ফিফা আসিয়ান কাপে নিজেদের শেষ ম্যাচে ইন্দোনেশিয়ার কাছে ৯-২ গোলে হেরেছে বাংলাদেশ। বড় ব্যবধানে এই হারের পর আবারও ফিরে এসেছে পুরোনো কিছু স্মৃতি।
বাংলাদেশের ফুটবল ইতিহাসে ৯ গোল হজম করার ঘটনা অবশ্য নতুন নয়। এর আগে তিনবার প্রতিপক্ষের জালে ৯ গোল দেখেছে লাল-সবুজের দল। সর্বশেষ এমন ঘটনা ঘটেছিল ১৯৮২ সালে।
১৯৭৫ সালে মারদেকা কাপে হংকংয়ের কাছে ৯-১ গোলে হেরেছিল বাংলাদেশ। ওই ম্যাচে বাংলাদেশের একমাত্র গোলটি করেছিলেন কাজী সালাউদ্দিন।
চার বছর পর, ১৯৭৯ সালে দক্ষিণ কোরিয়ার ইনচনে স্বাগতিকদের কাছে ৯-০ গোলে হারে বাংলাদেশ। এরপর ১৯৮২ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি করাচিতে কায়েদ-ই-আজম আন্তর্জাতিক কাপে ইরানের বিপক্ষেও ৯-০ গোলে হেরেছিল লাল-সবুজের দল।
বড় ব্যবধানে হারের তালিকায় আরও আছে ১৯৯৩ সালে বিশ্বকাপ বাছাইয়ে সংযুক্ত আরব আমিরাতের কাছে ৭-০ এবং একই বছর জাপানের কাছে ৮-০ গোলের হার। ২০১৬ সালে জর্ডানের কাছেও ৮ গোল হজম করেছিল বাংলাদেশ।
তবে আজকের ম্যাচের ব্যবধানের সঙ্গে আগের পরাজয়গুলোর একটি পার্থক্য আছে। জাকার্তায় ৯ গোল হজম করলেও ইন্দোনেশিয়ার জালে দুবার বল পাঠিয়েছে বাংলাদেশ। শাহরিয়ার ইমন বাংলাদেশের হয়ে প্রথম গোলটি করেন। এরপর ফারহান আলী ওয়াহিদ নিজের অভিষেক ম্যাচেই গোলের দেখা পান।
সময়ের আলো/জেডি