খুলনা ও রাজশাহী জুট মিল শ্রমিকদের অনশন অব্যাহত

খুলনা ও রাজশাহী ব্যুরো

শেষ পাতা

মৃদু শৈত্যপ্রবাহের মধ্যে কনকনে ঠান্ডা বাতাস উপেক্ষা করে দ্বিতীয় আমরণ অনশন কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছে খুলনা ও রাজশাহীর জুট মিল শ্রমিকরা।

2019-12-31T00:00:00+00:00
2019-12-31T00:53:47+00:00
 
  শুক্রবার, ৫ জুন ২০২৬,
২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
শুক্রবার, ৫ জুন ২০২৬
শেষ পাতা
খুলনা ও রাজশাহী জুট মিল শ্রমিকদের অনশন অব্যাহত
খুলনা ও রাজশাহী ব্যুরো
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ৩১ ডিসেম্বর, ২০১৯, ১২:০০ এএম  আপডেট: ৩১.১২.২০১৯ ১২:৫৩ এএম  (ভিজিট : ৬০০)
 মৃদু শৈত্যপ্রবাহের মধ্যে কনকনে ঠান্ডা বাতাস উপেক্ষা করে দ্বিতীয় আমরণ অনশন কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছে খুলনা ও রাজশাহীর জুট মিল শ্রমিকরা। খুলনায় এ কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে এ পর্যন্ত ১৫ জন শ্রমিক অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। অন্যদিকে রাজশাহী জুট মিলের মূল ফটকের সামনে কাঁথা-বালিশ নিয়ে অনশন কর্মসূচি পালন করছেন শ্রমিকরা। শীতের কারণে শ্রমিকদের অনেকেই ধীরে ধীরে অসুস্থ হয়ে পড়ছেন বলে দাবি করেছেন রাজশাহী জুট মিল শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি জিল্লুর রহমান।
জানা গেছে, খুলনায় অনশনে অংশ নেওয়া খালিশপুর জুট মিলের পাট বিভাগের সরদার গনি মিয়া রোববার রাতে অনশনরত স্থানে অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে শ্রমিকরা তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। এ ছাড়া এই কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া প্লাটিনাম, স্টার ও ক্রিসেন্ট জুট মিলের প্রায় ১৫ শ্রমিক অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। কর্মসূচি চলাকালে খালিশপুর, আটরা ও রাজঘাট এলাকায় দফায় দফায় শ্রমিক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। শ্রমিক নেতা মুরাদ হোসেন জানান, খালিশপুর শিল্পাঞ্চলের চারটি জুট মিলের শ্রমিকরা ক্রিসেন্ট গেটে অনশনে বসেছেন। কাঁথা-বালিশ, লেপ, কম্বল নিয়ে অনশনরত শ্রমিকরা রাতযাপন করছেন রাস্তায়। শ্রমিকরা বলেন, দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আমরণ অনশন কর্মসূচি চলবে।
অন্যদিকে, সোমবার দুপুরে রাজশাহী জুট মিলের প্রধান ফটকে অনশনরত শ্রমিকদের মাঝে গিয়ে আন্দোলনে একাত্মতা ঘোষণা করেছেন ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক ও সংসদ সদস্য ফজলে হোসেন বাদশা। এ সময় তিনি শ্রমিকদের ন্যায্য দাবি মেনে নিতে সরকারের প্রতি আহŸান জানিয়ে বলেন, শ্রমিকদের এই অসময়ে তাদের পাশে দাঁড়িয়ে কর্মকর্তাদের ‘পাপ মোচনের’ এখন সময় এসেছে। শ্রমিকদের দাবি মেনে নিয়ে নিজেদের পাপ মোচন করা উচিত। মন্ত্রণালয়ে এবং বিজেএমসিতে কিছু শ্রমিকবিরোধী লোক আছে যারা শ্রমিকদের স্বার্থের কথা ভাবেন না বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
বাদশা বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে পাটজাত দ্রব্যের যে দাম, সেই দামের সঙ্গে মিল রেখে রাষ্ট্রায়ত্ত শিল্প-কারখানার উৎপাদিত পণ্য বিদেশে রফতানি করলে শ্রমিকরা নায্য বেতন ভাতা পাবেন। তাহলে তাদের এই শীতের মধ্যে আন্দোলন করতে হতো না। এ সময় ওয়ার্কার্স পার্টির রাজশাহী মহানগর সম্পাদকমÐলীর সদস্য মুক্তিযোদ্ধা আবুল কালাম আজাদ, জাতীয় শ্রমিক ফেডারেশনের জেলা সভাপতি ফেরদৌস জামিল টুটুল, সাধারণ সম্পাদক অসিত পাল, সহসভাপতি সিরাজুর রহমান খান, কাটাখালি পৌর ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি মঞ্জুরুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক আলাল মোল্লা প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।



Loading...
Loading...
শেষ পাতা- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: