এল নিনোর তাণ্ডবে লাল হয়ে উঠছে পুরো পৃথিবী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক

বিশ্বজুড়ে ক্রমেই শক্তিশালী হয়ে উঠছে এল নিনো। আবহাওয়া বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এবারের এল নিনো নজিরবিহীন মাত্রায় পৌঁছাতে পারে। জাতিসংঘের আবহাওয়া ও

2026-10-08T23:19:49+00:00
2026-10-08T23:19:49+00:00
 
  বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর ২০২৬,
২৩ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর ২০২৬
আন্তর্জাতিক
এল নিনোর তাণ্ডবে লাল হয়ে উঠছে পুরো পৃথিবী
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:১৯ পিএম 
ছবি : সংগৃহীত
বিশ্বজুড়ে ক্রমেই শক্তিশালী হয়ে উঠছে এল নিনো। আবহাওয়া বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এবারের এল নিনো নজিরবিহীন মাত্রায় পৌঁছাতে পারে। জাতিসংঘের আবহাওয়া ও জলবায়ুবিষয়ক সংস্থা বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থাও (ডব্লিউএমও) জানিয়েছে, ১৯৫০ সালের পর দেখা সবচেয়ে শক্তিশালী এল নিনোগুলোর একটি হতে পারে এটি।

ডব্লিউএমও বলেছে, এল নিনোর প্রভাবে মানবসৃষ্ট জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাব আরও বাড়তে পারে। প্রশান্ত মহাসাগর বিপুল পরিমাণ সঞ্চিত তাপ ছেড়ে দেওয়ায় বিশ্বের বড় একটি অংশে অস্বাভাবিক উষ্ণ আবহাওয়া দেখা দিতে পারে।

আবহাওয়াবিদ রায়ান মাউ পৃথিবীর জলবায়ুর একটি মানচিত্র এক্সে পোস্ট করে লিখেছেন, ‘পৃথিবী প্রায় পুরোটাই লাল।’ তার মতে, শীতকালেও সর্বোচ্চ শক্তিতে এল নিনো অব্যাহত থাকবে। যুক্তরাষ্ট্র ছাড়া বিশ্বের প্রায় সব জায়গাতেই এর উষ্ণতার প্রভাব পড়তে পারে।

ডব্লিউএমও-এর পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০২৭ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত এল নিনো স্থায়ী হতে পারে। জলবায়ুবিজ্ঞানী জেক হাউসফাদার বলেছেন, এবারের এল নিনো ‘অজানা অঞ্চলে’ প্রবেশ করছে। তার দাবি, নিনো ৩.৪ অঞ্চলের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে এখন ৩.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি, যা এ পর্যন্ত রেকর্ড করা যেকোনো এল নিনোর তুলনায় বেশি। 

আবহাওয়া বিশেষজ্ঞ লিওন সিমন্স এবারের পরিস্থিতিকে বলেছেন, ‘সুপার-ডুপার এল নিনো’। ডব্লিউএমও জানিয়েছে, ২০২৬ সালের শেষ দিকে বিশ্বের বড় একটি অংশে সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি থাকার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে। মধ্য ও পূর্বাঞ্চলীয় ক্রান্তীয় প্রশান্ত মহাসাগরে অক্টোবর থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে সর্বোচ্চ ৩.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি হতে পারে।


এল নিনো হলো প্রাকৃতিক এল নিনো-সাউদার্ন অসিলেশন (ইএনএসও) চক্রের উষ্ণ পর্যায়। এর প্রভাবে বৈশ্বিক তাপমাত্রা বাড়ে এবং বৃষ্টিপাতের স্বাভাবিক ধরন বদলে যায়। ফলে কোথাও খরা, আবার কোথাও বন্যা দেখা দিতে পারে।

এদিকে শিকাগো বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাইমেট ইমপ্যাক্ট ল্যাবের গবেষকরা সতর্ক করেছেন, এবারের ‘সুপার এল নিনো’র কারণে বিশ্বজুড়ে ৪ লাখ ৫১ হাজার পর্যন্ত অতিরিক্ত মৃত্যু হতে পারে। তাদের হিসাবে, ২০২৬ সালের জুন থেকে ২০২৭ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত এ ধরনের মৃত্যুর ঘটনা ঘটতে পারে।

সময়ের আলো/প্রিন্ট/জেডি 
  বিষয়:   এল নিনো  তাণ্ডব  পৃথিবী  সময়ের আলো 


Advertisement
Loading...
Loading...
আন্তর্জাতিক- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
Advertisement
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: