ইসলামি ক্রেডিট কার্ডে মদ-জুয়াসহ নিষিদ্ধ খাতে লেনদেন রোধে নির্দেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক

অর্থনীতি

ইসলামিক ক্রেডিট কার্ড ব্যবহারে পূর্ণাঙ্গ নীতিমালা জারি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। শরিয়াহবহির্ভূত লেনদেন ঠেকাতে ব্যাংকগুলোকে স্বয়ংক্রিয় ‘মার্চেন্ট ক্যাটাগরি কোড’ (এমসিসি) ফিল্টারিং

2026-09-30T01:18:53+00:00
2026-09-30T01:40:39+00:00
 
  বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬,
১৫ আশ্বিন ১৪৩৩
বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
অর্থনীতি
ইসলামি ক্রেডিট কার্ডে মদ-জুয়াসহ নিষিদ্ধ খাতে লেনদেন রোধে নির্দেশ
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:১৮ এএম  আপডেট: ৩০.০৯.২০২৬ ১:৪০ এএম
প্রতীকী ছবি
ইসলামিক ক্রেডিট কার্ড ব্যবহারে পূর্ণাঙ্গ নীতিমালা জারি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। শরিয়াহবহির্ভূত লেনদেন ঠেকাতে ব্যাংকগুলোকে স্বয়ংক্রিয় ‘মার্চেন্ট ক্যাটাগরি কোড’ (এমসিসি) ফিল্টারিং ব্যবস্থা চালুর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে মদ বিক্রির প্রতিষ্ঠান, জুয়ার প্রতিষ্ঠান, প্রচলিত বিমা, শূকর প্রক্রিয়াজাতকরণ এবং সুদভিত্তিক আর্থিক সেবার মতো নির্দিষ্ট খাতে লেনদেন স্বয়ংক্রিয়ভাবে প্রত্যাখ্যান করা হবে। 

সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকের ইসলামিক ব্যাংকিং রেগুলেশন অ্যান্ড পলিসি বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন দেশের সব ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকদের কাছে পাঠানো হয়েছে।

নীতিমালায় বলা হয়, ইসলামিক ক্রেডিট কার্ডের ভিত্তি হবে সুদমুক্ত ঋণ বা ‘কর্জে হাসানা’ এবং সেবামূল্য বা ‘উজরাহ’। কার্ডের বকেয়া, ঋণসীমা কিংবা বিল পরিশোধে দেরির ভিত্তিতে ব্যাংক কোনো মাশুল বাড়াতে পারবে না।

গ্রাহক নির্ধারিত সময়ে বিল পরিশোধে ব্যর্থ হলে বিলম্ব জরিমানা ব্যাংকের আয় হিসেবে নেওয়া যাবে না। তবে, চুক্তি অনুযায়ী নির্ধারিত অর্থ দাতব্য খাতে দেওয়ার অঙ্গীকার করতে হবে গ্রাহককে। এ অর্থ ব্যাংকের মূল আয় থেকে আলাদা হিসাবে রাখতে হবে এবং শরিয়াহ কমিটির তত্ত্বাবধানে দান করতে হবে।

কোনো গ্রাহক নিষিদ্ধ বা বেআইনি লেনদেন করলে ব্যাংককে তাৎক্ষণিকভাবে কার্ড বাতিল করে বাংলাদেশ ব্যাংককে জানাতে হবে।


কার্ড ব্যবহারে গ্রাহকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেও নির্দেশনা দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। নতুন কার্ড চালুর আগে ওয়ান-টাইম পাসওয়ার্ডের (ওটিপি) মাধ্যমে সম্মতি নিতে হবে। পাশাপাশি টু-ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। 

হারানো বা চুরি হওয়া কার্ড ব্লকের অনুরোধ পাওয়ার পর সাত কার্যদিবসের মধ্যে অননুমোদিত লেনদেনের অর্থ ফেরত দিতে হবে।

নীতিমালা অনুযায়ী, কার্ড ইস্যু, নবায়ন, প্রতিস্থাপন, নেটওয়ার্ক সুবিধা ও হিসাব রক্ষণাবেক্ষণের মতো নির্দিষ্ট সেবার বিপরীতে ব্যাংক উজরাহ বা মাশুল নিতে পারবে। তবে, তা গ্রাহকের বকেয়া বা ঋণের পরিমাণের সঙ্গে যুক্ত করা যাবে না।

বাংলাদেশ ব্যাংকে নিবন্ধিত ইসলামি ব্যাংক এবং প্রচলিত ব্যাংকের ইসলামিক শাখা বা উইন্ডো এ কার্ড ইস্যু করতে পারবে। বৈদেশিক মুদ্রা বা দ্বৈত মুদ্রার কার্ড চালুর ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ব্যাংককে অনুমোদিত ডিলার হতে হবে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মতে, শরিয়াহসম্মত লেনদেন নিশ্চিত করা, ব্যাংকের ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা উন্নত করা এবং গ্রাহকের অধিকার সুরক্ষার লক্ষ্যেই এ নীতিমালা করা হয়েছে। 

সময়ের আলো/জেডি 
  বিষয়:   ইসলামী ক্রেডিট কার্ড  মদ  জুয়া  নিষিদ্ধ খাত  লেনদেন 


Advertisement
Loading...
Loading...
অর্থনীতি- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
Advertisement
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: