গণপূর্তের নির্বাহী প্রকৌশলী মাসুদুরসহ সাতজনকে দুদকের জিজ্ঞাসাবাদ

নিজস্ব প্রতিবেদক

শেষ পাতা

আলোচিত রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের দুর্নীতি অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে প্রধান অভিযুক্ত বরখাস্ত হওয়া গণপূর্ত অধিদফতরের নির্বাহী প্রকৌশলী মাসুদুর রহমানসহ সাত প্রকৌশলীকে

2019-11-07T00:00:00+00:00
2019-11-07T00:30:16+00:00
 
  শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬,
২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬
শেষ পাতা
গণপূর্তের নির্বাহী প্রকৌশলী মাসুদুরসহ সাতজনকে দুদকের জিজ্ঞাসাবাদ
রূপপুরের বালিশ কাণ্ড
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ৭ নভেম্বর, ২০১৯, ১২:০০ এএম  আপডেট: ০৭.১১.২০১৯ ১২:৩০ এএম  (ভিজিট : ২৪৯)
ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

আলোচিত রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের দুর্নীতি অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে প্রধান অভিযুক্ত বরখাস্ত হওয়া গণপূর্ত অধিদফতরের নির্বাহী প্রকৌশলী মাসুদুর রহমানসহ সাত প্রকৌশলীকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে দুদক। বুধবার তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করে দুদকের উপপরিচালক নাসির উদ্দিনের নেতৃত্বে একটি দল।

পাবনা গণপূর্ত বিভাগের সাবেক নির্বাহী প্রকৌশলী মাসুদুর রহমান ও অন্যদের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার, বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে পাবনার রূপপুর পারমাণবিক প্রকল্পের আসবাব ও অন্য সামগ্রী অস্বাভাবিক দামে কেনা দেখিয়ে কোটি কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ অনুসন্ধান করছে দুদক। 

দুদকের উপপরিচালক (জনসংযোগ) প্রণব কুমার ভট্টাচার্য জানান, গত রোববার ২৯ জন প্রকৌশলীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করে চিঠি দেওয়া হয়। এ ছাড়া বক্তব্য দিতে দুদকে হাজির হতে বলা হয়েছে রূপপুর পারমাণবিক প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালকসহ চারজনকে। বুধবার মাসুদুর রহমান ছাড়া আর যাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় তারা হলেন গণপূর্তের তিন উপবিভাগীয় প্রকোশলী মো. তারেক, তাহাজ্জুদ হোসেন ও মোস্তফা কামাল এবং তিন উপসহকারী প্রকৌশলী কামরুজ্জামান, আবু সাইদ ও ফজলে হক।

এ ছাড়া আজ বৃহস্পতিবার তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী এ কে এম জিল্লুর রহমান, উপবিভাগীয় প্রকৌশলী আহমেদ সাজ্জাদ খান, সহকারী প্রকৌশলী আমিনুল ইসলাম এবং উপসহকারী প্রকৌশলী শফিকুল ইসলাম, সুমন কুমার নন্দী, শাহীন উদ্দিন ও জাহিদুল করিমকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। সাবেক অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী (বর্তমানে অবসরপ্রাপ্ত) শফিকুর রহমান, বর্তমান অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী নজিবর রহমান, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী দেবাশীষ চন্দ্র সাহা, সহকারী প্রকৌশলী রাকিবুল ইসলাম ও রওশন আলী, দুই উপসহকারী প্রকৌশলী আহসানুল হক ও খোরশেদা ইয়াছরিবাকে হাজির হতে বলা হয়েছে ১১ নভেম্বর। আর ১২ নভেম্বর তলব করা হয়েছে সাবেক নির্বাহী প্রকৌশলী নুরুল ইসলাম, বর্তমান নির্বাহী প্রকৌশলী আশরাফুল ইসলাম, সাবেক সহকারী প্রকৌশলী মকলেছুর রহমান, পাঁচ উপসহকারী প্রকৌশলী আলমগীর হোসেন, শাহনাজ আখতার, শফিউজ্জামান, রওশন আলী ও রফিকুজ্জামানকে।

এ ছাড়া ঘটনা সম্পর্কে বক্তব্য দিতে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক ড. শৌকত আকবর, উপপ্রকল্প পরিচালক মো. হাসিনুর রহমান, উপসহকারী পরিচালক মাহবুব রহমান ও মেহেদি হাসানকে ১৩ নভেম্বর দুদকে হাজির হতে বলা হয়েছে। 

রূপপুর পারমাণবিক কেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্পের আবাসিক ভবনের জন্য ১৬৯ কোটি টাকার কেনাকাটায় পদে পদে দুর্নীতি হয়েছে বলে গণমাধ্যমে খবর এসেছে। 

এতে বলা হয়, গণপূর্ত অধিদফতরে কেন্দ্রীয় ও বিভিন্ন জোনভিত্তিক যে কেনাকাটা হয়ে থাকে, তার বার্ষিক একটি পরিকল্পনা থাকে। সে ক্ষেত্রে ৩০ কোটি টাকার নিচে কেনাকাটা হলে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের অনুমোদন লাগে না, স্থানীয় পর্যায়েই করা যায়। এর সুযোগ নিয়ে ১৬৯ কোটি টাকার কাজ ৬টি প্যাকেজে ভাগ করা হয়। ফলে প্রতিটি কাজের মূল্য ৩০ কোটি টাকার নিচে হওয়ায় মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন প্রয়োজন পড়েনি।

সেখানে প্রতিটি বালিশ কিনতে খরচ দেখানো হয়েছে ৫ হাজার ৯৫৭ টাকা। আর প্রতিটি বালিশ আবাসিক ভবনের খাটে তোলার মজুরি দেখানো হয়েছে ৭৬০ টাকা। কভারসহ কমফোর্টারের (লেপ বা কম্বলের বিকল্প হিসেবে ব্যবহৃত) দাম ধরা হয়েছে ১৬ হাজার ৮০০ টাকা। যদিও এর বাজারমূল্য সাড়ে ৪ হাজার থেকে সর্বোচ্চ সাড়ে ১৩ হাজার টাকা। একইভাবে বিদেশি বিছানার চাদর কেনা হয়েছে ৫ হাজার ৯৩৬ টাকায়। এর বাজারমূল্য অবশ্য ৩ থেকে সাড়ে ৩ হাজার টাকা।


Loading...
Loading...
শেষ পাতা- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: