কুড়িগ্রামে দুধকুমার নদের ভাঙনে বিলীন বিস্তীর্ণ এলাকা

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি

সারাদেশ

কুড়িগ্রামে দুধকুমার নদের ভাঙনে বিস্তীর্ণ এলাকা বিলীন হয়েছে। তীব্র ভাঙনের কবলে পড়েছে বাড়িঘর, বসতভিটা, গাছপালা ও ফসলি জমিন। বারবার নদী

2026-09-24T15:18:36+00:00
2026-09-24T15:21:09+00:00
 
  বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬,
৯ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সারাদেশ
কুড়িগ্রামে দুধকুমার নদের ভাঙনে বিলীন বিস্তীর্ণ এলাকা
কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৩:১৮ পিএম  আপডেট: ২৪.০৯.২০২৬ ৩:২১ পিএম
দুধকুমার নদের ভাঙনে বিস্তীর্ণ এলাকা বিলীন হয়েছে। ছবি : সময়ের আলো
কুড়িগ্রামে দুধকুমার নদের ভাঙনে বিস্তীর্ণ এলাকা বিলীন হয়েছে। তীব্র ভাঙনের কবলে পড়েছে বাড়িঘর, বসতভিটা, গাছপালা ও ফসলি জমিন। বারবার নদী ভাঙনে সর্বস্বান্ত হয়ে যাচ্ছেন এ অঞ্চলের ভুক্তভোগী মানুষ।

কুড়িগ্রাম জেলার মধ্য দিয়ে ছোট-বড় ১৬টি নদ-নদীর মধ্যে অরক্ষিত ৭০টি পয়েন্টে চলছে তীব্র নদী ভাঙন। গত এক বছরে জেলার সদর উপজেলার যাত্রাপুর ইউনিয়নের বাণিয়াপাড়া গ্রামে নদী ভাঙনে বিলীন হয়েছে ৩ শতাধিক বাড়িঘরসহ ফসলি জমি। গত ১৫ দিনে বিলিন হয়েছে আরও ৭টি বাড়ি। নদী তীরবর্তী আরও ৫০টি বাড়ি রয়েছে ভাঙন আতঙ্কে। 

জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ড থেকে ভাঙনকবলিত স্থানে জিও ব্যাগ ফেললেও তা কোনো কাজে আসছে না। 


জেলা সদরের যাত্রাপুর ইউনিয়নের বাণিয়াপাড়া গ্রামের বাসিন্দা আল আমিন, রাশেদুল ইসলাম, সৈয়দ আশরাফ, আজিজুল ইসলামসহ অনেকেই বলেন, সময়ে অসময়ে নদীর পাড় ধসে ভেঙে পড়ছে বাড়িঘর ও বসতভিটা। এলাকার মানুষের সহযোগিতা নিয়ে বাড়িঘর সরাতে হচ্ছে প্রতিনিয়ত। এমন ভাঙন অব্যাহত থাকলে প্রায় শতাধিক বাড়িঘর বিলীন হবে। সরকারের কাছে অনুরোধ করছি, দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার।

শাহ আলম নামে একজন স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, ‘কয়েকবার আমার বাড়িঘর ভেঙে গেছে, পরিবার পরিজন নিয়ে খুব বিপদে আছি। এখনো মাথা গোঁজার ঠাঁই পাইনি, প্রতিবেশীর জায়গায় ঘর করে আছি। দেনা করে ঘরবাড়ি অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।’

যাত্রাপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ আব্দুল গফুর বলেন, ‘ভাঙনকবলিত এলাকার বাসিন্দারা বারবার বাড়ি ভেঙে নিঃস্ব হচ্ছে। নতুনভাবে জায়গা কেনা, বাড়িঘর, নলকূপ, ল্যাট্রিন স্থাপনে অতিরিক্ত ব্যয় হচ্ছে। অথচ হতদরিদ্র পরিবারগুলো পাচ্ছে না সরকারি কিংবা বেসরকারি কোনো আর্থিক সহায়তা।’

কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রাকিবুল হাসান বলেন, ‘ভাঙনকবলিত স্থান পরিদর্শন করা হয়েছে। সেখানে জরুরি প্রতিরক্ষামূলক কাজ চলমান রয়েছে। স্থায়ী প্রতিরক্ষার জন্য একটি ডিপিপি প্রণয়ন প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। আশা করছি, স্বল্প সময়ের মধ্যে ডিপিপির সংস্কারকৃত কাজ বাস্তবায়িত হবে।’ 

সময়ের আলো/মহু


  বিষয়:   কুড়িগ্রাম  নদীভাঙন  সময়ের আলো 


Advertisement
Loading...
Loading...
সারাদেশ- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
Advertisement
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: