হোয়াইট হাউসে বিদেশি নেতাদের স্বাগত জানানোর প্রচলিত রীতি ভেঙে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংকে বিরল কূটনৈতিক সৌজন্য দেখিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। যুক্তরাষ্ট্র সফরে আসা শিকে স্বাগত জানাতে তিনি নিজেই সামরিক বিমানঘাঁটিতে উপস্থিত হন।
স্থানীয় সময় বুধবার সন্ধ্যায় চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের বিমান মেরিল্যান্ডের ‘জয়েন্ট বেস অ্যান্ড্রুজ’-এ অবতরণের পর বিমানের সিঁড়ির গোড়ায় দাঁড়িয়ে তাকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান ট্রাম্প।
জয়েন্ট বেস অ্যান্ড্রুজ হোয়াইট হাউস থেকে প্রায় ১৩ মাইল দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থিত।
বিদেশি কোনো নেতাকে স্বাগত জানাতে মার্কিন প্রেসিডেন্টের বিমানবন্দরে উপস্থিত হওয়ার ঘটনা বিরল। ১৯৬২ সালে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট জন এফ. কেনেডি ওয়াশিংটনের বিমানবন্দরে গিয়ে আইভরি কোস্টের প্রেসিডেন্ট ফেলিক্স উফুয়ে-বোয়িনিসহ কয়েকজন বিদেশি নেতাকে স্বাগত জানিয়েছিলেন।
তবে সাম্প্রতিক দশকগুলোতে পোপদের সফর ছাড়া এ ধরনের নজির খুব একটা দেখা যায়নি। ২০০৮ সালে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশ পোপ ষোড়শ বেনেডিক্টকে এবং ২০১৫ সালে প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা পোপ ফ্রান্সিসকে জয়েন্ট বেস অ্যান্ড্রুজে স্বাগত জানিয়েছিলেন।
ট্রাম্পের এই বিশেষ অভ্যর্থনার বিষয়ে হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র আনা কেলি মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওসকে বলেন, চলতি বছরের গ্রীষ্মে প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং চীনে এক ঐতিহাসিক সম্মেলনে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে আন্তরিক আতিথেয়তা দিয়েছিলেন। চীনা প্রতিনিধিদলকে স্বাগত জানিয়ে ট্রাম্প সেই আতিথেয়তারই প্রতিদান দিচ্ছেন।
আনা কেলি বলেন, আমেরিকান জনগণের সমৃদ্ধি ও জাতীয় স্বার্থ রক্ষা হয়—এমন যেকোনো ভালো চুক্তির জন্য প্রেসিডেন্ট যেকোনো বিশ্বনেতার সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখতে প্রস্তুত।
সূত্র : মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস
সময়ের আলো/জেডি