কৃষক তালিকা তৈরিতে অনিয়মের অভিযোগ

মৌলভীবাজার প্রতিনিধি

সময়ের বাংলা

মৌলভীবাজারের রাজনগরে সরকারিভাবে আমন ধান ক্রয়ে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় কৃষি বিভাগের লোকজনের যোগসাজশে একটি চক্র প্রকৃত আমন চাষিদের

2020-01-16T00:00:00+00:00
2020-01-16T00:00:00+00:00
 
  বুধবার, ১০ জুন ২০২৬,
২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
বুধবার, ১০ জুন ২০২৬
সময়ের বাংলা
কৃষক তালিকা তৈরিতে অনিয়মের অভিযোগ
মৌলভীবাজারে সরকারিভাবে আমন ধান ক্রয়
মৌলভীবাজার প্রতিনিধি
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ১৬ জানুয়ারি, ২০২০, ১২:০০ এএম   (ভিজিট : ১৫২)
মৌলভীবাজারের রাজনগরে সরকারিভাবে আমন ধান ক্রয়ে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় কৃষি বিভাগের লোকজনের যোগসাজশে একটি চক্র প্রকৃত আমন চাষিদের বাদ দিয়ে কৃষক তালিকা তৈরি করেছে। এতে ক্ষুব্ধ আমন চাষিরা তালিকা বাতিল করে প্রকৃত চাষিদের নিয়ে নতুন তালিকা তৈরির দাবি জানিয়েছেন।
উপজেলা কৃষি কার্যালয় সূত্র জানায়, এ বছর সরকারিভাবে উপজেলা থেকে ১ হাজার ৪১৭ টন আমন ধান ক্রয়ের লক্ষ্যে বিক্রেতা তালিকায় উপজেলার সাড়ে ৯ হাজার কৃষক তালিকাভুক্ত হন। ইউনিয়ন কৃষি কর্মকর্তাগণ এই তালিকা প্রস্তুত করেন। সেই তালিকা থেকে লটারির মাধ্যমে ১ হাজার ৪১৭ জন কৃষককে মনোনীত করা হয়।
প্রান্তিক কৃষকরা অভিযোগ করে বলেন, মূল তালিকায় প্রকৃত কৃষকদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। বরং মাঠ পর্যায়ের কৃষি কর্মকর্তাদের যোগসাজশে একটি চক্র নিজেদের সুবিধামাফিক তালিকা তৈরি করেছে। তালিকা যাচাই করে দেখা যায়, একজন কৃষকের নাম একাধিকবার এসেছে। একই মোবাইল ফোন নম্বর ব্যবহার করেছেন একাধিকজন। এর মধ্যে ১টি ফোন নম্বর ব্যবহার করেছেন ৫৭ জন। উত্তরভাগ ইউনিয়নের উত্তরভাগ গ্রামের ১৫৮ জন কৃষকের অর্ধেকের
বেশি ভুয়া।
উপজেলা কৃষিবিভাগ জানায়, শুধুমাত্র ফতেহপুর ইউনিয়নে লটারিতে অংশ নেয় ২২৫ জন কৃষক। এর মধ্যে মনোনীত হন ৩৬ জন। অভিযোগের প্রেক্ষিতে যাচাই করে দেখা যায় এই ৩৬ জনের ২০ জনই ভুয়া। এদের কেউ কেউ বিদেশ থাকেন। কেউ আবার আমন চাষ করেন না। উপজেলার সবগুলো ইউনিয়নে দেখা গেছে কৃষক নির্বাচনে এমন অনিয়মের চিত্র।
ফতেহপুর ইউনিয়নের ছোয়াব আলী গ্রামের কৃষক জলাল মিয়া বলেন, যারা মনোনীত হয়েছে তাদের অধিকাংশের কৃষি কার্ড হাতিয়ে নিয়েছে একটি চক্র। কোনো কোনো কৃষককে ৪শ থেকে ৫শ টাকা দিয়েও কার্ড হাতিয়ে নেওয়া হয়েছে। এসব কার্ড যখন লটারিতে মনোনীত হবে তখন ওই সাধারণ কৃষকদের কাছ থেকে অল্প টাকায় ধান কিনে সিন্ডিকেট চক্র সরকারের কাছে বেশি দামে বিক্রি করে দিচ্ছে।
রাজনগর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. শাহাদুল ইসলাম তালিকায় অসংগতির অভিযোগ স্বীকার করে জানান, লটারিতে নির্বাচিত কৃষক তালিকা অধিকতর যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। প্রকৃত আমন চাষি না হলে কার্ড জব্দ করা হচ্ছে।
উপজেলা ধান সংগ্রহ কমিটির সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফেরদৌসী আক্তার জানান, বিষয়টি দুঃখজনক। অনিয়মের অভিযোগ শোনার পর আমন ধান বিক্রয়ের জন্য আরেকটি কৃষক তালিকা তৈরির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

Loading...
Loading...
সময়ের বাংলা- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: