প্রকাশ: মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:৫৮ পিএম
১১ বছর ধরে পলাতক থাকা আসামি মঞ্জু । ছবি : সংগৃহীতবরিশালে যুবদল নেতা আলামিন হাওলাদার হত্যা মামলার প্রধান আসামি মঞ্জুকে ১১ বছর পর গ্রেফতার করেছে কাজিরহাট থানা পুলিশ।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) গাজীপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
দীর্ঘদিন পলাতক থাকার পর গ্রেফতারের খবরে নিহতের পরিবার ও স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে। একই সঙ্গে দ্রুত বিচার ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন নিহতের স্বজনেরা।
থানা সূত্রে জানা গেছে, ২০১৫ সালের ৫ সেপ্টেম্বর দুপুর আনুমানিক ১টা ৫ মিনিটে বিদ্যানন্দপুর ইউনিয়নের যুবদল নেতা আলামিন হাওলাদারের পথরোধ করে প্রকাশ্য দিবালোকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
পরে হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় মামলা দায়ের করা হলে মঞ্জুকে প্রধান আসামি করা হয়। মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, হত্যাকাণ্ডের পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নে তার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। ঘটনার পর থেকেই তিনি আত্মগোপনে ছিলেন বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে।
দীর্ঘ ১১ বছর ধরে পলাতক থাকা এই আসামিকে গ্রেফতারে সম্প্রতি তৎপরতা বাড়ায় কাজিরহাট থানা পুলিশ। থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. সিদ্দিকুর রহমানের দিকনির্দেশনা ও সার্বিক তত্ত্বাবধানে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় আসামির অবস্থান শনাক্ত করা হয়। পরে গাজীপুর এলাকায় অভিযান
নিহত আলামিন হাওলাদারের বাবা ও মামলার বাদী সালাম হাওলাদার বলেন, মঞ্জু ও তার বাহিনী আমার ছেলেকে প্রকাশ্য দিবালোকে নৃশংসভাবে হত্যা করেছে। দীর্ঘদিন ধরে আমরা ন্যায়বিচারের অপেক্ষায় আছি। আমি আমার ছেলে হত্যার সঙ্গে জড়িতদের সর্বোচ্চ শাস্তি চাই। দ্রুত বিচার সম্পন্ন করে দোষীদের ফাঁসি কার্যকর করার দাবি জানাচ্ছি।
তিনি আরও জানান, দীর্ঘ ১১ বছর পর প্রধান আসামি গ্রেফতার হওয়ায় তাদের মনে নতুন করে ন্যায়বিচার পাওয়ার আশা জেগেছে।
কাজিরহাট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. সিদ্দিকুর রহমান বলেন, তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় দীর্ঘদিনের অনুসন্ধান ও আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে আমরা হত্যা মামলার প্রধান আসামি মঞ্জুকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়েছি। অপরাধী যেই হোক না কেন, তাদের বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
সময়ের আলো/এনএন