তিন বিলিয়ন ডলারের ই-কমার্সে আপনার ভাগ কত?

ফাতেমা আবেদীন

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী সংখ্যা

করোনাকালে সারা বিশ্ব যখন স্থবির তখন আমরা বেশ সচল ছিলাম। আমরা বলতে আমি অনলাইন উদ্যোক্তাদের কথা বলছি। অনলাইন উদ্যোক্তারা সেই

2023-03-14T15:20:42+00:00
2023-03-14T15:20:42+00:00
 
  বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬,
১১ আষাঢ় ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী সংখ্যা
তিন বিলিয়ন ডলারের ই-কমার্সে আপনার ভাগ কত?
ফাতেমা আবেদীন
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ১৪ মার্চ, ২০২৩, ৩:২০ পিএম 
করোনাকালে সারা বিশ্ব যখন স্থবির তখন আমরা বেশ সচল ছিলাম। আমরা বলতে আমি অনলাইন উদ্যোক্তাদের কথা বলছি। অনলাইন উদ্যোক্তারা সেই সময় দেশের অর্থনীতির চাকা সচল রেখেছেন। শুধু শহরকেন্দ্রিক নয়, পুরো দেশের আনাচে-কানাচে সৃষ্টি হয়েছিল উদ্যোক্তা।

এই সৃষ্ট উদ্যোক্তাদের কতজন টিকে আছেন সেই বিষয়ে কোনো পরিসংখ্যান নেই। তবে বাংলাদেশ ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ই-ক্যাব) দেওয়া তথ্য অনুযায়ী ২০২০ সাল অর্থাৎ করোনাকালের প্রবৃদ্ধি হয়েছে দ্বিগুণেরও বেশি। সে সময় প্রতিদিন অনলাইনে অর্ডার পড়ে ১ লাখ ২০ হাজার থেকে ১ লাখ ৫০ হাজারের মতো। এর মধ্যে মুদিসামগ্রী বা গ্রোসারি বেশি। এরপরই ছিল ইলেকট্রনিক আইটেম ও গেজেটস। করোনার প্রকোপমুক্ত হওয়ার পর এই সংখ্যাটা অর্ধেকের বেশি নেমে আসবে বলে অনেকেই ধারণা করেছিল।

তবে ই-ক্যাবের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী জানা যায়, ২০১৫ সালের পর থেকে বাংলাদেশের জ্যামিতিক হারে ই-কমার্সগুলো বাড়তে শুরু করে। বর্তমানে বাংলাদেশে ২৫০০-এরও বেশি ই-কমার্স রয়েছে যার মধ্যে এক শতাংশ বড় প্রতিষ্ঠান, ৪ শতাংশ মাঝারি এবং ৯৫ শতাংশই ক্ষুদ্র প্রতিষ্ঠান। এদের মধ্যে প্রায় ১৬০০টি প্রতিষ্ঠান ই-ক্যাব সদস্য। এ ছাড়াও বর্তমানে ফেসবুকভিত্তিক অনলাইন ব্যবসার প্রসার দেখা যাচ্ছে বেশি। মূলত ফেসবুকে লাইভ ফিচার যুক্ত হওয়ার পর থেকেই এসব ফেসবুকভিত্তিক অনলাইন ব্যবসা আস্তে আস্তে বৃদ্ধি পেয়েছে এবং বর্তমানে দেশে পাঁচ লাখেরও বেশি ফেসবুকভিত্তিক ব্যবসায়িক পেজ আছে।

বাংলাদেশে প্রতি বছর গড়ে ২৫ শতাংশ হারে এই প্ল্যাটফর্মগুলো বৃদ্ধি পাচ্ছে। ফাইন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস তাদের এক সংবাদে দাবি করে, ২০২০ সালের নভেম্বর মাসে বাংলাদেশের ই-কমার্সের মার্কেট সাইজ ছিল ২ বিলিয়ন ডলারের এবং ধারণা করা হচ্ছে ২০২৩ সাল আমাদের দেশের ই-কমার্স মার্কেট সাইজ ৩ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছাবে। 

অর্থাৎ দেশে উদ্যোক্তা বাড়ছেন ব্যাপক হারে। হালের কন্টেন্ট ক্রিয়েটররাও ডিজিটাল উদ্যোক্তার তকমা পেয়ে গেছেন বেশ আগেই। কারণ তাদেরও আয় হচ্ছে প্রচুর। গত কুরবানি ঈদের হিসাবই যদি ধরেন তা হলে আমরা ই-ক্যাবের দেওয়া হিসাবে দেখতে পাইÑঅনলাইনে কন্টেন্টভিত্তিক আয় যেমন বেড়েছে, তার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে কয়েকগুণ বেড়েছে ই-কমার্স ও এফ-কমার্স। ফলে ঈদের বাজারে অনলাইনভিত্তিক বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানগুলো ব্যাপক প্রভাব রেখেছে। বিশেষত, ঢাকাসহ সারা দেশে ই-কমার্স ও এফ-কমার্স অর্থাৎ ফেসবুকভিত্তিক বাণিজ্যিক লেনদেন চোখে পড়ার মতো। সবচেয়ে প্রত্যাশার বিষয় হচ্ছে এফ-কমার্সের ৭০ শতাংশ উদ্যোক্তা নারী।

২০২২ সালের ঈদের সময় ই-ক্যাবের সাধারণ সম্পাদক আবদুল ওয়াহেদ তমাল জানিয়েছিলেন, ঈদকে কেন্দ্র করে স্বাভাবিকের চেয়ে ৪৫ শতাংশ বিক্রি বৃদ্ধি পেয়েছে। রোজার আগে যেখানে দৈনিক আড়াই লাখ ডেলিভারি হতো, সেটা এই মুহূর্তে সাড়ে ৩ লাখের বেশি হচ্ছে।

ঈদকে কেন্দ্র করে এই ডেলিভারির সংখ্যা আনুমানিক সাড়ে ৪ লাখে হয়েছে। প্রতিটি ডেলিভারির বাস্কেটভ্যালু ২১৫০ টাকা থেকে ২২০০ টাকা ছিল। ঈদে বাস্কেটভ্যালু গড়ে ২৫০০ টাকা হয়েছে। সাধারণত পোশাকের ক্ষেত্রে বাস্কেটভ্যালু আরও কম হলেও গেজেটের কারণে এর গড় ভ্যালু বেড়ে যায়। ২০২২ সালেই ২ হাজার কোটি টাকার লেনদেন ছাড়ায় উদ্যোক্তারা। এ বছর এই লেনদেনের সংখ্যা দাঁড়াতে যাচ্ছে প্রায় ৩ হাজার কোটি টাকা।

এখন প্রশ্ন হচ্ছে, এই ৩ হাজার কোটি টাকার বাণিজ্যে আপনার অর্থাৎ একজন উদ্যোক্তার ভাগ কত? একজন উদ্যোক্তা হিসেবে আপনি বছর শেষে কত টাকা আয়কর জমা দিয়েছেন বা আপনার আয়-ব্যয়ের হিসাব কত? এগুলো আপনি বুঝে নিয়েছেন কি?

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো বা বিবিএস জানিয়েছিল যে, এক দশকের ব্যবধানে নারী উদ্যোক্তা দ্বিগুণেরও বেশি হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির হোলসেল অ্যান্ড রিটেইল ট্রেড সার্ভে-২০২০-এর জরিপ ফল প্রকাশ করে বলা হয়েছিল যে, ২০১৯-২০ অর্থবছরে নারী উদ্যোক্তার সংখ্যা ছিল ২ লাখেরও বেশি যা ২০০২-০৩ অর্থবছরে ছিল মাত্র ২১ হাজার। ২০২১-২২ অর্থবছরে এই সংখ্যা ৪ লাখের কাছাকাছি হয়েছে। কিন্তু এসব অন্তর্জ্বালে ভাজা হিসাবের ভিত্তিই নেই। বেশিরভাগ নারী উদ্যোক্তার নেই ট্রেড লাইসেন্স। নেই ই-ক্যাবের অনুমোদন। ফেসবুক পেজভিত্তিক ৫ লাখ উদ্যোক্তা যার ৭০ শতাংশ নারীÑতারা কি আদৌ নিয়ম মেনে ব্যবসা করছে। বা তাদের জন্য আদৌ কোনো নিয়ম তৈরি হয়েছে কি? আপনার আয়ের হিসাব কি সত্যিই আপনি পান, নাকি অনলাইনে জামা-জুতো, খাতা-পাতা বিক্রি করে কিছু কাঁচা টাকা হাতে পেয়ে সন্তুষ্ট হয়ে রয়েছেন। অর্থাৎ আপনার লেনদেনের হিসাব ৩ বিলিয়ন ডলারের হিসাবে যুক্ত হচ্ছে কি না আপনি জানেন না।

সম্প্রতি শুল্ক-কর অব্যাহতির কারণে বাংলাদেশে প্রতি বছর প্রায় আড়াই লাখ কোটি টাকার মতো রাজস্ব আদায় করা যায় না বলে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) এক গবেষণায় জানিয়েছে। এই পরিমাণ অব্যাহতিপ্রাপ্ত শুল্ক-কর আদায় করা গেলে রাজস্ব আদায় প্রায় ৮০ শতাংশের মতো বেড়ে যেত বলেও দাবি করা হয় সেই গবেষণায়।

এর মধ্যে হস্তশিল্প এবং ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের ৫০ লাখ টাকা পর্যন্ত বার্ষিক টার্নওভারের ওপর ২০২৪ সালের ৩০ জুন করমুক্ত আয়ের সুবিধা দেওয়া আছে। এ ছাড়া স্বল্পোন্নত এলাকায় হস্তশিল্প এবং ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তারা কারখানা করলে ২০ শতাংশ পর্যন্ত কর ছাড় মেলে।

অর্থাৎ আপনাকে ইতিমধ্যে করমুক্ত ব্যবসায়ী ঘোষণা করা হয়েছে। কিন্তু যদি আয়কর দেওয়া লাগে এই দুশ্চিন্তায় আপনি কোনো যথাযথ প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন না।

তবে অনলাইন বিক্রেতাদের আয়কর রিটার্ন বাধ্যতামূলক। করযোগ্য আয় থাকুক না থাকুক, ব্যাংক কারও ১০ লাখ টাকা থাকলেই তার রিটার্ন জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক। কিংবা কখনো ট্রেড লাইসেন্স নিয়েছেন কিন্তু এখন আর ব্যবসা-বাণিজ্যে নেই, তাকেও রিটার্ন জমা দিতে হবে।

তা হলে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের বিভিন্ন সংকট, সমস্যায় কারা হাত বাড়াবেন বলে ধারণা করছেন। ই-ক্যাব শুধু তাদের নিবন্ধিত ওয়েবসাইটভিত্তিক উদ্যোক্তাদেরই পাশে রয়েছে। এর বাইরে ৫ লাখ এফ-কমার্স ব্যবসায়ীর 
কোনো সংকটে তারা পাশে নেই। একই সঙ্গে ফেসবুকভিত্তিক উদ্যোক্তাদের অসংখ্য প্ল্যাটফর্ম থাকলেও ব্যবসার যথাযথ কাগজপত্র তৈরির সুব্যবস্থায় কোনো সহযোগিতা করেন না এসব প্ল্যাটফর্ম। তারা শুধু বছর বছর গ্রুপভিত্তিক লাখ টাকার বেচাকেনার হিসাব দিতেই ব্যস্ত। কিংবা মেলার মতো গেট টুগেদারের পাল্লায় বন্দি করে রাখা হয়েছে এফ-কমার্সভিত্তিক উদ্যোক্তাদের। তারাও বেশ সন্তুষ্ট।

এদিকে ডিজিটাল ব্যবসার জন্য প্রয়োজন ডিবিআইডি নিবন্ধন। সরকারের বাণিজ্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক জাতীয় ডিজিটাল কমার্স নীতিমালা ২০১৮ (২০২০ সালে সংশোধিত)-এর অনুচ্ছেদ ৩.৩.৬-এর আলোকে ডিজিটাল বিজনেস আইডেনটিটি (ডিবিআইডি) নিবন্ধন নির্দেশিকা প্রণয়ন করে সেটি ২০২২ সালের ২৯ জুন গেজেট আকারে প্রকাশ করা হয়েছে।

ডিবিআইডি অর্থ ডিজিটাল বিজনেস আইডি, যা ডিজিটাল কমার্স পরিচালনা নির্দেশিকা ২০২১-এর ১২.১৩-এ ইউনিক বিজনেস আইডেনটিফিকেশন নম্বর (ইউবিআইডি) হিসাবে উল্লেখ করা হয়েছে এবং বলা হচ্ছে, এ ডিবিআইডি অর্থাৎ পরিচিতি নম্বরটি সিস্টেম প্রদত্ত (অটো-জেনারেটেড) অনন্য বা ইউনিক হবে। জাতীয় ডিজিটাল কমার্স নীতিমালা অনুসারে যেকোনো ধরনের অনলাইনভিত্তিক ব্যবসা করতে হলে অবশ্যই ডিবিআইডি নিবন্ধন করতে হবে। নিবন্ধনের কাজটি করবে যৌথ মূলধনি কোম্পানি ও ফার্মগুলোর পরিদফতর (আরজেএসসি)।

ডিজিটাল কমার্স প্রতিষ্ঠানকে নিবন্ধনপূর্বক ডিজিটাল কমার্স সেক্টরে শৃঙ্খলা আনয়ন এবং ক্রেতা ও বিক্রেতার মধ্যে একটি বিশ্বাসযোগ্য পরিবেশ তৈরি করার উদ্দেশ্যেই এই নিবন্ধন।

এদিকে ডিবিআইডি রেজিস্ট্রেশন (ডিজিটাল কমার্স প্রতিষ্ঠানের নিবন্ধন) যতটা সহজ বলে ধারণা করছিলেন ব্যবসায়ীরা ততটা সহজ নয়। প্রথমেই মাই গভ ডটবিডি-এ প্রোফাইল খুলতে হবে এবং এটি ভোটার আইডি দ্বারা নিবন্ধিত থাকতে হবে। এরপর ছবি, স্বাক্ষর, আবেদনকারীর জাতীয় পরিচয়পত্র, প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যানের জাতীয় পরিচয়পত্রের নম্বর (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে), পরিচালকদের জাতীয় পরিচয়পত্রের নম্বর (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে), বাড়ির মালিকের জাতীয় পরিচয়পত্রের নম্বর (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে), ট্রেড লাইসেন্সের কপি (যদি থাকে), কোম্পানি রেজিস্ট্রেশন নম্বর (যদি থাকে), ভ্যাট নিবন্ধন নম্বর (যদি থাকে), আয়কর নিবন্ধন নম্বর (যদি থাকে), ভাড়া অফিসের ক্ষেত্রে বাড়ি/ফ্ল্যাটের মালিকের সঙ্গে সম্পাদিত চুক্তির দলিলের কপি, স্থানীয় চেয়ারম্যান/ওয়ার্ড কমিশনার/গণ্যমান্য ব্যক্তির সুপারিশ (যদি থাকে), যদি থাকের বাইরে যা যা দরকার এর মধ্যে ভাড়ার চুক্তিকপি খুবই জরুরি। এর সঙ্গে বাড়িওয়ালার ভোটার আইডি, ফোন নম্বর, ই-মেইল এগুলো বাধ্যতামূলক।

এখন ঢাকা বা অন্য কোনো জেলা শহরে নিজের ভাড়া বাসায় আপনার উদ্যোগ নেওয়া ছোট্ট একটা বুটিক বা ফুড ডেলিভারির ব্যবসায় এতগুলো কাগজ কোথায় পাবেন? ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যে বাড়ি ভাড়া নিয়েছেন এমন কোনো চুক্তিপত্র নেই আপনার কাছে। আপনি ট্রেড লাইসেন্সও করছেন না।

যদিও এই বন্ধুর পথ পাড়ি দিয়ে নিবন্ধন দাখিল করতে পারেন, এরপর যাচাই-বাছাই করে আপনাকে নিবন্ধন দেবে। যে যে অঞ্চলে ব্যবসা করেন তার ব্যবসার ট্রেড লাইসেন্স সেই সিটি করপোরেশন বা পৌরসভার অধীনে হতে হবে। নতুবা নিবন্ধন পাবেন না। ভুল তথ্য প্রদানের জন্য আপনার জরিমানা বা আপনার বিরুদ্ধে মামলাও হতে পারে। এখন আপনি কী করবেন? ব্যবসা করে কিছু টাকা হাতে এসেছিল সত্য কিন্তু আপনার পথ দুয়ারে দুয়ারে রুদ্ধ করে রাখা হয়েছে। ই-কমার্সের কর্তাব্যক্তি তৈরি হয়েছে প্রচুর। তার কেবলই মডেল কর্তাব্যক্তি উদ্যোক্তাদের গুরুজন বলে সম্মাননা পাচ্ছেন কিন্তু আপনাকে একজন প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী করে গড়ে তুলতে বা এগিয়ে নিয়ে যেতে তাদের কোনো দায়-দায়িত্ব নেই বললেই চলে। আপনাকেই সোচ্চার হতে হবে। নিয়ম মেনে ডিজিটাল ব্যবসায়ী হয়ে ৩ বিলিয়ন ডলারের লেনদেন থেকে নিজের ভাগটি বুঝে নিতে হবে।


Loading...
Loading...
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী সংখ্যা- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: