‘ডিজিটাল রূপান্তর ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় আগামীর পর্যটন’ প্রতিপাদ্য সামনে রেখে বিশ্ব পর্যটন দিবস-২০২৬ উপলক্ষে ঝালকাঠিতে বর্ণাঢ্য র্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৯টায় জেলা প্রশাসনের আয়োজনে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে থেকে র্যালিটি বের হয়। শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে একই স্থানে গিয়ে র্যালিটি শেষ হয়।
র্যালিতে অংশ নেন জেলা প্রশাসক মো. মমিন উদ্দীন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. কাওছার হোসেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) তৌহিদুল ইসলাম, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সেগুফতা মেহনাজ, ঝালকাঠি প্রেস ক্লাবের সভাপতি ও নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের পিপি মো. আককাস সিকদার, বাস মালিক সমিতির সভাপতি আনিছুর রহমান তাপু, জেলা বন কর্মকর্তা মো. জাকিরুল হক সরকারসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।
র্যালি শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন জেলা প্রশাসক মো. মমিন উদ্দীন। তিনি পর্যটন খাতে ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানো এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মাধ্যমে এ খাতকে আরও আধুনিক ও আকর্ষণীয় করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
জেলা প্রশাসক বলেন, ঝালকাঠি পর্যটনের জন্য একটি সম্ভাবনাময় জেলা। নদী, খাল, সবুজ প্রকৃতি ও ঐতিহাসিক স্থাপনাকে ঘিরে এখানে পর্যটন বিকাশের ব্যাপক সুযোগ রয়েছে। পর্যটন খাতের উন্নয়নের মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের পাশাপাশি স্থানীয় অর্থনীতি ও কর্মসংস্থানের সুযোগও বাড়ানো সম্ভব।
তিনি বলেন, সরকারের উন্নয়ন পরিকল্পনার অংশ হিসেবে ঝালকাঠির পর্যটন সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্যবিষয়ক বিশেষ সহকারী ডা. এস. এম. জিয়াউদ্দিন হায়দারের বিশেষ সুপারিশে ঝালকাঠির ধানসিঁড়ি ইকো পার্কে কালচারাল ভিলেজ নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এসব উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে ঝালকাঠির পর্যটন খাতে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হবে এবং দেশি-বিদেশি পর্যটকদের আকৃষ্ট করা আরও সহজ হবে বলে জানান তিনি।
সময়ের আলো/জোই