প্রকাশ: সোমবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:১১ পিএম আপডেট: ২৬.১০.২০২৬ ৫:১৫ পিএম
সংগৃহীত ছবি ফুটবল মাঠে অসাধারণ পারফরম্যান্সের স্বীকৃতি হিসেবে ব্যালন ডি’অরকে বিবেচনা করা হয় ব্যক্তিগত পর্যায়ের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার হিসেবে। ১৯৫৬ সালে প্রবর্তিত এই সম্মাননা জিততে বছরের পর বছর স্বপ্ন দেখেন ফুটবলাররা। তবে ক্যারিয়ারের শুরুর দিকেই এই পুরস্কার জিতে ইতিহাসের পাতায় জায়গা করে নিয়েছেন কয়েকজন তারকা। সেই তালিকার শীর্ষে রয়েছেন ব্রাজিলের কিংবদন্তি রোনালদো নাজারিও, যিনি মাত্র ২১ বছর বয়সেই জিতেছিলেন ব্যালন ডি’অর।
১৯৯৭ সালে ২১ বছর ৯২ দিন বয়সে ব্যালন ডি’অর জেতেন রোনালদো। সে সময় বার্সেলোনার হয়ে দুর্দান্ত নৈপুণ্য দেখানোর পাশাপাশি ব্রাজিলের হয়ে কোপা আমেরিকা জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন তিনি। অল্প বয়সে বিশ্ব ফুটবলের সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত স্বীকৃতি জিতে গড়া তাঁর সেই রেকর্ড এখনো অক্ষত রয়েছে।
এই তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছেন ইংল্যান্ডের সাবেক স্ট্রাইকার মাইকেল ওয়েন। ২০০১ সালে ২২ বছর ৪ দিন বয়সে ব্যালন ডি’অর জেতেন লিভারপুলের সাবেক এই তারকা। ওই বছর লিভারপুলের হয়ে এফএ কাপ, লিগ কাপ ও উয়েফা কাপ জয়ে তাঁর অবদান ছিল উল্লেখযোগ্য। দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের স্বীকৃতি হিসেবেই তাঁর হাতে ওঠে এই পুরস্কার।
তালিকার তৃতীয় স্থানে আছেন আর্জেন্টাইন কিংবদন্তি লিওনেল মেসি। ২০০৯ সালে ২২ বছর ১৬০ দিন বয়সে প্রথমবার ব্যালন ডি’অর জেতেন তিনি। সে বছর বার্সেলোনার হয়ে চ্যাম্পিয়নস লিগ, লা লিগা ও কোপা দেল রে জিতে ঐতিহাসিক ট্রেবল অর্জন করেন মেসি। পরবর্তী সময়ে রেকর্ড আটবার এই পুরস্কার জিতে নিজেকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যান আর্জেন্টাইন মহাতারকা।
চতুর্থ অবস্থানে রয়েছেন উত্তর আয়ারল্যান্ডের কিংবদন্তি জর্জ বেস্ট। ১৯৬৮ সালে ২২ বছর ২১২ দিন বয়সে ব্যালন ডি’অর জেতেন ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের সাবেক এই ফরোয়ার্ড। একই বছর ক্লাবটির ইউরোপিয়ান কাপ জয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন তিনি।
তালিকার পঞ্চম স্থানে রয়েছেন সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের ফুটবলার ওলেগ ব্লোখিন। ১৯৭৫ সালে ২৩ বছর ৫৫ দিন বয়সে ব্যালন ডি’অর জেতেন ডায়নামো কিয়েভের এই তারকা। ক্লাবটির হয়ে সোভিয়েত লিগ ও ইউরোপিয়ান কাপ উইনার্স কাপ জয়ে তাঁর পারফরম্যান্স ছিল বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
ব্যালন ডি’অরের ইতিহাসে এই পাঁচ ফুটবলারের কীর্তি প্রমাণ করে, বয়স নয়; মাঠের পারফরম্যান্স ও ধারাবাহিকতাই একজন খেলোয়াড়কে বিশ্ব ফুটবলের সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত সম্মান এনে দিতে পারে।
সময়ের আলো/এসকে