সংগৃহীত ছবি প্রচারে আসার মাত্র দুদিনেই রেকর্ড গড়ল জিয়াউল ফারুক অপূর্ব ও নাজনীন নীহার নতুন নাটক ‘ভালো আছো তো?’। জাকারিয়া সৌখিন পরিচালিত এই নাটকে তুলে ধরা হয়েছে প্রেম, মায়া, ভুল বোঝাবুঝি আর বিচ্ছেদের টানাপোড়েনের এক জটিল সমীকরণ। সম্প্রতি সিএমভির ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশ হয়েছে নাটকটি। এটি প্রচারে আসার পরপরই দর্শক মহলে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। দুদিনেই এক কোটি ভিউ অতিক্রম করেছে নাটকটি। বাংলাদেশি একক নাটক হিসেবে এমন রেকর্ড এই প্রথম।
কী আছে ‘ভালো আছো তো?’ নাটকটিতে? কেনই বা এটি এত দর্শকপ্রিয়তা পাচ্ছে? ইউটিউবে এখন পর্যন্ত ৫ হাজার দর্শক প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন মন্তব্যের ঘরে। অধিকাংশই ইতিবাচক। এ ছাড়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নাটক-সিনেমার বিভিন্ন পেজ ও গ্রুপে আলোচনা তৈরি করেছে নাটকটি।
শুরুর দৃশ্যে চমকে দেওয়া, ধীরে ধীরে ঘটনার গভীরে প্রবেশ, সাবলীল সংলাপ, আবেগীয় উপস্থাপন, দৃশ্যায়নে মুনশিয়ানা, ব্যতিক্রমী শেষ দৃশ্য— সব মিলিয়ে দর্শককে একটি ভিন্নমাত্রিক অভিজ্ঞতা দেয় ‘ভালো আছো তো?’ সাফল্যের পেছনে এসব বিষয়গুলো কাজ করেছে বলে মনে করেন নির্মাণ-সংশ্লিষ্টরা।
অপূর্ব-নাজনীন নীহাকে নিয়ে জাকারিয়া সৌখিনের এটি তৃতীয় কাজ। এর আগে ‘মন দুয়ারি’ ও ‘মায়াপাখি’ নির্মাণ করেন পরিচালক। এই দুটি নাটকও জনপ্রিয়তা পায়।
‘ভালো আছো তো?’ প্রসঙ্গে জাকারিয়া সৌখিন বলেন, ‘সবসময় নিজের মনের মতো কাজ করতে চেয়েছি। কাজের স্বীকৃতি ও প্রাপ্তিতে আনন্দ হয়। এই প্রাপ্তি আমার একার নয়। প্রযোজক, শিল্পী, দর্শক ও আমার টিমকে অভিনন্দন জানাই।’
সিএমভির কর্ণধার এসকে সাহেদ আলী পাপ্পু বলেন, এই সাফল্যে দর্শকদের কাছে আমরা কৃতজ্ঞ। অপূর্ব, নীহা, জাকারিয়া সৌখিনসহ পুরো টিমকে অভিনন্দন। সিএমভি সবসময় দর্শক চাহিদার কথা মাথায় রেখে রুচিশীল ও মানসম্মত কনটেন্ট তৈরি করছে। এমন প্রাপ্তি পরবর্তী কাজের ক্ষেত্রে অনুপ্রেরণা জোগায়।
নাটকটির প্রচারে ফেসবুকে সম্পর্কের ভাঙন ও বিচ্ছেদের পর জমে থাকা অনুভূতি নিয়ে একটি পোস্টার প্রকাশ করেন অপূর্ব। সেখানে তিনি লেখেন, সম্পর্ক নষ্ট করলেও সুন্দরভাবে করা উচিত; অথচ সম্পর্ক এমনভাবে ভাঙে যে দেখা হলেও আর ‘কেমন আছো, ভালো আছো তো?’—এমন প্রশ্ন করা যায় না।
‘ভালো আছো তো?’ নাটকে অপূর্ব-নীহা জুটির পাশাপাশি আরও অভিনয় করেছেন— মিলি বাশার, সমাপ্তি মাশুক, প্রান্ত প্রমুখ। আহমেদ রিজভীর কথায় সাজিদ সরকারের সুর-সংগীতে নাটকের একমাত্র গান ‘যাকে ভালোবেসেছি’তে কণ্ঠ দিয়েছেন মাহতিম সাকিব ও রুমি রুসা।
সময়ের আলো/প্রিন্ট/কেএইচও