নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে যাত্রীবাহী বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল চালকসহ নারী আরোহীর মৃত্যু হয়েছে। এতে এক শিশু আহত হয়েছে। মৃতরা হলেন- সাবিহা চৌধুরী (৩৭) ও সহকর্মী চালক জাহাঙ্গির হোসেন মিলন। এই ঘটনায় সাবিহার ছেলে সিফাত চৌধুরী (১১) আহত হয়েছে।
শনিবার (২৬ এপ্রিল) বিকেল সোয়া ৫টার দিকে ওই নারীকে পথচারীরা ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
হাসপতালে পথচারী মো. মিন্টু মিয়া বলেন, বিকেল ৪টার দিকে তারাবো বিশ্বরোড ডেমড়া ব্রীজের কাছে নিহতরা মোটরসাইকেল চালিয়ে যাচ্ছিল। এ সময় গাউছিয়া পরিবহনের একটি বাস মোটরসাইকেলটিকে চাপা দেয়। এতে চালক ঘটনাস্থলে মারা যায়। আহত নারী ও শিশুটিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে জরুরী বিভাগে নিয়ে আসলে ওই নারীকে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। শিশুটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছে।
খবর পেয়ে হাসপাতালে আসে মৃত সাবিহার পরিবার। সাবিহার খালা রাশেদা আক্তার বলেন, সাবিহার বাড়ি রূপগঞ্জ বরাবো কামাল নগর এলাকায়। তার বাবার নাম শাজাহান চৌধুরী। সাবিহা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের অফিস সহকারীর চাকরি করতেন। বর্তমানে থাকতো মতিঝিল এজিবি কলোনিতে। সাবিহার দুই ছেলে বরাবো তার নানীর কাছে থাকে।
তিনি আরও বলেন, আজকে অফিস বন্ধ থাকায় তার বাবার বাড়িতে গিয়েছিল সাবিহা। সেখানে সাবিহা অফিস কলিগ ও ছেলে সিফাতকে নিয়ে জায়গা কেনার উদ্দেশ্যে বের হয়েছিল। তার অফিস কলিগের নাম জাহাঙ্গীর হোসেন মিলন। জানতে পেরেছি সে ঘটনাস্থলে মারা গেছে। আহত সিফাত বরাবো একটি স্কুলে সপ্তম শ্রেণীতে পড়ে। ঢাকা মেডিকেলে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. ফারুক মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, মরদেহটি মর্গে রাখা হয়েছে। আহত শিশুটির মাথায় আঘাত রয়েছে। এছাড়া বাম পা ভেঙ্গে গেছে। হাসপাতালের জরুরী বিভাগে চিকিসাধীন আছে।
এসটিও