প্রকাশ: বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬, ৩:৫৪ পিএম
কচুয়ার নাউপুরা গ্রামে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে পুড়ে যাওয়া বসতঘরের ধ্বংসস্তূপ। ছবি : সংগৃহীতচাঁদপুরের কচুয়ায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে তিনটি বসতঘর ও তিনটি রান্নাঘর পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে স্বর্ণালংকার, নগদ টাকা, আসবাবপত্রসহ প্রায় ১৫ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো। আকস্মিক এ অগ্নিকাণ্ডে সর্বস্ব হারিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন এসব পরিবারের সদস্যরা।
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) দিবাগত রাত সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার গোহট দক্ষিণ ইউনিয়নের নাউপুরা মুন্সি বাড়িতে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। প্রাথমিকভাবে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।
স্থানীয়রা জানান,আগুন লাগার পর ক্ষতিগ্রস্ত কামরুল হাসানের চিৎকারে আশপাশের লোকজন দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন। তারা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করলেও আগুনের তীব্রতা বেশি থাকায় ঘরবাড়ি ও মূল্যবান মালামাল রক্ষা করা সম্ভব হয়নি।
পরে খবর পেয়ে কচুয়া ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা পৌঁছানোর আগেই ঘরবাড়ির অধিকাংশ পুড়ে যায় বলে দাবি করেছেন স্থানীয়রা।
অগ্নিকাণ্ডে কামরুল হাসানের বসতঘর ও রান্নাঘর সম্পূর্ণ পুড়ে যায়। এতে চার ভরি স্বর্ণালংকার, নগদ প্রায় তিন লাখ টাকা, আসবাবপত্রসহ আনুমানিক ৯ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানান তিনি।
এ ছাড়া মিজানুর রহমানের বসতঘর ও রান্নাঘর পুড়ে প্রায় সাড়ে তিন লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। শিফন হোসেনের বসতঘর ও রান্নাঘর পুড়ে প্রায় দুই লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন ভুক্তভোগী পরিবার ও স্থানীয়রা।
সব মিলিয়ে অগ্নিকাণ্ডে তিনটি পরিবারের প্রায় ১৫ লাখ টাকার সম্পদ পুড়ে গেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। আগুনে বসতঘর, রান্নাঘর ও নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র হারিয়ে পরিবারগুলো মানবেতর পরিস্থিতির মুখে পড়েছে। মাথা গোঁজার ঠাঁই হারিয়ে তারা এখন অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন।
অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন কচুয়া থানা পুলিশের সদস্য, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
সময়ের আলো/এনএন