ভালোবাসার অপূর্ণতা আর বিরহের গল্প নিয়ে কোক স্টুডিও বাংলা সিজন ৪-এর পঞ্চম গান ‘মথুরা’ মুক্তি পেয়েছে। আর গানটি প্রকাশের মাত্র এক দিনের মধ্যেই পেরিয়েছে ১০ লাখ ভিউয়ের মাইলফলক।
একই সময়ে গানটি নিয়ে মন্তব্য এসেছে প্রায় আড়াই হাজার। এর মধ্যে অধিকাংশ মন্তব্যেই শ্রোতাদের উচ্ছ্বসিত প্রশংসা দেখা গেছে। ‘লং ডিসট্যান্স লাভ’ খ্যাত শিল্পী অঙ্কন কুমার রায়ের কথা ও সুরে তৈরি হয়েছে ‘মথুরা’ গানটি।
আর এতে কণ্ঠ দিয়েছেন সানজিদা মাহমুদ নন্দিতা ও অঙ্কন নিজেই। সংগীত আয়োজন করেছেন শুভেন্দু দাস শুভ। সেমি-ক্লাসিক্যাল ঘরানার এই গানটিতে ফুটে উঠেছে বিরহ, না বলা অনুভূতি এবং অপূর্ণ ভালোবাসার আকুলতা।
গানটির প্রকাশের পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও কোক স্টুডিও বাংলার ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে শ্রোতাদের মধ্যে তৈরি হয়েছে ব্যাপক আগ্রহ। মাত্র ২০ ঘণ্টায় ১০ লাখের বেশি ভিউ সেই আগ্রহেরই প্রতিফলন। মন্তব্যের ঘরেও শ্রোতারা গানটির কথা, সুর, কণ্ঠ ও ভিডিও নির্মাণের প্রশংসা করছেন।
‘মথুরা’র বিশেষত্ব শুধু গানেই নয়, এর সঙ্গে জুড়ে দেওয়া হয়েছে একটি গল্পও। নব্বই দশকের প্রেক্ষাপটে নির্মিত মিউজিক ভিডিওটির মাধ্যমে একটি অপূর্ণ ভালোবাসার গল্প বলার চেষ্টা করেছেন নির্মাতা আজমান রুশো। ‘রকস্টার’ খ্যাত এই নির্মাতার জন্য এটি কোক স্টুডিও বাংলায় প্রথম কাজ।
গানটির কনসেপ্ট নিয়ে আজমান রুশো বলেন, গানটির মাধ্যমে প্রথমবারের মতো আমরা একটা গল্প বলার চেষ্টা করেছি। কোক স্টুডিও এর আগে কখনোই বাংলাদেশের গল্পকে বেইজ করে গান তৈরি করেনি। গল্পটা নব্বই দশকের, এর মধ্য দিয়ে আমরা আহসান হাবীবের ‘দু তলার ল্যান্ডিং’ নামের একটি কবিতাকে ট্রিবিউট দেওয়ার চেষ্টা করেছি।
গানের গল্পে যে অপূর্ণ ভালোবাসার আবহ, তার সঙ্গে মিশে আছে বাংলা সাহিত্যের চেনা আবেগ। রাধা-কৃষ্ণ, রোমিও-জুলিয়েট কিংবা লায়লা-মজনুর মতো যুগলদের গল্পে যে ভালোবাসা পূর্ণতার বদলে আকুলতা ও বিরহের কারণে অমর হয়ে আছে, ‘মথুরা’ যেন সেই অনুভূতিকেই সমকালীন সংগীতের ভাষায় তুলে ধরেছে।
সময়ের আলো/প্রিন্ট/এমকে