সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হামলায় দুই বাংলাদেশি নিহত ও ২৪ জন আহত হয়েছেন। আহতদের রিয়াদের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। এ ঘটনায় বিমানবন্দরে প্রায় ৫০০ বাংলাদেশি যাত্রীও আটকে পড়েছিলেন। সোমবার (১২ অক্টোবর) পররাষ্ট্র ও প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রণালয় সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
নিহত দুই বাংলাদেশি
নিহত শাহেদ আহম্মদের বাড়ি বগুড়ার শাহজাহানপুর উপজেলার মাদলা গ্রামে। তিনি সৌদি আরবে একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানে প্লাম্বার হিসেবে কাজ করতেন। অন্যদিকে, কুমিল্লার নাঙ্গলকোট উপজেলার বদপুর গ্রামের নাসরুল্লাহ বদরপুরি ওমরাহ পালনের জন্য সৌদি আরবে গিয়েছিলেন। দুজনের মরদেহ সরকারি ব্যবস্থাপনায় দেশে আনা হবে।
কোন হাসপাতালে কারা
কিং আবদুল্লাহ হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যাকেন্দ্রে (আইসিইউ) রয়েছেন হাফেজ হাসান, কাজী নুরুল্লাহ ও মো. ওমর ফারুক। তাদের অবস্থা স্থিতিশীল বলে জানানো হয়েছে।
রিয়াদ ন্যাশনাল গার্ড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন সাফফাত রহমান ও মো. দাউদুল ইসলাম। সাফফাত অচেতন অবস্থায় রয়েছেন।
রিয়াদ মেডিকেল হাসপাতালে আছেন মো. সাইদুল ইসলাম সৌরভ ও আবুল মনসুর মো. রিয়াজ উদ্দীন। প্রিন্স সুলতান মিলিটারি হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন মো. আবদুল্লাহ।
সুলাইমান আল হাবিব হাসপাতালের তাখাসসুসি শাখায় রয়েছেন আরমান হোসেন, মোহাম্মদ ও ফয়সাল আহমদ আবদুল হক। কিংডম হাসপাতালে আছেন মো. রফিক মিয়া। কিং ফাহাদ মেডিকেল সিটিতে চিকিৎসাধীন ইসমাইল হোসেন, মো. মিসবাহ উদ্দীন হীরা ও মো. রায়হানুল ইসলাম।
এ ছাড়া প্রিন্স মোহাম্মদ বিন আবদুল আজিজ হাসপাতালসহ রিয়াদের আরও কয়েকটি হাসপাতালে আহত বাংলাদেশিরা চিকিৎসা নিচ্ছেন। তাঁদের চিকিৎসা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ দূতাবাস সংশ্লিষ্ট হাসপাতালগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে।
আটকে পড়া যাত্রীদের ব্যবস্থা
হামলার পর ফ্লাইট চলাচল ব্যাহত হওয়ায় প্রায় ৫০০ বাংলাদেশি যাত্রী আটকে পড়েন। দূতাবাসের উদ্যোগে তাদের খাবার ও আবাসনের ব্যবস্থা করা হয়। ৬৭ জন ওমরাহযাত্রীকে বিশেষ বাসে জেদ্দায় পাঠানো হয়েছে। রিয়াদ থেকে ঢাকাগামী বাতিল হওয়া ফ্লাইটের প্রায় ৪০০ যাত্রীকে দাম্মাম বিমানবন্দর দিয়ে দেশে ফেরানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
সময়ের আলো/এমকে