অস্ট্রেলিয়ায় উচ্চশিক্ষার সুযোগ এখনো বন্ধ হয়নি, তবে ২০২৬ সালে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য বেড়েছে খরচ ও ভিসা প্রস্তুতির গুরুত্ব। নতুন নীতি ও অভিবাসন নিয়ে নানা খবরের কারণে অনেকের মধ্যে অস্ট্রেলিয়ায় পড়াশোনা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।
২০২৬ সালের প্রথম পাঁচ মাসের সরকারি হিসাবে, অস্ট্রেলিয়ার আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের শীর্ষ পাঁচ উৎস দেশের মধ্যে বাংলাদেশ রয়েছে। ২০২৭ সালে নতুন আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী গ্রহণের পরিকল্পিত সংখ্যা রাখা হয়েছে ২ লাখ ৯৫ হাজার।
তবে ভিসার খরচ বেড়েছে। ১ জুলাই ২০২৬ থেকে শিক্ষার্থী ভিসার আবেদন ফি ২ হাজার থেকে বেড়ে ২ হাজার ৫০০ অস্ট্রেলিয়ান ডলার হয়েছে। ১২ মাসের জীবনযাপনের জন্য প্রয়োজনীয় ন্যূনতম আর্থিক সক্ষমতার নির্ধারিত অঙ্ক ২৯ হাজার ৭১০ অস্ট্রেলিয়ান ডলার।
শুধু অর্থ থাকলেই ভিসা মিলবে না। কেন নির্দিষ্ট কোর্স ও প্রতিষ্ঠান বেছে নেওয়া হয়েছে এবং পড়াশোনার সঙ্গে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার সম্পর্ক কী, সেসব বিষয়ও গুরুত্ব পাচ্ছে।
সাধারণ শিক্ষার্থীরা পড়াশোনার সময় দুই সপ্তাহে সর্বোচ্চ ৪৮ ঘণ্টা কাজ করতে পারেন। তবে খণ্ডকালীন আয়ের ওপর পুরো শিক্ষার খরচ নির্ভর করে পরিকল্পনা করা ঠিক নয়।
তাই অস্ট্রেলিয়ায় পড়তে চাইলে ভিসার নিয়ম, কোর্স, বিশ্ববিদ্যালয়, খরচ ও প্রয়োজনীয় নথি সরকারি ওয়েবসাইটে যাচাই করে আবেদন করাই গুরুত্বপূর্ণ। দরজা খোলা আছে, কিন্তু প্রস্তুতি হতে হবে আগের চেয়ে বেশি পরিকল্পিত।
সময়ের আলো/এমকে