অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজের প্রথম ম্যাচে বড় ব্যবধানে হারলেও বেশ কিছু ইতিবাচক দিক খুঁজে পেয়েছেন বাংলাদেশ অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতি। বিশেষ করে অভিষেক ম্যাচে হাবিবা ইসলাম পিংকির আগ্রাসী মানসিকতা এবং বোলারদের নিয়ন্ত্রিত পারফরম্যান্সে সন্তুষ্ট তিনি।
শুক্রবার ব্রিসবেনে সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে বাংলাদেশকে ৭ উইকেটে হারিয়েছে অস্ট্রেলিয়া। আগে ব্যাট করে ১৬৬ রানে অলআউট হয় বাংলাদেশ। জবাবে ফোবি লিচফিল্ডের ৫৭ বলে ৭৭ রানের ঝড়ো ইনিংসে ভর করে ২৪.২ ওভার হাতে রেখেই জয় নিশ্চিত করে স্বাগতিকরা। তিন ম্যাচের সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেছে অস্ট্রেলিয়া।
ম্যাচ শেষে জ্যোতি বলেন, ‘অনেক ইতিবাচক দিক আছে। হাবিবা পিংকি আগ্রাসী ছিল, আক্রমণাত্মক বোলিং করেছে। যার হাতেই বল গেছে, সে সঠিক জায়গায় বল করার চেষ্টা করেছে। এই ইতিবাচক দিকগুলো পরের ম্যাচেও ধরে রাখতে হবে।’ অভিষেকেই বল হাতে নজর কেড়েছেন হাবিবা। তার শিকার দুটি উইকেট। বাংলাদেশের বোলাররা অস্ট্রেলিয়ার তিনটি উইকেট নিতে পারলেও লিচফিল্ডের ঝড়ো ব্যাটিং এবং এলিস পেরির সঙ্গে তার ৯০ রানের জুটি ম্যাচ থেকে ছিটকে দেয় বাংলাদেশকে।
তবে বাংলাদেশের বড় দুশ্চিন্তার জায়গা ব্যাটিং। ইনিংসের প্রথম বলেই ফারজানা হককে হারায় দল। এরপর দ্রুত আরও দুটি উইকেট হারিয়ে ৩৩ রানেই তিন উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে বাংলাদেশ। শেষ পর্যন্ত ৪৯.৪ ওভারে ১৬৬ রানে গুটিয়ে যায় তারা। অধিনায়ক জ্যোতি ৮৬ বলে ২৯ রান করেন। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৪৫ রান আসে রিতু মনির ব্যাট থেকে। তবে জুটি গড়ে তুলতে না পারায় প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ সংগ্রহ দাঁড় করানো সম্ভব হয়নি বলে স্বীকার করেছেন জ্যোতি। তিনি বলেন, ‘আমরা জুটি গড়তে পারিনি, তাই পথ হারিয়ে ফেলেছি।’
নতুন বলের বিপক্ষে আরও সতর্ক হওয়ার ওপরও জোর দিয়েছেন তিনি। পাওয়ারপ্লেতে দ্রুত উইকেট হারানো এড়াতে ব্যাটারদের শান্ত থেকে ধৈর্য ধরে খেলার পরামর্শ জ্যোতির, ‘নতুন বলের বিপক্ষে আমাদের সতর্ক থাকতে হবে। পাওয়ারপ্লেতে এতগুলো উইকেট হারানো যাবে না। নিয়ন্ত্রণ নিতে শান্ত ও ধৈর্যশীল হতে হবে।’
সিরিজে সমতা ফেরাতে দ্বিতীয় ওয়ানডেতে ব্যাটিংয়ের দুর্বলতা কাটিয়ে ওঠার পাশাপাশি প্রথম ম্যাচের ইতিবাচক দিকগুলো কাজে লাগাতে চাইবে বাংলাদেশ।
সময়ের আলো/আতা