প্রকাশ: সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ১০:১৬ এএম আপডেট: ০২.১১.২০২৬ ১০:২৬ এএম
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে শিল্পাঞ্চলে ১০ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে। ছবি : সংগৃহীত ন্যূনতম ৩০ হাজার টাকা মজুরির দাবিতে গাজীপুরে টানা চতুর্থ দিনের মতো বিক্ষোভ করছেন পোশাকশ্রমিকরা। সোমবার (২ নভেম্বর) সকালে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভের সময় অর্ধশতাধিক যানবাহন ও দোকানপাটে ভাঙচুর করেন তারা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে শিল্পাঞ্চলে ১০ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে।
সকাল সাড়ে ৮টার দিকে কালিয়াকৈর উপজেলার পল্লীবিদ্যুৎ ও মৌচাক এলাকায় বিভিন্ন কারখানার শ্রমিকরা আন্দোলনে নামেন। এ সময় মহাসড়কের মৌচাক, পল্লীবিদ্যুৎ, সফিপুর ও হরিণহাটিসহ আশপাশের এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। শ্রমিকদের বিক্ষোভ ও ভাঙচুরের কারণে মহাসড়কের প্রায় ১০ কিলোমিটার এলাকায় যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। আশপাশের আবাসিক এলাকাতেও আতঙ্ক দেখা দেয়।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে শ্রমিকদের সঙ্গে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এতে বেশ কয়েকটি যানবাহন ভাঙচুর করা হয়। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে আশপাশের শিল্পকারখানাগুলো বন্ধ ঘোষণা করে কর্তৃপক্ষ।
কালিয়াকৈর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহিদুল ইসলাম জানান, ঘটনাস্থলে পুলিশ, বিজিবিসহ অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা অবস্থান করছেন।
গাজীপুরের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নূরুল করিম ভূঁইয়া জানান, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ২১ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে ১০ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে। এরই মধ্যে বিজিবি সদস্যরা মাঠে কাজ শুরু করেছেন।
জেলা প্রশাসক বলেন, আন্দোলনের নামে রাষ্ট্রীয় সম্পদ ও মানুষের জানমালের ক্ষতি যেন না হয়, সে লক্ষ্যে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কাজ করছে।
উল্লেখ্য, বেতন বৃদ্ধির দাবিতে কয়েক দিন ধরে গাজীপুরের বিভিন্ন পোশাক কারখানার শ্রমিকরা ঢাকা-টাঙ্গাইল ও ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ করে আন্দোলন করছেন। এর আগে সংঘর্ষে পুলিশ বক্স, কারখানার গুদাম ও পুলিশের গাড়িতে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। এতে শ্রমিক ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা আহত হন। আন্দোলনের কারণে বন্ধ রয়েছে বেশ কয়েকটি কারখানা।
সময়ের আলো/এমকে