বৈধ ভিসা থাকলেই কোনো বিদেশি নাগরিকের ভারতে প্রবেশের অধিকার নিশ্চিত হয় না বলে রায় দিয়েছেন দিল্লি হাইকোর্ট। আদালত বলেছেন, দেশের নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্বের স্বার্থে অভিবাসন কর্তৃপক্ষ প্রয়োজন মনে করলে কোনো বিদেশিকে দেশে প্রবেশে বাধা দিতে পারে।
তুর্কমেনিস্তানের এক নারী নাগরিকের করা মামলার শুনানিতে আদালত এ পর্যবেক্ষণ দেন। ওই নারী বৈধ ব্যবসায়িক ভিসা নিয়ে ভারতে গেলেও ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ তাকে দেশে প্রবেশের অনুমতি না দিয়ে ফেরত পাঠায়। পরে তিনি ও তাঁর স্বামী এ সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন।
মামলাটি পর্যালোচনা করে আদালত জানতে পারে, ওই নারী এক বছরের মধ্যে প্রায় ৪৭ বার ভারতে যাতায়াত করেছিলেন। তাঁর অধিকাংশ সফরই ছিল স্বল্পমেয়াদি। এ ছাড়া ব্যবসায়িক ভিসা নেওয়ার পরও ভারতে তাঁর কোনো প্রকৃত ব্যবসা বা ব্যবসায়িক আমন্ত্রণের প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
আদালত স্পষ্ট করে, কোনো বিদেশি নাগরিকের ভিসা পাওয়া এবং ভারতে প্রবেশের সময় ইমিগ্রেশন ছাড়পত্র পাওয়া—দুটি পৃথক বিষয়। ভিসা থাকলেই সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে দেশে প্রবেশের অনুমতি দিতে হবে, এমন কোনো বাধ্যবাধকতা নেই।
বিচারপতিরা বলেন, বিদেশিদের প্রবেশাধিকার নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে দেশের নিরাপত্তা, সার্বভৌমত্ব ও প্রচলিত বিধিবিধান বিবেচনা করার এখতিয়ার ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষের রয়েছে।
সব দিক পর্যালোচনা করে আদালত ওই নারীকে ভারতে প্রবেশে বাধা দিয়ে ফেরত পাঠানোর সিদ্ধান্ত বহাল রাখেন।
সময়ের আলো/এসএকে