রাজধানীর শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে দায়িত্বরত বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদস্যদের তৎপরতায় শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) পৃথক ঘটনায় ৫ জনকে আটক করা হয়। পরবর্তীতে আটকদের মধ্যে মো. জনি হোসেন (৩০) নামে একজন অসুস্থ হয়ে মারা গেছেন।
এদিন রাত আনুমানিক ৩টায় হাসপাতালের ছাদে এসির পাইপ কাটার সময় একজন, ভোর ৬টার দিকে মোবাইল চুরির অভিযোগে ৩ জন এবং একই সময়ে এক রোগীর স্বজনকে উত্ত্যক্ত করার অভিযোগে আরও একজনকে আটক করা হয়। পরবর্তীতে রোগীর স্বজনরা আটক ব্যক্তিদের আনসার সদস্যদের কাছে হস্তান্তর করেন।
আটক ব্যক্তিদের মধ্যে মোবাইল চুরির অভিযোগে আটক ৩ জন হলেন- মো. জনি হোসেন (৩০), জিহান (১২) ও নাদিম (১১)। এসির পাইপ কাটার অভিযোগে আটক ব্যক্তির নাম শাহাদত (৩৫) এবং উত্ত্যক্ত করার অভিযোগে আটক ব্যক্তির নাম আনিসুর (৩২)।
এ ঘটনায় দায়িত্বরত আনসার সদস্য এপিসি মো. শফিকুল ইসলাম, এপিসি মো. আব্দুর রাজ্জাক, আনসার মো. হাবিব খান ও আনসার মো. হাসান আলী আটক ব্যক্তিদের সকাল ৯টা ৪৫ মিনিটে হাসপাতালের ওয়ার্ড মাস্টার মো. রেজাউলের কাছে সম্পূর্ণ সুস্থ ও স্বাভাবিক অবস্থায় হস্তান্তর করেন। পরবর্তীতে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এসির পাইপ কাটার অভিযোগে আটক ব্যক্তি ও উত্ত্যক্ত করার অভিযোগে আটক ব্যক্তিকে ছেড়ে দেয়। তবে, অভিযোগকারীর মোবাইল ফোন ফেরত না দেওয়ায় মোবাইল চুরির অভিযোগে আটক ৩ জনকে হাসপাতালের ওয়ার্ড মাস্টার ও সুপারভাইজার সুমন একটি কক্ষে আটকে রাখেন বলে জানা যায়।
তাদের মধ্যে মোবাইল চুরির অভিযোগে আটক জনি হোসেন বিকেল ৩টার দিকে অসুস্থ হয়ে পড়লে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাকে জরুরি বিভাগে নিয়ে যায়। পরবর্তীতে আনুমানিক বিকেল ৫টায় তার মৃত্যু হয় বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। এ ঘটনায় পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে তদন্ত ও সংশ্লিষ্টদের জিজ্ঞাসাবাদ করছে। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ ও ঘটনার সার্বিক পরিস্থিতি তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া যাবে।
সময়ের আলো/মহু