মির্জা আসাদুল্লাহ গালিব

আলোর রেখা

মির্জা আসাদুল্লাহ গালিব ভারতবর্ষে মোগল-সাম্রাজ্যের শেষ ও ব্রিটিশ শাসনের শুরুর দিকের উর্দু এবং ফার্সি ভাষার কবি। সাহিত্যে অনন্য অবদানের জন্য

2019-12-27T00:00:00+00:00
2019-12-27T00:00:00+00:00
 
  সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬,
১২ শ্রাবণ ১৪৩৩
সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬
আলোর রেখা
মির্জা আসাদুল্লাহ গালিব
প্রকাশ: শুক্রবার, ২৭ ডিসেম্বর, ২০১৯, ১২:০০ এএম 
মির্জা আসাদুল্লাহ গালিব ভারতবর্ষে মোগল-সাম্রাজ্যের শেষ ও ব্রিটিশ শাসনের শুরুর দিকের উর্দু এবং ফার্সি ভাষার কবি। সাহিত্যে অনন্য অবদানের জন্য তাকে দাবির-উল-মালিক ও নাজিম-উদ-দৌলা উপাধি দেওয়া হয়। তার সময়ে ভারতবর্ষে মোগল সাম্রাজ্য তার ঔজ্জ্বল্য হারায়। ১৮৫৭ সালের সিপাহি বিদ্রোহের মধ্য দিয়ে ব্রিটিশরা পুরোপুরিভাবে মোগলদের ক্ষমতাচ্যুত ও সিংহাসন দখল করে। মহাবিদ্রোহের সময়কার তার লেখা সেই দিনলিপির নাম ‘দাস্তাম্বু।’ তাকে মোগল সাম্রাজ্যের সর্বশেষ কবি ও দক্ষিণ এশিয়ায় উর্দু ভাষার সবচেয়ে প্রভাবশালী কবি বলে মনে করা হয়। গালিব কখনও জীবিকার জন্য কাজ করেননি। সারা জীবনই হয় রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় অথবা ধার কর্জ করে নতুবা কোনো বন্ধুর উদারতায় জীবনযাপন করেন। তার খ্যাতি আসে তার মৃত্যুর পর। নিজের সম্পর্কে মন্তব্য করেছিলেন, বেঁচে থাকতে তার গুণকে কেউ স্বীকৃতি না দিলেও, পরবর্তী প্রজন্ম তাকে স্বীকৃতি দেবে। অদ্যাবধি উর্দু কবিদের মধ্যে তাকে নিয়েই সবচেয়ে বেশি লেখা হয়েছে।
গালিব ১৭৯৭ সালে ২৭ ডিসেম্বর আগ্রায় জন্মগ্রহণ করেন। পূর্বপুরুষরা সমরকন্দ থেকে ভারতে আসে। মির্জা গালিবের বাবা আগ্রার এক অভিজাত পরিবারে বিয়ে করেছিলেন। প্রাথমিক জীবন শুরু হয় নানাবাড়িতে। সেখানে যুক্তিবিদ্যা, জ্যোতির্বিদ্যা, চিকিৎসাশাস্ত্র ও অধিবিদ্যা ছাড়াও অন্যান্য বিষয়ে পড়াশোনা করেন। কিন্তু তার ঝোঁক ছিল ভাষা ও সাহিত্যের এবং ফার্সি ভাষার প্রতি। ১৮১১ সালের পর পরবর্তী একান্ন বছর ধরে দিল্লিতেই বসবাস করেছেন। যতদিন যাচ্ছে গালিব বেশি পঠিত হচ্ছে। গালিব বলেছেন, ‘আমি প্রশংসার কাঙাল নই, পুরস্কারের জন্য লালায়িত নই, আমার কবিতার যদি কোনো অর্থও না থাকে তা নিয়েও আমার তোয়াক্কা নেই।’ তা সত্তে¡ও গালিবের কবিতা অপূর্ব, ছন্দময় এবং ভাবসমৃদ্ধ। ১৮৫৭ সালের সিপাহি বিদ্রোহে তার জীবনের সবকিছু তছনছ হয়ে যায়। মোগল বাদশাহর সময়ে যে ভাতা লাভ করতেন, তা বৃটিশ কর্তৃপক্ষ বাতিল করে। ১৮৬৯ সালের ১৫ ফেব্রæয়ারি মহান কবি গালিব মারা যান। তাকে দিল্লির নিজামউদ্দিন আউলিয়ার মাজারের কাছে দাফন করা হয়।




Loading...
Loading...
আলোর রেখা- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: