারে বিক্রির অভিযোগে দায়ের করা মামলায় ১৫ সার ডিলারকে কারাগারে

2026-09-22T19:14:58+00:00
2026-09-22T19:14:58+00:00
 
  মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬,
৭ আশ্বিন ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সারাদেশ
শেরপুরে কালোবাজারে সার বিক্রি, ১৫ ডিলার কারাগারে
শেরপুর প্রতিনিধি
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:১৪ পিএম 
১৫ সার ডিলারকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। ছবি : সময়ের আলো
শেরপুরে সরকারি বরাদ্দের প্রায় ১৪ কোটি টাকার বিভিন্ন ধরনের সার কালোবাজারে বিক্রির অভিযোগে দায়ের করা মামলায় ১৫ সার ডিলারকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। একই মামলায় হাজির হওয়া অপর এক আসামিকে জামিন দিয়েছেন আদালত।

মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে শেরপুর জেলা ও দায়রা জজ আদালতে মামলার ১৬ আসামি হাজির হয়ে জামিন আবেদন করেন। শুনানি শেষে জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ জহিরুল কবির একজনের জামিন মঞ্জুর করেন। উচ্চ আদালতের জামিনের মেয়াদ শেষ হওয়ায় বাকি ১৫ আসামিকে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন তিনি।

জেলহাজতে যাওয়া আসামিরা হলেন- সুফিয়া বেগম, মো. রফিকুল ইসলাম, সুবর্ণা সাহা রায়, মরিয়ম আক্তার মুন্নি, মো. ফরহাদ আলী, তাপস নন্দী, সিরাজুল ইসলাম, ছামিদুল ইসলাম ফারাজী, বোরহান উদ্দিন, মাজাহারুল ইসলাম, আনোয়ার হোসেন, মনিরুজ্জামান মনির, প্রশান্ত সাহা, মো. রতন মিয়া ও মো. বাদশা মিয়া।

মামলার এজাহারভুক্ত ২০ আসামিই এর আগে উচ্চ আদালত থেকে আট সপ্তাহের জামিন নিয়েছিলেন। তাদের মধ্যে মঙ্গলবার ১৬ জন নিম্ন আদালতে হাজির হয়ে জামিন আবেদন করেন। আদালত তাদের মধ্যে একজনের জামিনের মেয়াদ থাকায় জামিন মঞ্জুর করেন। অপর ১৫ জনের উচ্চ আদালতের জামিনের মেয়াদ শেষ হওয়ায় তাদের জেলহাজতে পাঠানো হয়।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ২৪ জুন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নুসরাত জাহানের নেতৃত্বে একটি দল শেরপুর শহরের নিউমার্কেট, রঘুনাথ বাজার, নতুন বাসস্ট্যান্ডসহ সদর উপজেলার বিভিন্ন সার ডিলারের দোকান পরিদর্শন করে। এসময় সার ব্যবস্থাপনা আইন, ২০০৬-এর ৯(২) ধারা অনুযায়ী বিভিন্ন অনিয়মের তথ্য পাওয়া যায়। পরে সংশ্লিষ্ট ডিলারদের সার বিক্রির রেজিস্টার ও ক্যাশ মেমো জব্দ করে যাচাই-বাছাই করা হয়।


এজাহারে বলা হয়েছে, অধিক মুনাফার আশায় আসামিরা সরকারি বরাদ্দের ৪ হাজার ৪১২ টন ইউরিয়া সার, ৮২১ টন ডিএপি, ১৩৪ টন টিএসপি ও অন্যান্য সার কালোবাজারে বিক্রি করেন। এসব সারের আনুমানিক মূল্য প্রায় ১৪ কোটি ৩৪ লাখ টাকা। এর মধ্যে ইউরিয়া সারের মূল্য প্রায় ১১ কোটি ৯১ লাখ ২৪ হাজার টাকা, ডিএপি সারের মূল্য প্রায় ১ কোটি ৭২ লাখ ৪১ হাজার টাকা, টিএসপি সারের মূল্য প্রায় ৩৬ লাখ ১৮ হাজার টাকা এবং অন্যান্য সার বাবদ প্রায় ৩৪ লাখ ৪০ হাজার টাকা উল্লেখ করা হয়েছে।

গত ২২ জুলাই শেরপুর সদর উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মো. আনোয়ার হোসেন বাদী হয়ে বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলাটি করেন।

মামলার বিষয়ে সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) আব্দুল মান্নান বলেন, উচ্চ আদালতের জামিনের মেয়াদ শেষ হওয়ায় ১৫ আসামিকে জেলহাজতে পাঠিয়েছেন আদালত। এদের মধ্যে একজনের জামিনের মেয়াদ থাকায় পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করে জামিন দেন আদালত।

সময়ের আলো/এনএন

  বিষয়:   শেরপুর  কালোবাজার  সার বিক্রি  কারাগার  সময়ের আলো 


Advertisement
Loading...
Loading...
সারাদেশ- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
Advertisement
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: