জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে অংশ নিতে নিউইয়র্ক সফর শেষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জাপান, তুরস্ক ও সৌদি আরব সফরের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা চলছে। আগামী অক্টোবর ও নভেম্বরে এসব সফর হতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। তবে সফরের তারিখ এখনও চূড়ান্ত হয়নি।
জাপান ও সৌদি আরবের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রীকে আলাদাভাবে দ্বিপক্ষীয় সফরের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। পাশাপাশি ৯ থেকে ২০ নভেম্বর তুরস্কের আনতালিয়ায় অনুষ্ঠেয় কপ-৩১ সম্মেলনেও প্রধানমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানান, ২৫ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদানের সঙ্গে বৈঠক করেন। সেখানে কপ-৩১ সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণের বিষয়টি নিয়েও আলোচনা হয়।
এদিকে, বাংলাদেশ ও জাপানের সম্পর্ক আরও জোরদারের লক্ষ্যে জাপান প্রধানমন্ত্রীকে সরকারি সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছে। প্রাথমিক আলোচনায় অক্টোবরের শেষ সপ্তাহে জাপান সফরের সম্ভাবনা রয়েছে বলে একটি কূটনৈতিক সূত্র জানিয়েছে। তবে এ বিষয়ে এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।
সৌদি আরবের যুবরাজ ও প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ বিন সালমানও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে সৌদি আরব সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। দুই দেশের সম্পর্ক আরও জোরদার করা এবং আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনার জন্য এই আমন্ত্রণ দেওয়া হয়েছে। পারস্পরিক সুবিধাজনক সময় ঠিক হলে নভেম্বরে সৌদি আরব সফর হতে পারে।
এদিকে, ভারতের কয়েকটি গণমাধ্যমে দাবি করা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নভেম্বর অথবা ডিসেম্বরের শুরুতে ভারত সফর করতে পারেন। তবে এ সফরের বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তারিখ চূড়ান্ত হয়নি।
নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দেওয়ার পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী চার কর্মদিবসে তুরস্ক, ইরান, পাকিস্তান, ক্রোয়েশিয়া, হাইতি, ভুটান ও থাইল্যান্ডের সরকার ও রাষ্ট্রপ্রধানদের সঙ্গে বৈঠক করেন।
এসব বৈঠকে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক, আঞ্চলিক পরিস্থিতি এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
সময়ের আলো/ইউএমএইচ