প্রকাশ: মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:১৯ পিএম
ছবি : সংগৃহীতরাজশাহীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জনসভায় গিয়ে অন্তত নয়জন নেতাকর্মীর মোবাইল ফোন খোয়া গেছে। তাঁদের মধ্যে আটজন থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন। জনসভার ভিড়ের মধ্যে এবং অনুষ্ঠান শেষে মাঠ থেকে বের হওয়ার সময় এসব ফোন চুরির ঘটনা ঘটে। ফোন হারানো ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন রাজশাহী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (আরডিএ) চেয়ারম্যান ও মহানগর বিএনপির সহসভাপতি আবুল কালাম আজাদ সুইটের ছেলে তাওসীফ আজাদ।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) বিকেলে রাজশাহীর ঐতিহাসিক মাদ্রাসা মাঠে প্রধানমন্ত্রীর জনসভা অনুষ্ঠিত হয়। জনসভা শেষে মাঠ থেকে বের হওয়ার সময় এবং ভিড়ের মধ্যে একের পর এক মোবাইল ফোন হারানোর ঘটনা ঘটে।
আরডিএ চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ সুইট বলেন, “প্রধানমন্ত্রী যখন বক্তব্য শেষ করে চলে যাচ্ছিলেন, তখন মঞ্চের পেছন দিকেই দাঁড়িয়ে ছিল আমার ছেলে। ভিড়ের মধ্যে কেউ তার ফোনটি নিয়ে গেছে।” এ ঘটনায় তাঁর ছেলে বোয়ালিয়া থানায় জিডি করেছেন বলেও জানান তিনি।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার বিকেল ৩টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত রাজপাড়া থানায় মোবাইল ফোন হারানোর ঘটনায় সাতটি জিডি করা হয়েছে। এ ছাড়া বোয়ালিয়া থানায় আরও একটি জিডি হয়েছে। তবে ফোন হারানোর পরও কয়েকজন এখনো থানায় অভিযোগ করেননি বলে জানিয়েছেন দলীয় নেতারা।
ফোন হারানো ব্যক্তিদের একজন জেলা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক ফরহাদ বাদশা। নিজের ফেসবুক পোস্টে তিনি লেখেন, “আজ রাজশাহী মাদ্রাসা মাঠে বিএনপির জনসভায় আমার ফোন চুরি হয়ে গেছে। অনাকাঙ্ক্ষিত কোনো মেসেজ কিংবা বিব্রতকর পোস্ট দেখলে এড়িয়ে চলার জন্য অনুরোধ করছি।”
ফরহাদ বাদশা বলেন, প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য শেষে মাদ্রাসা মাঠের প্রধান ফটক দিয়ে বের হওয়ার সময় তাঁর পাঞ্জাবির পকেট কেটে মোবাইল ফোনটি চুরি করা হয়। এ ঘটনায় তিনি এখনো থানায় জিডি করেননি। বুধবার থানায় গিয়ে জিডি করবেন বলে জানান তিনি।
রাজপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কালাম আজাদ বলেন, “এ পর্যন্ত ফোন হারানোর সাতটি জিডি করা হয়েছে। রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের সাইবার ক্রাইম ইউনিট খুব শক্তিশালী। আমরা ফোনগুলো উদ্ধার করব। ঘটনায় জড়িত অপরাধীদেরও আইনের আওতায় আনা হবে।”
সময়ের আলো/এসএকে