প্রকাশ: শুক্রবার, ৬ নভেম্বর, ২০২৬, ৬:৩০ পিএম
ছবি : সংগৃহীতচলতি বছরের শেষেই ইসরায়েলকে সামরিক সহায়তা দেওয়া বন্ধ হবে বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে এ সিদ্ধান্তকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সম্পর্কের শক্তি ও পরিপক্বতার প্রতিফলন হিসেবে তুলে ধরেছে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর কার্যালয়।
নেতানিয়াহুর কার্যালয় থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে বলা হয়েছে, অতীতে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সহায়তা ইসরায়েল নিজেদের প্রতিরক্ষার পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্র ও পশ্চিমাদের জন্য হুমকি তৈরি করা শত্রুদের মোকাবিলায় ব্যবহার করেছে।
পোস্টে আরও বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সহায়তা সব সময় ডেমোক্র্যাট ও রিপাবলিকান—উভয় দলের সমর্থন পেয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু ও প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের উদ্যোগে সহায়তা থেকে অংশীদারত্বে যাওয়ার এই পরিবর্তন দুই দেশের সম্পর্কের শক্তি ও পরিপক্বতার পরিচয়। সময়ের সঙ্গে খাপ খাইয়ে সম্পর্ককে আরও দৃঢ় রাখার সক্ষমতাও এতে প্রতিফলিত হয়েছে।
তবে নেতানিয়াহুর কার্যালয় বিষয়টিকে ইতিবাচকভাবে তুলে ধরলেও ইসরায়েলের প্রেসিডেন্ট আইজ্যাক হারজগ ভিন্ন প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। বৃহস্পতিবার তিনি বলেন, ট্রাম্পের এই ঘোষণা ছিল ‘আকাশ থেকে বজ্রপাতের মতো’ আকস্মিক।
নেতানিয়াহুর মুখপাত্র ডোরন স্পিলম্যান ফক্স নিউজকে বলেন, কয়েক দশক ধরে যুক্তরাষ্ট্রের জনগণ এবং ডেমোক্র্যাট ও রিপাবলিকান—উভয় দলের সরকারই বুঝেছে, ইসরায়েলকে সামরিক সহায়তা দেওয়ার অর্থ পশ্চিমাদের জন্য হুমকি তৈরি করা শত্রুদের মোকাবিলায় সহায়তা করা।
স্পিলম্যান আরও বলেন, এই সহায়তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হলেও নেতানিয়াহু প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে কাজ করে সহায়তা থেকে বেরিয়ে অংশীদারত্ব ও পারস্পরিক বিনিয়োগের দিকে যাওয়ার উপযুক্ত রূপান্তর নিশ্চিত করার চেষ্টা করছেন।
সময়ের আলো/জেডি